আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
29 views
in পবিত্রতা (Purity) by (42 points)
আসসালামুয়ালাইকুম হুজুর
খুব দ্রুত উত্তর দিবেন প্লিজ!
মাসিক যদি সেহেরীর আগে শেষ হয় আর আমি যদি সেহেরি করে রোজা রাখি আর দুপুরে ফরজ গোসল করি তাহলে কি আমি পবিত্র হবো? আর নামাজ রোজা কি হবে? ফজরের নামাজ কাযা হয়ে যাবে যদিও... তবে দিনে এভাবে মাসিক শেষে রোজা অবস্থায় ফরজ গোসল করলে কি গোসল হবে? এক্ষেত্রে কি গড়গড়া সহ কুলি আর নাকের গভীরে পানি প্রবেশ করাতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (607,050 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

কোনো ব্যাক্তির উপর যদি গোসল ফরজ হয়,আর সে গোসল সেহরী খায়,তাহলে রোজার কোন সমস্যা হবে না।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় সেহরি (সাহুর) গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে এবং এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, তার আগে তিনি ওজু করে নিতেন।
এ অবস্থায় সেহরি খেলে ফজর সালাতের পূর্বে অবশ্যই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নিতে হবে।
যেমন: হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,

 উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ

“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]

রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]

বিস্তারিত জানুনঃ  
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নের বিবরন মতে আপনি যদি দুপুরে ফরজ গোসল করেন,সেক্ষেত্রে আপনার ফরজ গোসল আদায় হয়ে যাবে।
আপনার রোযা নামাজ সবই হবে।

এমতাবস্থায় ফরজ গোসল এর সময় গড়গড়িয়ে কুলি করা যাবেনা।
স্বাভাবিক ভাবে কুলি করবেন।
নাকের গভীরে পানি প্রবেশ করাতে হবেনা।
হাতের আঙ্গুল ভিজিয়ে নিয়ে তাহা নাকের ছিদ্রে প্রবেশ করিয়ে নাক পরিস্কার করবেন। 

আরো জানুনঃ- 

তবে এভাবে ইচ্ছাকৃতভাবে ফজরের নামাজ কাজা করা কোনোভাবেই জায়েজ হবেনা।
এর জন্য মহান আল্লাহর কাছে শক্ত ভাবে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে।

তাই ফজর নামাজের আগেই ফরজ গোসল করার পরামর্শ থাকবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...