১,কেনায়া তালাক হতে পারে যদি নিয়ত থাকে এমন বাক্য যদি ফোন মেসেজে লিখি।লিখার সময় নিয়ত আসা-যাওয়া করে তাহলে কি হবে? স্ত্রীর প্রতি রাগ হলে তখন সাধারণ বকাবকি কথাতেও তালাকের নিয়ত এসে যায়,অথবা ওয়াসোয়াসা হয়।
উদাহরণ: আমি মেসেযে লিখছি 'তুমি নিযের বাসায় চলে যাও'। এখানে যখন 'তুমি নিজের বাসায় চলে' এটুক লিখি ততক্ষন সত্যিকার অর্থে তালাকের নিয়ত থাকে।কিন্তু 'যাও' শব্দটি লিখার আগে নিজেকে সাম্লিয়ে নিয়ে নিয়ত সরিয়ে তারপর 'যাও' শব্দ লিখি।এখন যেহেতু 'যাও' শব্দের আগে বাক্যটি অর্থপূর্ণ নয় তাই তালাক হবেনা,আর 'যাও' শব্দ টা লেখার সময় যেহেতু তালাকের নিয়ত থাকেনা সাধারণ রাগের নিয়তে বলি।এতে তালাক হবেনা।ঠিক?
২, কেউ যদি আমাকে বলে ' তুর স্ত্রী দাজ্জালি আচরণ যখন করবে তখন বুঝবি', আমি উত্তরে যদি বলি, 'বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাদ' এখানে বাদ অর্থ 'ওকে আর রাখবনা', সাথে সাথে তালাক হবে এমন নয়।এতে কি তালাক হবে?,
৩,একভাই জানে আমি বিবাহিত না,সে আমাকে জিজ্ঞেস করে ২ বছর পর পর যখন অমুক নারীকেবিয়ে করবে(যেহেতু সে জানেনা আমি বিয়ে করেছি,কিন্তু অমুক মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এটা জানে,আসলে আমি ইতোমধ্যে অমুক নারীকেই বিয়ে করেছি) তখন তার ঠেলা বুঝবে। আমি উত্তরে বলি, 'বেশি বাড়াবাড়ি করলে তালাক'। এখানে আমার বর্তমান স্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেছি কিনা আমি নিশ্চিত নই,আর উনিও যেহেতু জানেন না আমার স্ত্রী আছে কিনা(বা উনি আমার বিয়ের কথা জানেন কি জানেন না এটাও আমি জানিনা,অন্য মাধ্যমে জান্তেও পারেন হয়ত আমার বর্তমান স্ত্রীকেই মিন করে বলতেসে,কিন্তু আমি জানিনা) তাহলে কি তালাক পড়বে শর্তযুক্ত তালাক?
৪, এক হোটেলে কিছু খাবার পানি ছিল,আমি তাদের না বলে সেই পানিতে অযু করেছি।নামাজ হবে কি?
৫, আমি একবার তাড়াহুড়ো করে নামাজ পড়তে গিয়ে সুরা ফাতিহার সাথে পরের সুরা মিলাইনি(এটা অনিচ্ছাক্রিত ছিল),এমনকি সুরা ফাতিহার দোয়াল্লিনের শেষের কিছু অংশ রুকুর মধ্যে বলে বসি।অর্থাৎ,সুরা ফাতিহা পুরাপুরি শেষ হবার আগে রুকুতে যাওয়া শুরু করি,হাটুতে হাত দেয়ার কিছু মুহুর্ত পর সুরা ফাতিহা পুরাপুরি শেষ হয়।এরপর তাকবীর সে অবস্থাতে বলেই তাসবীহ পড়ি।আর সুরা না মেলানোর দরুন,নামাজ শেষে সাহু সিজদা দিই।নামাজ হবে কি?
৬,নামাজের প্রতি রাকাতের শুরুতে আমি যদি আয়ুযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ বলে তেলাওয়াত শুরু করি নামাজের সমস্যা হবে কি?
৭,নামাজের যেকোনো পজিশানে (১ম রাকাতের দাঁড়ানো ব্যতিরেকে) ইচ্ছাক্রিত ভাবে ছানা র কিছ্য অংশ পড়লে নামাজ নিষ্ট হবে কি? ধরুন, বসা অবস্থায়।অথবা ২য়/৩য় রাকাতের শুরুতে
৮, বৈধ স্বামী স্ত্রী পূর্নাংগ পর্দা সহিত বাইরে বের হলে একে অপরের হাত ধরে হাটা কি গুনাহ? স্বামীর কবজি ধরে হাটা বা তার ভেতর হাত ঢুকাই হাটা
৯,আব্বু বারবার জামাতে যাওয়ার জন্য তাগাদা দিচ্ছিল কিন্তু আমি বাসায় পড়তে চাইসিলাম। আব্বুকে বলি তুমি যাও আস্তেসি।আমি ভাব্লাম বাসায় পড়ি,তখন ভাব্লাম যদি কেউ দেখে আব্বুকে বলে।তখন মসজিদের দিকে যাই,কিন্তু আমি জানতাম জামাত ততক্ষনে শেষ।অন্য একটা মসজিদে যেয়ে একাকি নামাজ পড়ি আর বাসায় বলি মসজিদে গেলাম। এখন আব্বু বকা দিবে দেখে ৩মন টি করা কি শির্ক হয়েছে?
১০, বিভিন্ন দুয়া মাঝে 'ইল্লা' শব্দ আছে,যেমন লা ইলাহা ইল্লা আনতা,। এইরকম দুয়া গুলোতে ইল্লা শব্দে এক আলিফ টান না দিয়ে সিজদায় পড়লে নামাজ নষ্ট হবে কি?
১১,রব্বানা য্বলাম্না আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়াতারহাম্না লানা কু নান্না মিনাল খসিরিন।এই দুয়াতে প্রতি শব্দে যে 'না' আছে,এতে টান পড়লে বা না পড়লে সিজদার মাঝে,নামাজ নষ্ট হবে কি
১২,রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, তে হা ছোট হা উচ্চারিত হলে,সময় থাকা সত্ত্বেও যদি ঠিক না করে নিই সালাতে।নামাজ হবে কি?
১৩, শাইত্বন শব্দে,শাই--ত্বন,মানে শাই লীন হরফ রেখে এক দু আলিফ টানলে ইস্তিয়াযা কি ভুল উচ্চারণের জন্য নামাজ নষ্ট হবে?
১৪,স্বামী স্ত্রীর নিজেদের গোপন কথা বাইরে বলে ফেললে অনুতপ্ত হলে স্ত্রীর হক্ব নষ্ট হবে কি? তার কাছ থেকে ক্ষমা চাওয়া দাম্পত্য জীবনে অশান্তি আনতে পারে।কারণ জেনে যাবে যেহেতু।করনীয় কি
১৫,কোনো সতী নারীকে নিয়ে ইচ্ছা করে খারাপ চিন্তা করলে কি তার হক্ব নষ্ট হবে?, তার থেকে ক্ষমা নেব কিভাবে?