বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ-
(ক)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ، اللَّهِ بْنَ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ وَالْوَلِيدَ بْنَ عَطَاءٍ يُحَدِّثَانِ عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدٍ وَفَدَ الْحَارِثُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ فِي خِلاَفَتِهِ فَقَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ مَا أَظُنُّ أَبَا خُبَيْبٍ - يَعْنِي ابْنَ الزُّبَيْرِ - سَمِعَ مِنْ عَائِشَةَ مَا كَانَ يَزْعُمُ أَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْهَا . قَالَ الْحَارِثُ بَلَى أَنَا سَمِعْتُهُ مِنْهَا . قَالَ سَمِعْتَهَا تَقُولُ مَاذَا قَالَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ قَوْمَكِ اسْتَقْصَرُوا مِنْ بُنْيَانِ الْبَيْتِ وَلَوْلاَ حَدَاثَةُ عَهْدِهِمْ بِالشِّرْكِ أَعَدْتُ مَا تَرَكُوا مِنْهُ فَإِنْ بَدَا لِقَوْمِكِ مِنْ بَعْدِي أَنْ يَبْنُوهُ فَهَلُمِّي لأُرِيَكِ مَا تَرَكُوا مِنْهُ " . فَأَرَاهَا قَرِيبًا مِنْ سَبْعَةِ أَذْرُعٍ . هَذَا حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدٍ وَزَادَ عَلَيْهِ الْوَلِيدُ بْنُ عَطَاءٍ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَلَجَعَلْتُ لَهَا بَابَيْنِ مَوْضُوعَيْنِ فِي الأَرْضِ شَرْقِيًّا وَغَرْبِيًّا وَهَلْ تَدْرِينَ لِمَ كَانَ قَوْمُكِ رَفَعُوا بَابَهَا " . قَالَتْ قُلْتُ لاَ . قَالَ " تَعَزُّزًا أَنْ لاَ يَدْخُلَهَا إِلاَّ مَنْ أَرَادُوا فَكَانَ الرَّجُلُ إِذَا هُوَ أَرَادَ أَنْ يَدْخُلَهَا يَدْعُونَهُ يَرْتَقِي حَتَّى إِذَا كَادَ أَنْ يَدْخُلَ دَفَعُوهُ فَسَقَطَ " . قَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ لِلْحَارِثِ أَنْتَ سَمِعْتَهَا تَقُولُ هَذَا قَالَ نَعَمْ. قَالَ فَنَكَتَ سَاعَةً بِعَصَاهُ ثُمَّ قَالَ وَدِدْتُ أَنِّي تَرَكْتُهُ وَمَا تَحَمَّلَ.
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ... হারিস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবিআ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ বলেন, হারিস ইবনু আবদুল্লাহ প্রতিনিধি হিসেবে আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের রাজত্বকালে তার নিকট গিয়েছিলেন। আবদুল মালিক বললেন, আমি মনে করি না যে, আবূ যুবায়র অর্থাৎ ইবনু যুবায়র (রাঃ) আয়িশা (রাঃ) এর নিকট এমন কথা শুনেছেন যার দাবি তিনি করে থাকেন। [অর্থাৎ ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) এর ভিত এর উপর কাবা ঘরের পুননির্মাণের ব্যাপারে রাসুলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অভিপ্রায় সম্পর্কিত কোন হাদীস তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট শুনেন নি।]
হারিস বলেন, হ্যাঁ, আমি নিজেই তার নিকট এই হাদীস শুনেছি। আবদুল মালিক বললেন, আপনি তাকে কি বলতে শুনেছেন? হারিস বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তোমার কওমের লোকেরা কাবা ঘরের ভীত (আয়তনে) ছোট করে ফেলেছো নিকট অতীতে তারা শিরক পরিত্যাগ না করলে আমি তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু কাবার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি আমার পরে তা পুননির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে এস, আমি তোমাকে তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু দেখিয়ে দেই” অতএব রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশা কে (হাতীম সংলগ্ন) প্রায় সাত গজ স্থান দেখিয়ে দিলেন।
