আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
110 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (63 points)

১/ আসসালামু আলাইকুম আপু,বউ ও শাশুড়ির সম্পর্কে  একটা মেসেজ দিন,আমার এক পরিচিত আত্নীয় আছে যিনি শাশুড়ীর খেদমত করেন না, উনি সবসময় নামাজ পড়েন তালিমে যান,উনি বলেন শাশুড়ীর খেদমত করা ফরজ না,অসুস্থ শাশুড়ী নিজের নাস্তা নিজে বানায় খান
Jannatul 5

২/ আসসালামু আলাইকুম,

আমি মাঝে মাঝে তিন কুল পড়তে গেলে সূরা গুলা তিনবারের থেকে বেশি পড়ে ফেলি ভুলে,তারপর ফু দিয়ে গায়ে দম দিয়ে দেই,আমারটা কি কার্যকর হবে?
Sabikun 4

৩/ যাকাতের মাসায়েল জানার ছিল

সাড়ে ৭ ভোরির কম স্বর্ণ আছে, টাকা আছে ১০,০০০
তাও জুয়েলার্সে পেনডিং ৬০০০০+৩৯০০০+১০০০০ টাকা
আর এই স্বর্ণে একবছর হয়নি
মহরের টাকা বাকি আছে ৭০০০০
আমার যাকাত কি ফরজ?
টাযিন

৪/
আসসালামু আলাইকুম,
আমি একজন ব্যবসায়ী। আমার দোকান রাস্তার মেইনরোডে হওয়ায়, বিভিন্ন ভ্যান প্রতিদিন দোকানের সামনে বসে। আশেপাশের প্রায় সব দোকানদার তাদের থেকে দিন প্রতি ১০০/১৫০/২০০/২৫০ টাকা নেন। আমি কোনো টাকা নেই না এবং কাউকে বসতেও দিই না। কিন্তু প্রতিদিনই ভ্যানদের সাথে চিল্লাচিল্লি করতে হয় না বসার জন্য। প্রথমে বুঝিয়ে বলার পরও তারা না মানলে বাধ্য হয়ে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে হয়। তুই তাই করে বললে তার পর চলে যায়।

** যারা বসতেছে তারা তো রাস্তার হক নষ্ট করতেছে। ভ্যান বসানোর কারণে রাস্তা ছোট হয়ে যাওয়াতে প্রায় সময় ছোট ছোট দূর্ঘটনা হয়।

প্রশ্ন হচ্ছে,
১। যারা নিজেদের দোকানের সামনে ভ্যান বসিয়ে প্রতিদিন ১০০/১৫০/২০০/২৫০ টাকা নেন, এই টাকা নেয়া কি হালাল? রাস্তার হক যে নষ্ট হচ্ছে!

২। ভ্যানওয়ালাদের সাথে বাধ্য হয়ে খারাপ ব্যবহার করতে হয়। এতে কি আমি তাদের হক নষ্ট করতেছি? অথবা আমার কোন ক্ষতি হচ্ছে?

৩। এ থেকে বাঁচতে করণীয় কী?

