আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
23 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ, শায়েখ।

আমার কিছু মাসায়ালা জানার ছিলো।
১.রোজা রাখা অবস্থায় স্বামি যদি স্ত্রীকে চুমু দেয়,আলিংগন করে/ঘুমায়,কোলে তুলে কথা বলে এতে যদি স্ত্রর স্রাব/কামরাস আসে তাহলে কি স্ত্রীর রোজা ভেঙে যাবে?কাযা/কাফফারা দিতে হবে?

২.স্বামি দূরে অবস্থানকালে রোজা রেখে মোবাইলে কথা বলার সময় স্ত্রীর স্রাব/কামরস আসলে স্ত্রীর রোজা কি ভেঙে যাবে? কাযা/কাফফারা দিতে হবে?

৩.পিরিয়ড যখন প্রথম হয় তখন পিরিয়ড, ইস্তিয়াজা সম্পর্কে জানা ছিলো না। ইস্তিয়াজাকেও পিরিয়ড ভাবতাম।১৫দিনও ভালো থাকতাম না।মাসে ২-৩বার হতো। রমজান মাসে এমন হলেও আমি পিরিয়ড ভেবে রোজা রাখিনি।এইভাবে অনেকগুলাই রাখা হয়নি,এইগুলার হিসাবও জানা নাই।এখন করণীয় কি?

৪.যথাসম্ভব পর্দা করে বের হওয়ার চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে মনের মধ্যে এমন চিন্তা আসে যে,*মানুষ /ছেলেটা আমাকে দেখুক আমি কতো ভালো করে পর্দা করেছি*

পরক্ষণেই আমি নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করি, ভাবি যে পর্দাতো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আস্তাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকি।

এমন চিন্তার জন্য কি আমার পর্দা নষ্ট হয়ে যাবে?আমি গুনাহগার হবো?


যাজাকাল্লাহু খইরন।

1 Answer

0 votes
by (633,330 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) রোজা রাখা অবস্থায় স্বামী যদি স্ত্রীকে চুমু দেয়,আলিংগন করে/ঘুমায়,কোলে তুলে কথা বলে, এতে যদি স্ত্রীর স্রাব/কামরস বের হয়, তাহলে স্ত্রীর রোজা ভঙ হবে না। তবে বীর্য বের হলে রোযা ভঙ্গ হবে।তখন শুধুমাত্র কাযা আসবে কাফফারা আসবে না।

কামরস ও বীর্যর পার্থক্য সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1689

(২) স্বামী দূরে অবস্থানকালে রোজা রেখে মোবাইলে কথা বলার সময় স্ত্রীর স্রাব/কামরস বের হলে, স্ত্রীর রোজা ভঙ্গ হবে না। 

(৩)  প্রশ্নের বিবরণমতে এখন অনুমান করে সেই সবগুলো রোযাকে কাযা করতে হবে, হায়েয মনে করে যেই রোযাগুলো রাখা হয়নি।

(৪) যেহেতু সাথে সাথেই আপনি নিজেকে শুধরে নেন, তাই এই চিন্তার জন্য আপনার পর্দা নষ্ট হবে না। এবং আপনিও গুনাহগার হবেন না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...