আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
155 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (12 points)
আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

আমি আগে বন্ধুদের দের সাথে বাহিরে ঘুরতে গেলে বা পার্কে গেলে, কোন রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে খাবার ভালো না লাগলে বন্ধুদের সামনে বলতাম,ডিভোর্স দিলাম,,রেস্টুরেন্টকে উদ্দেশ্য করে। জায়গাটা ভালো না লাগলে সেইম কথাটা বলতাম।। বা কেউ খারাপ হইলেও বন্ধুদের সামনে ওভাবে বলতাম ডিভোর্স দিলাম ঐ লোকটারে। তারপরও মনের মধ্যে সন্দেহ আর ওয়াসওয়াসা আমি কিভাবে কোন ভাবে এই  তালাক এর শব্দ গুলা বলতাম। উদ্দেশ্য ছাড়া কি বিষয়ে বলছিলাম মনের ভিতর হঠাৎ সন্দেহ তৈরি হয়।যতদুর মনে পড়ে পার্কে দুইবার বলছিলাম ওভাবে বন্ধুদের সামনে কোন কিছুকে উদ্দেশ্য করে,সেটা খাবার বা অন্য কিছু বা অন্য কেউ হবে। হাসি ঠাট্টায় নিজের অজান্তে বলেছিলাম। তারপরও কোন কিছুই সঠিক মনে নাই।
আসলে হুজুর, ৫ বা ৬ মাসে আগে আমার হয়তো মনে ছিলো যে আমি অন্য কিছুকে উদ্দেশ্য করে বলছিলাম বন্ধুদের সামনে,,,মাথায় যতদুর ভাবনা থেকে মনে হচ্ছে কোন জায়গা বা বিক্রেতা বা অন্য কাউকে বলছিলাম তালা** দিলাম।  তা না হলে এতদিনে আপনাদের কাছে অনেক আগেই প্রশ্ন করতাম।...

এখন এতদিন পড় মনে নাই ভুলে গেছি তাই আবার ওয়াসওয়াসা তৈরি হইছে।উল্টাপাল্টা চিন্তা তৈরি হচ্ছে।

তারপরও কি উদ্দেশ্য কি বিষয় নিয়ে কাকে কি বলছিলাম সঠিকভাবে নিশ্চিত ভাবে মনে নাই এ নিয়া মনের মধ্যে সন্দেহ আর ওয়াসওয়াসা হয়।।
তবে মনের মধ্যে প্রবল ধারনা হয় যে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কখোনো কিছু বলি নাই।। তারপরও মনের মধ্যে  ওয়াসওয়াসা আর সন্দেহ বেড়েই যাচ্ছে।

এর জন্য কোন সমস্যা হবে হুজুর ???

1 Answer

0 votes
by (725,040 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইমাম নববী রাহ উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
ﻣﻌﻨﺎﻩ ﺃﻥ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺇﻧﻤﺎ ﻳﻮﺳﻮﺱ ﻟﻤﻦ ﺃﻳﺲ ﻣﻦ ﺇﻏﻮﺍﺋﻪ ، ﻓﻴﻨﻜﺪ ﻋﻠﻴﻪ ﺑﺎﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ؛ ﻟﻌﺠﺰﻩ ﻋﻦ ﺇﻏﻮﺍﺋﻪ ، ﻭﺃﻣﺎ ﺍﻟﻜﺎﻓﺮ : ﻓﺈﻧﻪ ﻳﺄﺗﻴﻪ ﻣﻦ ﺣﻴﺚ ﺷﺎﺀ ، ﻭﻻ ﻳﻘﺘﺼﺮ ﻓﻲ ﺣﻘﻪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ، ﺑﻞ ﻳﺘﻼﻋﺐ ﺑﻪ ﻛﻴﻒ ﺃﺭﺍﺩ ، ﻓﻌﻠﻰ ﻫﺬﺍ ﻣﻌﻨﻰ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ : ﺳﺒﺐ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ : ﻣﺤﺾ ﺍﻹﻳﻤﺎﻥ ، ﺃﻭ ﺍﻟﻮﺳﻮﺳﺔ ﻋﻼﻣﺔ ﻣﺤﺾ ﺍﻹﻳﻤﺎﻥ ، ﻭﻫﺬﺍ ﺍﻟﻘﻮﻝ ﺍﺧﺘﻴﺎﺭ ﺍﻟﻘﺎﺿﻲ ﻋﻴﺎﺽ ...
অর্থাৎ শয়তান সে ব্যক্তিকেই প্ররোচনা দেয়,যাকে গোমরাহ করতে সে নিরাশ হয়ে যায়।সে কাউকে গোমরাহ করতে নিরাশ হয়ে গেলে সর্বশেষে সে মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতে চায়।আর কাফিরের নিকট শয়তান যেকোনো থেকে যেহেতু আসতে পারে,তাই কাফিরকে প্ররোচনা দেয়ার কোনো প্রয়োজন তার থাকে না।কেননা সে যেকোনো সময় তার ইচ্ছামত কাফিরকে ব্যবহার করতে পারে।সুতরাং হাদীসের অর্থ হলো এই যে,ঈন্তরে ঈমানের দানা থাকার দরুণই শয়তান ঈমানদারদেরকে প্ররোচনা দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে এটাই কাযী ঈয়ায রাহ এর পছন্দনীয় ব্যাখ্যা।(আল-মিনহাজ্ব-২/১৫৪) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1379

তালাকের ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/835

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নে বর্ণিত বিবরণ দ্বারা তালাক হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...