আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
338 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (15 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহু।
১. বিয়ে না করলে কি শরীরের হক নষ্ট করা হবে? বিয়ে না করলে ইসলামিক দৃষ্টিতে কি সমস্যা?

২. যাদের ইস্তেহাজার(বেশিরভাগ সময়ে সাদা স্রাব)সমস্যা আছে,তাদের ক্ষেত্রে কি তাহাজ্জুদের সালাতের ওজু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করা যাবে? নাকি আলাদা করে আবার ওজু করতে হবে? সাদা স্রাব বেশিরভাগ সময়েই যদি থাকে,কিন্তু কোনো এক সালাতের ওয়াক্তে যদি সেটা না দেখা যায়,তাহলে কি পরবর্তী সালাত ওই ওজু দিয়েই আদায় করা যাবে? কারো যদি কিছুদিন সারাদিনই সবসময়ই সাদা স্রাব থাকে আবার কিছুদিন দিনের কিছু সময় থাকে,কিছু সময় না থাকে,তার ক্ষেত্রে কি বিধান হবে?

৩. ভার্সিটির হলে broadband network connection আছে।কিন্তু খুবই slow এবং বেশিরভাগ সময়ে connect হলেও কাজ করেনা কোনো।তাহলে কোনো student যদি লাইন টেনে নিয়ে  router দিয়ে বা sub connector দিয়ে নিজের রুমে নিয়ে ওই network use করে ,তার জন্য কি এটা জায়েজ হবে? এমনিতেতো শুনেছি আরেকজনের লাইন থেকে লাইন টেনে নেয়া illegal,তাছাড়া এতে নেট ওয়ার্ক slow ও হয়ে যায়,তাই জিজ্ঞেস করা

1 Answer

0 votes
by (633,360 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
বিয়ে করা সুন্নত। যিনা ব্যভিচারের ভয় থাকলে তখন ফরয। বিয়ে করা শরীরের একটি হক।

(২)
লিকুরিয়া রোগ যা মহিলাদের জরায়ুতে হয়।
যার অর্থ হল জরায়ু থেকে সাদাস্রাব নির্গত হওয়া।
সাদাস্রাব নাপাক।যা নির্গত হলে অজু চলে যায়।কাপড়ের যে অংশে লাগবে সেটুকু ধৌত করতে হবে।তা নাজাসতে গলিজা।এক দিরহামের বেশী হলে নামায হবে না।

এই সাদাস্রাব নির্গত হওয়া দুই প্রকার।
ক/
সাদাস্রাব মাঝেমধ্যে নির্গত হয়।অর্থাৎ হঠাৎ জরায়ুতে চলে আসে।
এমতাবস্থায় যদি হঠাৎ নামাযের মধ্যে বা নামাযের পূর্বে নির্গত হয়, তখন কাপড় পাল্টিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করা পূর্বক নতুন করে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে।তারপর পূনরায় নামায পড়তে হবে।

খ/
যদি কোনো এক নামাযের পূর্ণ ওয়াক্ত ধারাবাহিক সাদাস্রাব নির্গত হতে থাকে।যেমন মাগরিবের নামাযের পূর্ণ ওয়াক্ত তথা ১ঘন্টা৩০মিনিট ধারাবাহিক সাদাস্রাব নির্গত হতে থাকে। তাহলে এমতাবস্থায় উনাকে মা'যুর গণ্য করে মা'যুরের হুকুম উনার উপর আরোপ করা হবে।

মা'যুরের হুকুম হল,
মা'যুর ব্যক্তি এক ওয়াক্তের জন্য এক অজু করবেন।
তারপর উক্ত অজু দ্বারা উক্ত ওয়াক্তের ভিতর যতসম্ভব উনি ফরয নফল ইত্যাদি ইবাদত করতে পারবেন।যখন ওয়াক্ত চলে যাবে তখন অজুও শেষ হয়ে যাবে।পূনরায় ভিন্ন ওয়াক্তের জন্য ভিন্ন অজু করতে হবে।(ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়্যা-৫/২২৩/২২৪) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/50

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
সাদাস্রাবের সমস্যায় কেউ মা'যুর হলে তখন তাহাজ্জুদের অজু দ্বারা ফজরের নামায পড়া যাবে না। যদি কারো সাদ্রাস্রাবের সমস্যা কমে আসে, দুই রাকাত নামায পড়ার সমপরিমাণ সময় সাদাস্রাব নির্গত হওয়া থেকে মুক্ত থাকে, তখন আর এক অজু এক নামাযের ওয়াক্তের জন্য যথেষ্ট হবে না।বরং তখন প্রয়োজনে বারংবার অজু করে হলেও নামায পড়তে হবে।

(৩)
কর্তৃপক্ষের নিয়মের উল্টো হলে পারবেন।এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (633,360 points)
সংযোজন ও সংশোধন করা হয়েছে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 176 views
0 votes
1 answer 443 views
...