ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দত বাকী থাকাবস্থায় বৈবাহিক সম্পর্ক কিছুটা অবশিষ্ট থাকে, এই জন্য স্ত্রী তার স্বামীকে গোসল এবং কাফন দিতে পারবে। তবে স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বামীর আজনবী তথা অপরিচিত ব্যক্তির মত হয়ে যায়।
لما في الفتاوي الشامية
والنکاح بعد الموت باقٍ إلی أن تنقضي العدة بخلاف ما إذا ماتت فلا یغسلہا؛ لانتہاء ملک النکاح لعدم المحل فصار أجنبیًا (3/91 باب صلاة الجنازة، مطبوعہ زکریا دیوبند)
স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী তার স্বামীকে দেখতে পারবে, গোসল এবং কাফন দিতে পারবে।শরীয়ত তাকে এই অনুমোদন দিচ্ছে। তবে স্ত্রী মারা গেলে স্বামী শুধুমাত্র তার মুখ দেখতে পারবে।স্পর্শ করা বা গোসল দেওয়া কিংবা কাফন পরিধান করানো কোনোটাই স্বামী পারবে না।
لما في الفتاوي الشامية
ویمنع زوجھا من غسلھا ومسھا لا من النظر إلیھا علی الأصح وھي لا تمنع من ذلک أي من تغسیل زوجھا دخل بھا أو لا․ ولو ذمیةً بشرط بقاء الزوجیة ( 3/91 مطبوعہ زکریا دیوبند)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) মৃত্যুর পর ছেলের বউ শ্বাশুরের মুখ দেখতে পারবে।গোসল বা কাফন পরিধান করাতে পারবে,যদি ফিতনার আশংকা না থাকে।এছাড়া শ্বশুর ছেলের বউকে দেখতে পারবে। তবে হাত দ্বারা স্পর্শ না করাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।
(২) মৃত্যুর পর মেয়ের জামাই শ্বাশুড়ির চেহেরা দেখতে না।এবং স্পর্শও করতে পারবে না। কেননা স্ত্রীর মৃত্যুর দ্বারা বৈবাহিক সকল প্রকার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।