৫/একজন মানুষ ছোট থেকে বড় হওয়ার পর বয়সের সাথে সাথে সে যদি বিপরীত লিংগের পাশাপাশি সমলিংগের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে
(সাইন্টিফক্যলি প্রুভেন জন্মের সময় জিনগত ত্রুটির কারনে মানুষ সমকামী অথবা উওভয় কামী হয়ে থাকে)
আর তার জন্য মনে মনে নিজ লিংগের কাওকে ভালোবেসে থাকে তাহলে কি তাতে গুনাহ হবে??
ধরুন কোনো বিবাহিত পুরুষ যে উভয়কামী সে বিবাহিত ,,সে তার বউ কে ভালোবাসে কিন্তু জন্মগত ভাবে সে নিজ লিংগের প্রতি ও আকৃআকৃষ্ট ,,
এখনে ত তার কোনো দোষ নেই,,
এখন সে যদি বউ কে ভালবাসার পাশাপাশি নিজ লিংগের কাওকে মনে মনে ভালোবাসে এতে কি গুনাহের কিছু হবে?
বিষয় টা হলো এমন সে ত জন্মগত ভাবেই বড় হওয়ার সাথে সাথে নিজ বিপরিত লিংগ সহ সমলিংজ্ঞের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে,,
এখন সে বিবাহিত ,,বউ কে ও অনেক ভালোবাসে,,
তবে অনেক চেষ্টা করে আর আল্লাহর কাছে দোয়া করে ও সমলিংগের প্রতি আকর্ষণ কমাতে পারছে না,,,
কিন্তু শারীরিক ভাবে সে কোনো সমকামীতা সম্পর্কে জড়াচ্ছে না,,
কিন্তু যেহেতু সে আকর্ষণ কমাতে পারছে না তাই মনে মনে অনেক অনুতপ্ত হয়,,,কিন্তু আকর্ষণ কমে না,,
সে একজন কে এই আকর্ষণ এর কারনে ভালোবাসার চোখে দেখে কিন্তু সেই লোক জানে না বা জিনি এমন তিনি জানাতে ও চান না,,শুধু আকর্ষণ বোধ করেন আর মনে মনে ভালোবাসেন এই ধরনের,,
এতে কি তার গুনাহ হবে?

lameeya
৬/আমি পিতার সম্পদ বন্টন সম্পর্কে কিছু বলছি,,,
আমাদের বাবার সম্পদ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ রহমতে অনেক আছে,, বেশির ভাগ জমিই বাজারের মধ্যে, যেখানের জমির দোকানের অনেক বেশি দাম,,,আবার কিছু জমি আছে একটু গ্রামের ভিতরের দিকে যা বাজারে জমি থেকে কম দাম।
আমার ভাই ২ জন এবং আমরা ৩ বোন।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,  আমার ভাইয়েরা যদি সম্পদ বন্টনের সময় বাজারের জমির অনেক মূল্য দেখে বাজারের জমি থেকে সম্পদ না দিতে চায়,,
যদি বলে তোমাদের গ্রাম থেকে জমি দিবো, (কারণ গ্রামের জমি বাজারের জমি থেকে তুলনামূলক দামে কম) তাহলে কী আমাদের হক থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হলো না?

আমরা চাই যে বাজারের জমি থেকেও আমাদের সম্পদ দেয়া হোক।, বাজারের সম্পদের মূল্য বেশি এজন্য তারা এখানের সম্পদ আমাদের দিতে চায় না,,,,

Janmatul ray

৭/কোন মেয়ে যদি বিয়ে না করে জান্নাতি হয় তাহলে সে জান্নাতে কি হিসেবে থাকবে??? খাদেম হিসেবে নাকি হুর হিসেবে??? আর জান্নাতে গেলে কি ওখানে তার বিবাহ হবে???আর কারা জান্নাতে খাদেম হিসেবে থাকবে???

Umme Habiba এফা

৮/ jodi kichu khete chay ar amr sorir valona lagle ki rana na korle ki gunnah hbe
Meherun nesa 3

৯/ শ্বেত রোগ যাদের তারা পার্লারে হিয়ে একটা মেশিনের মাধ্যমে ওগুলা কিভাবে যেনো কি করতেছে আর সাদা গুলা স্কিন কালার হয়ে যাচ্ছে এটা কি জায়েজ?
Mormita

by (63 points)
আমার প্রশ্নের উত্তর গুলো কবে পাবো? অনেক জরুরি

1 Answer

0 votes
by (607,050 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছে-

عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرِو بْنِ الأَحْوَصِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ، شَهِدَ حَجَّةَ الْوَدَاعِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَذَكَّرَ وَوَعَظَ فَذَكَرَ فِي الْحَدِيثِ قِصَّةً فَقَالَ " أَلاَ وَاسْتَوْصُوا بِالنِّسَاءِ خَيْرًا… أَلاَ وَحَقُّهُنَّ عَلَيْكُمْ أَنْ تُحْسِنُوا إِلَيْهِنَّ فِي كِسْوَتِهِنَّ وَطَعَامِهِنَّ " .
 
