0 votes
11 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (12 points)
আসসালামু আলাইকুম, কেউ যদি তার কাফির বাবামার সাথে থাকে, তাহলে তার জন্য কি তাদের কাছ থেকে খরচ ,জামা কাপড় ইত্যাদি চাওয়া যাবে?

কেউ যদি নামাজ না পড়ে, তাকে কি কাফির বলা যাবে?

1 Answer

0 votes
by (59,080 points)
জবাব
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

শরীয়তের বিধান হলো  মা-বাবা যদি অমুসলিমও হয়, তবু তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। তাদের আদর-আপ্যায়ন করতে হবে। আসমা (রা.) রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেন, আমার জননী মুশরিকা। তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তাকে আদর-আপ্যায়ন করা জায়েজ হবে কি? তিনি বলেন, ‘তোমার জননীকে আদর-আপ্যায়ন করো।’ (মুসলিম, হাদিস : ১০০৩)
,
তাদের বৈধ বিধান তরক করলে গোনাহ হবে।

তবে শরীয়ত বহির্ভূত কোনো আদেশ করলে পিতা মাতা সহ কারো আদেশকে মান্য করা যাবে না।কেননা হাদীসে বর্ণিত রয়েছে।

ﻟَﺎ ﻃَﺎﻋَﺔَ ﻟِﻤَﺨْﻠُﻮﻕٍ ﻓِﻲ ﻣَﻌْﺼِﻴَﺔِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ

আল্লাহর অবাধ্যতায় কোনো মাখলুকের অনুসরণ করা যাবে না।(মুসনাদে আহমদ-১০৯৮)
,
★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে কাফির বাবা মার সাথে  শরীয়তের বিধান মেনে থাকা, তাদের কাছ থেকে খরচ ,জামা কাপড় ইত্যাদি চাওয়া যাবে।
এতে কোনো সমস্যা নেই।
তবে সে যদি পুরুষ হয়,  প্রাপ্তবয়স্ক হয়, উপার্জনের সামর্থ রাখে,তাহলে তার জন্য  তার বাবা মা থেকে ভরনপোষণ চাওয়া ঠিক নয়।
,
 যদি মহিলা হয়,তাহলে বিবাহের আগ পর্যন্ত তার বাবা মা থেকে ভরনপোষণ চাওয়া যাবে।  

,
★নামাজ তরক কারীকে কাফের বলা যাবেনা। 
★নামাজ ছেড়ে দেওয়া মারাত্মক গুনাহ। হাদিস শরিফে নামাজ বর্জনকারীর প্রতি কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। 

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘বান্দা ও কুফরির মধ্যে পার্থক্য হলো নামাজ বর্জন করা।’ (তিরমিজি, মিশকাত, পৃষ্ঠা ৩৩২) 
.
তিনি আরো বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করে না, দ্বিন ইসলামে তার কোনো অংশ নেই।’ (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মিশকাত, পৃষ্ঠা ৪৫২) 
,
ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম মুজানির (রহ.)-এর মতে, কোনো ব্যক্তি অলসতাবশত ইচ্ছাকৃত নামাজ ছেড়ে দিলে তাকে আটক করা হবে। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) ও কোনো কোনো শাফেয়ি আইনবিদের মতে, নামাজ বর্জনকারীকে হত্যা করা হবে। 
,
★নামাজ তরক কারীকে কাফের বলা যাবেনা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...