আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
29 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (55 points)
আসসালামু আলাইকুম।
এক বোনের পক্ষ থেকে প্রশ্ন।

আমি চাই আল্লাহ্ সুবহানাতায়ালা র সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পরম করুণাময়  আল্লাহ্ তায়ালা যেন আমায় হেদায়াত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করেন।  আমার বয়স ২১ বছর।  আমরা ৪ বোন , ভাই নেই  । আমার বাবা মা  দুজনেই বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক। আমি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে  ১ম বর্ষে অধ্যয়নরত আছি।  আমি চাই ইসলামী দ্বীনি জ্ঞানে নিজেকে সংশোধন করতে । আর নিজের ইমান এর শক্তি মজবুত করতে।  ইন শা আল্লাহ  আগামী প্রজন্মকে দ্বীনের শিক্ষা দিতে চাই । কিন্তু আমার সমস্যা হচ্ছে আমার বাবা মা দুনিয়াবী জ্ঞানে অধিক প্রাধান্য দেন । মাদ্রাসায় পড়া আলেমা হওয়ার গুরুত্ব তাদের কাছে গুরুত্বহীন । নিজে স্বাবলম্বী হওয়া, নিজে আয় করা ,  versity থেকে Honour’s Master's degree এটাই তাদের প্রত্যাশা আমার থেকে।  কিন্তু আমার ইচ্ছা নিজের পর্দা মেনে ইসলামী শরিয়ত মেনে নিজেকে সংশোধন করা।

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে দিতে চাচ্ছি কিন্তু আমার পরিবার এটা মেনে নিবেনা,পরিবারে অশান্তি হবে,আমাকে কটু কথা শুনতে হবে,কোনো দ্বীনদার ছেলে দেখে বিয়ে দিবে সেটাও না যেহেতু দ্বীনের বুঝ কম।

এই অবস্থায় আমি কী করতে পারি?পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান।

1 Answer

0 votes
by (633,180 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
জেনারেল শিক্ষা অর্জন সম্পর্কে আমরা ইতি পূর্বে বলেছিলাম যে, 
বলা যায় মুসলিম দেশের মুসলিম সরকারের জন্য ওয়াজিব যে,অচিরেই পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।
প্রয়োজনে এ জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করা সমস্ত মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য।
কিন্তু যতদিন পর্যন্ত এই পৃথক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু না হচ্ছে ,ততদিন প্রয়োজনের তাগিদে নিম্নোক্ত শর্তাদির সাথে কলেজ-ভার্সিটিতে শিক্ষা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া যেতে পারে।

১/শিক্ষা অর্জন দেশ ও মুসলিম জাতীর খেদমতের উদ্দেশ্যে হতে হবে।
২/চোখকে সব সময় নিচু করে রাখতে হবে,প্রয়োজন ব্যতীত কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকার দিকে তাকানো যাবে না।মহিলা/পুরুষ তথা অন্য লিঙ্গের  সহশিক্ষার্থীদের সাথে তো কোনো প্রকার সম্পর্ক রাখা যাবেই না।সর্বদা অন্য লিঙ্গর শিক্ষার্থী থেকে নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখতে হবে।(ফাতাওয়া উসমানী ১/১৬০-১৭১)(শেষ)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/434


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার জন্য যদি পর্দাপুশিদা রক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া সম্ভব হয়, তাহলে অবশ্যই আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন। কেননা এই মুহুর্তে মাদরাসা লাইনে গিয়ে ভালভাবে পড়াশোনা করাটা কষ্টকর হবে।  হ্যা, পার্টটাইম আপনি মাদরাসাতে পড়বেন। এবং ফরযিয়্যাতকে অবশ্যই অবশ্যই শিখবেন। যদি নিজ ঈমান আমলকে রক্ষা করা মুশকিল হয়, তাহলে আপনি এমন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্টানের খোজ নিবেন, যেখানে পর্দাপুশিদা রক্ষা করে পড়াশোনা করা যায়। যদি এমন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোজ না পান, তাহলে আপনি পড়াশোনাকে পরিহার করবেন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...