বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ
https://ifatwa.info/9646/ নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
মহর উভয় মিলেই নির্ধারণ করবে। পাত্রপক্ষ এবং পাত্রীপক্ষ উভয়
পক্ষ মিলে সমঝোতার ভিত্তিতে মহর নির্ধারণ করবে।
,
মহর দাতা মূলত পাত্র এবং গ্রহিতা মূলত পাত্রী। এই দুজনের
অনুমতিক্রমে উভয়ের পরিবারের লোকজন মহর নির্ধারণ করবে। ক্রয়-বিক্রয়ের মত যেকোনো
একপক্ষ প্রথমে মহরের প্রস্তাব দিবে এবং অন্যপক্ষ মহরের প্রস্তাবকে গ্রহণ করে নিবে।
যদি পাত্রীপক্ষ বেশী মহরের দাবী করে, তাহলে পাত্রপক্ষ চাইলে তাদের দাবীকে মানতে পারে, আবার চাইলে মহরকে কম করারও প্রস্তাব দিতে পারে এবং সম্ভব না হলে, সেখানে রিশতা না জুড়তে পারে। সেটা পাত্র পক্ষের সম্পূর্ণ
নিজস্ব অধীকার। মহরের আলোচনা উঠার পর যে বিয়ে করতেই হবে, বিষয়টা আসলে এমন নয়, বরং তাদের ভাঙ্গা গড়ার অধীকার থাকবে।
মহর যতটুকু পরিশোধ করা যায়, ততটুকু হওয়াই কাম্য ও উচিৎ।
,
https://ifatwa.info/54326/
নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
মহর দুই প্রকার যথা,
(১) مهرمعجل মহরে মু'আজ্জল তথা এমন মহর যা
তারাতারি পরিশোধ করা হবে। এমন মহর পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত স্ত্রী চাইলে নিজেকে স্বামী
থেকে দূরে রাখতে পারবে।
(২) مهر مؤجل মহরে মু'য়াজ্জল, তথা এমন মহর যা পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে। এমন মহরের বেলায় স্ত্রী
নিজেকে স্বামী থেকে দূরে রাখতে পারবে না।
فِي كُلِّ مَوْضِعٍ دَخَلَ بِهَا أَوْ صَحَّتْ الْخَلْوَةُ وَتَأَكَّدَ كُلُّ الْمَهْرِ لَوْ أَرَادَتْ أَنْ تَمْنَعَ نَفْسَهَا لِاسْتِيفَاءِ الْمُعَجَّلِ لَهَا ذَلِكَ عِنْدَهُ خِلَافًا لَهُمَا-
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩১৭)
وَإِذَا كَانَ الْمَهْرُ مُؤَجَّلًا أَجَلًا مَعْلُومًا فَحَلَّ الْأَجَلُ لَيْسَ لَهَا أَنْ تَمْنَعَ نَفْسَهَا لِتَسْتَوْفِي الْمَهْرَ عَلَى أَصْلِ أَبِي حَنِيفَةَ وَمُحَمَّدٍ - رَحِمَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى -، كَذَا فِي الْبَدَائِعِ
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩১৮)
,
★ সু-প্রিয়
প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
,
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যদি
স্ত্রী বাস্তবেই একেবারে মন থেকে মহর মাফ করে দিয়ে থাকে তাহলে এটা আবার চাওয়া ঠিক
হবে না। তবে এখন যেহেতু স্বামীর টাকা হয়েছে। তাই তিনি চাইলে তা স্ত্রীকে দিয়ে দিতে
পারেন। এটা একান্ত স্বামীর ইচ্ছা।