0 votes
38 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (49 points)
edited by
আসসালামুআলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।
কোন মেয়ের বিয়ে তার পরিবারে মেনে নেয় নি।এখনো বাবার বাড়িতে থাকে।সে মাকে বলল আপনারা যেরকম বলেন সেরকম করব।মা বলে এতটুকুতে চলে আয়, ভুলে যা বা সাফ হয়ে যা, সে বলে ঠিক আছে।ওকে ওর স্বামী আগে বলছিল তুমি ছড়ে দিতে চাইলে আটকাব না এমনটা বলেছিল যে ওটাও বলেছিল মাকে।মা বলে সাফ হয়ে যা মানে চলে আসতে ওই বিয়ে থেকে।মেয়েটি ঠিক আছে বলেছিল।কিছুক্ষণ পর মানে একটু পর মানে ১-২ মিনিট নাকি আরো কম সময় পর মেয়েটা ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় নাকি ওয়াশরুম  থেকে আসে কি ভাবতে ভাবতে এসে বলে কিন্তু এরপর যার সাথে বিয়ে দিবেন তাকে আমার অতীতের  মানে আগের বিয়ের কথা বলবেন।মানে এখনের বিয়েটা আর কি।এমনটা বলেছে ধরেন।মেয়েটাকে তার স্বামী তালাকের পাওয়ার দিছে।কিন্তুু সে নিজেকে তালাক দেয় নি।কথা গুলো বলেছে ঠিক কিন্তু তালাকের ওয়াসওয়াসা আসলে সে না না করত।মানে নিজের দিকে ইন্গিত করত না।কথা গুলো বললেও পরে মানে  ঐদিন পরে তালাকের কথা চিন্তায় আসলে সে না না করত।ভাবত আগে বাবার সাথে কথা বলবে পরে ডিসিশন নিবে।সে  তখন খুবই ডিপ্রেশনে ছিল।কেনায়া শব্দ নতুন শুনেছিল।সে ভয়ে ছিল কোন এরকম স্বামী বলেছিল কিনা ভেবে ভেবে টেনশন করত কাদত।কি করবে বুঝতে পারতেছিল না।মেয়েটা মাকে কথা গুলো বললেও হয়ত নিজের দিকে ইন্গিত করত না। কেনায়া তালাকের কথা না স্প্ষ্ট তালাকের কথা চিন্তায় আসলে না না করত মানে দিত না।।হয়ত ভাবত পরে ডিসিশন নিবে কি করবে বা পরে দিবে ডিভোর্স। মানে পরে দিলে দিবে এটা ভাবত তখন ঐ মুহুর্তে না।মানে সে ভাবত আগে বাবার সাথে কথা বলবে।কিন্তুু  পরের দিন বাবার সাথে কথা বলার সময় সে বলেছে বাবা আমি স্বামীর সাথে থাকতে চায়।সে কথা গুলো যখন মাকে বলেছিল তখন ভয়ে ছিল কোন স্বামীীর কোন কথা দ্বারা তালাক হয়েছিল কিনা এসব ভেবে।তাই মাকে ঐরকম বলেছিল।কিন্তুু সে মন থেকে স্বামীকে চায়ত।তাই সে তালাকের চিন্তা আসলে না না করত।বলতে পারেন সিদ্ধান্ত হিনতায় ছিল যখন  মায়ের সাথে কথা বলেছিল তখন।সে এখন স্বামীর সাথে থাকতে চায়।উপরের কথা দ্বারা কি কোন তালাক হবে? সে খুব চিন্তায়। সে স্বামীর সাথে থাকতে চায়।সে মাকে কথা গুলো বললেও নিজের দিকে ইন্গিত করে বলে নি মনে হয়।সে ভাবতেছিল মা বাবা যা বলে করবে কিন্তু নিজেকে তালাক দেয় নি  মনে আসলে ওয়াসওয়াসা তখন সহ না না করত।সে কি তার স্বামীর সাথে সংসার করতে পারবে?

1 Answer

0 votes
by (469,840 points)
edited by

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনাকে বলবো দয়াকরে আপনি এই তালাকের ওয়াসওয়াসাকে পরিহার করুন। কিভাবে পরিহার করবেন,সেটা হল, যখনই মনে এরকম ওয়াসওয়াসা আসবে, সাথে সাথেই মনকে বলবেন, আমি যেহেতু ওয়াসওয়াসার রোগী, তাই আমার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুমে শীতিলতা রয়েছে।আমি অন্য দশজনের মত নই। কেননা ওয়াসওয়াসা রোগি কাউকে হত্যা করলেও শরীয়তের দৃষ্টিতে কেসাস আসেনা।ওয়াসওয়াসার রোগী সারাদিন কুফরি বাক্য উচ্ছারণ করলেও সে কাফির হয়না।বরং তার ঈমান বহাল থাকে।

যদি ওয়াসওয়াসা থেকে আপনি বের না হন,তাহলে আপনার ভবিষ্যত আপনি নিজেই নষ্ট করবেন।ওয়াসওয়াসা থেকে বের হওয়ার একমাত্র মাধ্যম হল, এই চিন্তাকে পরিহার করে ভিন্ন চিন্তা গ্রহণ করা,লোকদের সাথে হাশিখুশিতে থাকা।

ইবনে হাজার হাইতামি রাহ এ সম্পর্কে বলেন,
( وسئل نفع الله به عن داء الوسوسة هل له دواء ؟
فأجاب بقوله : له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان - فإنه متى لم يلتفت لذلك لم يثبت بل يذهب بعد زمن قليل كما جرب ذلك الموفقون) (الفتاوى الفقهية الكبرى 1/149)
মর্মার্থ - পরিপূর্ণ ভাবে এই চিন্তাকে পরিহার করার চেষ্টা করাই এর সর্বোত্তম চিকিৎসা।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/835

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার সম্পূর্ণ প্রশ্ন পড়েছি।তালাক হয়নি।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...