সুলাইমান ইবনু আমর ইবনুল আহওয়াস (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্ণিতঃ
বিদায় হজ্জের সময় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। তিনি আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং ওয়াজ-নাসীহাত করলেন। এ হাদীসের মধ্যে বর্ণনাকারী একটি ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্ত্রীদের সাথে ভালো আচরণের উপদেশ নাও। ... জেনে রাখ! তোমাদের প্রতি তাদের অধিকার এই যে, তোমরা তাদের উত্তম পোশাক-পরিচ্ছদ ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করবে। (সুনানে তিরমিযী ১১৬৩)
 
 ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে রয়েছে-
تجب السكني لها عليه في بيت خال
মর্থার্থ: স্ত্রীর জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা স্বামীর উপর আবশ্যক। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/৬০৪)

ইসলামের দিক-নিদের্শনা হচ্ছে বিবাহের পরে স্বামীর প্রথম কতর্ব্য হলো স্ত্রীর জন্য এমন একটি বাসস্থানের ব্যবস্থা করা যেখানে স্ত্রী মানুষের দৃষ্টি থেকে নিরাপদ থাকবে। কেননা পর্দা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান। আর এই বিধান পালন করার জন্য স্বামীর কতর্ব্য স্ত্রীকে সাহায্য করা। সেই সাথে অন্যান্য সকল কষ্ট থেকে স্ত্রীর আরামের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে স্ত্রীকে শ্বশুর ও শাশুড়ির সাথেই থাকতে হবে এমন বাধ্যও করা যাবে না। কেননা এমন কোন অধিকার স্বামীর নেই। তবে এই ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী উভয়কে সামাজিক অবস্থার উপর বিবেচনা করেও কিছু কাজ করতে হবে।

যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে স্বামীর পরিবারের সাথে অথবা অন্য আত্মীয়ের সাথে থাকার কথা বলে কিন্তু স্ত্রী কারো সাথে থাকার কথা রাজি না হয় তাহলে স্ত্রীকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা স্বামীর কতর্ব্য। কেননা স্ত্রীর সকল কিছু রক্ষা করা ও নিরাপদে বসবাস করার দায়িত্ব স্বামীর।


সুতরাং স্ত্রীর উপর স্বামীর খেদমত আবশ্যক,  
শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা স্ত্রীর জন্য একটি অতিরিক্ত কাজ। এটা তার দায়িত্ব নয়,আবশ্যক নয়, । কিন্তু বর্তমান সমাজে মনে করা হয়, এটা তার অপরিহার্য দায়িত্ব বরং এটিই যেন তার প্রধান দায়িত্ব। 
আমাদের সমাজের আবহমান কালের চলমান রীতি হলো, যৌথ পরিবারগুলোতে পুত্রবধূরা শ্বশুর-শাশুড়ির সেবাযত্ন করে থাকেন। এটাকে পারিবারিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে।
ছেলের জন্য বউ আনাই হয় শ্বশুর-শাশুড়ির সেবার জন্য। এ সবই পরিমিতিবোধের চরম লঙ্ঘন। মা-বাবার সেবা করা সন্তানের দায়িত্ব, পুত্রবধূর নয়। (আল-বাহরুর রায়েক ৪/১৯৩, কিফায়াতুল মুফতি ৫/২৩০)

যদি স্বামীর মা-বাবার খেদমতের প্রয়োজন হয়, তাহলে স্বামীর কর্তব্য হলো তাঁদের সেবা-যত্ন করা। তবে কোনো স্ত্রী যদি সন্তুষ্টচিত্তে স্বামীর মা-বাবার সেবা করেন, এটা তাঁর পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। এর বিনিময়ে তিনি অনেক সওয়াব পাবেন। তবে এসব করতে আইনত তিনি বাধ্য নন। যদিও কাম্য এটাই যে স্বামীর মা-বাবাকে নিজের মা-বাবার মতো সম্মান ও সমীহের চোখে দেখবেন। তাঁদের মনেপ্রাণে ভালোবাসবেন এবং তাঁদের সেবা করতে পারাকে নিজের জন্য পরম সৌভাগ্য মনে করবেন। অনুরূপ শ্বশুর-শাশুড়িও পুত্রবধূকে নিজের মেয়ের মতো আদর ও খাতির করবেন। তার সুখ-সুবিধার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখবেন।
,
আরো জানুনঃ 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে স্বামীর উপর তার মায়ের খেদমত আবশ্যক।  স্ত্রী যেহেতু শাশুড়ি খেদমত করছে না সুতরাং এক্ষেত্রে স্বামী তার মায়ের জন্য সেবিকা (খাদেমাহ) অথবা অন্য কোন আত্মীয়কে দায়িত্ব দিতে পারেন।

