ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আয়েশা উম্মুল মু’মিনীন (রাঃ) বলেনঃ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَنَّهَا قَالَتْ جَاءَ عَمِّي مِنْ الرَّضَاعَةِ يَسْتَأْذِنُ عَلَيَّ فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ عَلَيَّ حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ إِنَّهُ عَمُّكِ فَأْذَنِي لَهُ قَالَتْ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ فَقَالَ إِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ قَالَتْ عَائِشَةُ وَذَلِكَ بَعْدَ مَا ضُرِبَ عَلَيْنَا الْحِجَابُ وَقَالَتْ عَائِشَةُ يَحْرُمُ مِنْ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنْ الْوِلَادَةِ
পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পর আমার দুধ চাচা আবুল কু’আয়সের ভাই আফলাহ (রাঃ) আমার নিকট প্রবেশের অনুমতি চাহিলেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা না করা পর্যন্ত তাহাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করিলাম। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনিলেন এবং আমি এই বিষয়টি তাহাকে অভিহিত করিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে আমার নিকট আসার অনুমতি দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন।
আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে স্ত্রীলোক দুধ পান করাইয়াছে, পুরুষ আমাকে পান করায় নাই। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তিনি তোমার চাচা, তোমার নিকট সে প্রবেশ করিতে পারিবে আয়েশা (রাঃ) বলেন, এই ঘটনা পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পরে সংঘটিত হইয়াছে।[1] আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ জন্মের (সম্পর্কের) দ্বারা যাহা হারাম হয় দুধ পানের (সম্পর্কের) দ্বারাও উহা হারাম হইবে।(মুয়াত্তা ইমাম মালিক-১২৬৯)
দুধ পানের মুদ্দত বা সময়সীমা সাধারণত দুই বৎসর।দুই বৎসর পর সন্তানকে দুধ পান করানো যাবে না।হ্যা, বিশেষ জরুরতে সর্বোচ্ছ আড়াই বৎসর পর্যন্ত দুধ পান করানো যাবে। আড়াই বৎসর পর যদি কোনো শিশু কোনো মহিলার দুধ পান করে,তাহলে এদ্বারা দুধ সম্পর্ক প্রমাণিত হবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1490
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) এখন যদি আপনি আপনার জা এর ছোট ছেলেটার দুধ মা হন, তাহলে উনার বড় ছেলেটা আপনার দুধ ছেলে হিসেবে গণ্য হবে না।
(২) এক্ষেত্রে উনার বড় বাচ্চাটা যখন বালেগ হবে তখন ওর সাথে আপনাকে সম্পূর্ণ পর্দা করতে হবে।
(৩) শুধু আপনি যদি দুধ খাওয়ান, তাহলে আপনার ছেলেদের সাথে আপনার জা এর দুধ মায়ের সম্পর্ক হবে না। পর্দার বিধানে শিথিলতা হবে না।
(৪) দুধ মা হওয়ার জন্য কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ দুধ খাওয়ানো শর্ত নয়। তবে দুধ খাওয়ানোর নির্দিষ্ট সময় সীমা রয়েছে। একবার অল্প পরিমাণ দুধ খাওয়ালেও দুধ মায়ের সম্পর্ক তৈরি হবে।
বিঃদ্রঃ
পরিকল্পিত ভাবে দুধ সম্পর্ক তৈরী কখনো জায়েয হবে না।