এই হাদীস আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ কর্তুক বর্ণিত। ওয়ালীদ ইবনু আতা এ বর্ণনার উপর আরো বৃদ্ধি করেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যমীনের সমতলে দুটি দরজাও নির্মাণ করতাম, একটি পূর্বদিকে এবং অপরটি পশ্চিমদিকে। তুমি কি জান তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বার দরজা (ভূমি থেকে) উঁচুতে স্থাপন করেছে কেন?” আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ গর্ব ও অহংকারের বশবতী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাতে কেবল সেই ব্যক্তিই কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে- যাকে তারা অনুমতি দেবে।
যখন কোন ব্যক্তি কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশের ইচ্ছা করত, তারা তাকে বেয়ে উপরে উঠতে দিত। এমনকি সে যখন তাতে প্রবেশ করত, তখন তারা তাকে টেনে নীচে ফেলে দিত। আবদুল মালিক হারিসকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি আয়িশা (রাঃ) কে একথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, কিছুক্ষণ তিনি হাতের ছড়ি দিয়ে মাটি খুড়তে লাগলেন, এরপর বললেনঃ আমার মনে হয় যে দায়ভার তিনি নিজে বহন করেছিলেন তার উপর যদি তাকে ছেড়ে দিতাম সেটাই ভাল হত।
(সহিহ মুসলিম ৩১১৬ ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
হাতিমকে কাবার সাথে সংযোগ না করা রাসূল সা. এর কাছে আল্লাহ তায়ালা থেকে গায়েবী নির্দেশ ছিলোনা।
তাঁর মনে হয়েছে তাই সংযোগ করেন নাই,এমনটিও নয়।
বরং কুরাইশরা গর্ব ও অহংকারের বশবতী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাতে কেবল সেই ব্যক্তিই কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে- যাকে তারা অনুমতি দেবে।
কেহ কেহ বলেছেন যে আর্থিক সংকটের কারনে তারা এটি কা'বার অভ্যন্তরে নিতে পারেনি।
তবে রাসুলুল্লাহ সাঃ এর জীবনের আকাঙ্খা ছিলো,হাতিমে কা'বা কে কা'বার অন্তর্ভুক্ত করার।
(খ)
আকীদা বিশুদ্ধ রেখে চিকিৎসা হিসেবে এটি করা হলে তাহা বিদ'আত বা শিরক হবেনা।
(গ)
আপনি যদি হাদিয়া হিসেবে স্বাবলম্বীদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ান, তাহলে খাওয়ানো যাবে স্বাবলম্বীদের।
তবে এক্ষেত্রে মৃত মানুষ সওয়াব পাবেনা।
(ঘ)
নিজের মেয়ের/ ছেলের স্ত্রীর দিকে কামভাবে তাকালে /চিন্তা করলে শুধু এতটুকুর দরুন নিজের স্ত্রীর সাথে তালাক হয় যাবেনা।
(ঙ)
নোমান আলী খান দ্বীনের দায়ী,দ্বীনের একনিষ্ঠ কর্মী।
অসংখ্য মানুষ তার নসিহত শোনে।
তার মাযহাব সম্পর্কে জানতে পারিনি।
তার যদি কোনো বিতর্কিত কথা থাকে,বা হানাফি মাযহাব বিরোধী, তাহলে তাহা মানা যাবেনা।
ড. ইসরার আহমেদ দ্বীনের দায়ী।
জানা মতে তিনি হানাফি মাযহাব অনুসারী।
নির্ভরযোগ্য তথ্য মতে তিনি জামায়াতে ইসলামীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(চ)
এটি সহীহ নয়।
সুন্নাত হলো ডান কাত হয়ে ঘুমানো,যথাসম্ভব ডান হাত চোয়ালের নিচে রাখা।
(ছ)
সাধারণ মানুষ তাদের বিচার করবেনা।
সরকারের উপর তাদের বিচারের দায়ভার বর্তাবে।
(জ)
ইচ্ছাকৃতভাবে বিনা ওযরে এমনটি করা যাবেনা।
অনিচ্ছায় বা ওযর বশত অন্য আয়াতে গেলে নামাজের ক্ষতি হবেনা।
(ঝ)
বিষয়টি সম্পর্কে স্থানীয় কোনো দারুল ইফতায় স্বশরীরে গিয়ে জেনে নিলে ভালো হয়।
(ঞ)
না,এটি সত্য নয়।