(০২)
আপনারটা কার্যকর হবে।

(০৩)
প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনাকে টাকার পাশাপাশি স্বর্ণের ওপর ও যাকাত দিতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনি উক্ত স্বর্ণের বর্তমান বাজার মুল্য ধরে আপনার মালিকানায় থাকা টাকার সাথে যোগ করবেন।
এরপর পুরোটার শতকরা আড়াই পার্সেন্ট যাকাত হিসেবে প্রদান করবেন।

(০৪)

ক, যারা নিজেদের দোকানের সামনে ভ্যান বসিয়ে প্রতিদিন ১০০/১৫০/২০০/২৫০ টাকা নেন, এই টাকা নেয়া হালাল নয়।

খ, ভ্যানওয়ালাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা ঠিক হচ্ছেনা।

গ, আপনি চাইলে আইনের সহায়তা নিতে পারেন।

(০৫)
সে যদি বউ কে ভালবাসার পাশাপাশি নিজ লিংগের কাওকে মনে মনে ভালোবাসে, এতে তার গুনাহ হবে।

(০৬)

এক্ষেত্রে আপনাদের হক থেকে আপনাদের বঞ্চিত করা হবে।

মূলত শরীয়তের বিধান অনুসারে বাজারের জমিতেও যেমন আপনাদের অংশ আছে গ্রামের জমিতে ও আপনাদের অংশ আছে।

 এক্ষেত্রে তারা পুরুষ তাই বলে তারাই শুধু বাজারের জমি পাবে আপনারা পাবেন না শরীয়ত এটা কোনভাবেই সমর্থন করে না।

বরং আপনাদের যতটুকু ন্যয্য পাওনা বাজারের জমিতেও পাবেন পাশাপাশি গ্রামের জমি তো পাবেন এবং তাদের যতটুকু ন্যায্য পাওনা তারাও বাজারের জমিতেও পাবে পাশাপাশি গ্রামের জমিতেও পাবে।

 হ্যাঁ যদি আপনারা নিজেরাই সন্তুষ্টি চিত্তে  বাজারের জমি নিতে না চান বরং তার পরিবর্তে গ্রামের জমি বেশি করে নিতে চান সেক্ষেত্রে এই অধিকার শরিয়ত আপনাদেরকে দিয়েছে।

 তবে এক্ষেত্রে কেউ আপনাদের বাধ্য করতে পারবে না।

এটি একান্তই আপনাদের ব্যক্তিগত অধিকার।

(০৭)
ولو ماتت قبل ان تتزوج تخير ايضا ان رضيت بآدمى زوجت منه، وان لم ترض فالله يخلق ذكرا من الحور العين فيزوجها منه الخ- (مجموعة الفتاوى-3/15

কেহ যদি বিবাহের আগেই মারা যায়,(যে মহিলার বিয়ে হয়নি,) তাহলে তার জন্য অনুমতি আছে, সে ইচ্ছে করলে জান্নাতী কোন অবিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে। আর না চাইলে পুরুষ হুর আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে তার সাথে বিয়ে করিয়ে দিবেন।

★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত অবিবাহিতা মহিলা জান্নাতে গেলে তাকেও এমন ইচ্ছা দেয়া হবে।

সে ইচ্ছে করলে জান্নাতী কোন অবিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে। আর না চাইলে পুরুষ হুর আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে তার সাথে বিয়ে করিয়ে দিবেন।

(০৮)
প্রশ্নের বিবরন মতে গুনাহ হবেনা।

(০৯)
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে এতে শরীরের ক্ষতি না হলে এটি জায়েজ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...