0 votes
18 views
in পবিত্রতা (Purity) by (37 points)
আসসালামু আলাইকুম।

মুহতারাম,যদি কারো গোপনাঙ্গে দূর্বলতা থাকে এবং চাপ লাগলে কিছুটা তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, স্বাভাবিকভাবে সিজদা ও রুকু করতে না পারে তাহলে কি তার বসে নামাজ পড়ার সুযোগ আছে?

1)যদি স্বাভাবিকভাবে নামাজ কয়েক রাকাত আদায় করার পর মনে হয় যে উপরোক্ত প্রবলেমটা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং সে যদি বাকি রাকাতসমূহ বসে আদায় করে তাহলে কি নামাজ হবে?

1 Answer

0 votes
by (97,760 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
যখন সারা ওয়াক্ত ব্যাপী উযর দেখা দিবে,তখন আপনি মা'যুর হিসেবে গণ্য হবেন।

কোনো অসুস্থ ব্যক্তি শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত হওয়াজ জন্য শর্ত হলো,
شرط ثبوت العذر ابتداء أن يستوعب استمراره وقت الصلاة كاملا وهو الأظهر كالانقطاع لا يثبت ما لم يستوعب الوقت كله-
শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত হওয়ার জন্য কোনো নামাযের শুরু থেকে শেষ ওয়াক্ত পর্যন্ত উযর স্থায়ী থাকা শর্ত।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৪০)

সুতরাং যদি কোনো একদিন কোনো একটি নামাযের সম্পূর্ণ ওয়াক্ত আপনার এমনভাবে অতিবাহিত হয় যে,বায়ু উযরের কারণে ফরয নামায পড়া আপনার জন্য সম্ভবপর না হয়,তাহলে আপনি মা'যুর। অন্যথায় শরয়ী ভাবে মা'যুর প্রমাণিত হবেন না।

কেউ শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত হলে,তার জন্য প্রতি ওয়াক্তে একটি ওজুই যথেষ্ট।আর শরয়ীভাবে মা'যুর প্রমাণিত না হলে,তখন প্রতি নামাযের জন্য পৃথক পৃথক ওজু করতে হবে।নামাযে যখনই ওজু চলে যাবে,তখন আবার ওজু করে নামাযকে পড়তে হবে।

মা'যুরের বিধান সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- 1746

কিন্তু যদি উযর কখনো কমে আসে,সারা ওয়াক্ত ব্যাপী না থাকে,বরং কমপক্ষে এতটুকু সময় পাওয়া যায় যে,উক্ত ওয়াক্তের ফরয সুন্নত নামায পড়া যায়,তাহলে তখন ঐ ব্যক্তি মা'যুর হিসেবে গণ্য হবে না।সুতরাং তখন হুকম হলো,প্রয়োজন হলেও বারবার ওজু করে নামাযকে সম্পন্ন করবে।

সুতরাং,
যখন আপনার এ রোগ কমে আসবে,তখন আপনি প্রয়োজনে বারংবার অজু করে ঐ নামাযকে সম্পন্ন করবেন।অজুকে ধরে রাখার কৌশল হিসেবে প্রয়োজনে চেয়ারে বসে নামায পড়তে পারেন।

মা'যুর অবস্থায় এক অজু দ্বারা এক ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়া যাবে,এবং অন্যান্য ইবাদত যেমন কুরআন তিলাওয়াত ইত্যাদিও করা যাবে।

যদি কারো পূর্ব থেকেই অজু থাকে,এবং পরবর্তীতে সন্দেহ হয় যে,অজু রয়েছে কি না?তাহলে এমতাবস্থায় অজু রয়েছে বলেই ধরে নেয়া হবে।তবে যদি কারো পূর্ব থেকে না থাকে,এবং পরবর্তীতে সন্দেহ হয় যে,অজু করেছি কি না? তাহলে অজু নেই বলেই ধরে নেয়া হবে।কেননা ফিকহের উসূল হল,ইয়াকিন বিশ্বাস সন্দেহ দ্বারা দূরবিত হয় না।


চলবে


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...