0 votes
23 views
in Halal & Haram by
Shohid minar toiri kora ki jayez?

Muhtaram jante chai

1 Answer

0 votes
by (12.9k points)
বিসমিহি তা'আলা

আল্লাহ তা'আলা বলেন,

وَكَذَٰلِكَ أَعْثَرْنَا عَلَيْهِمْ لِيَعْلَمُوا أَنَّ وَعْدَ اللَّهِ حَقٌّ وَأَنَّ السَّاعَةَ لَا رَيْبَ فِيهَا إِذْ يَتَنَازَعُونَ بَيْنَهُمْ أَمْرَهُمْ ۖ فَقَالُوا ابْنُوا عَلَيْهِم بُنْيَانًا ۖ رَّبُّهُمْ أَعْلَمُ بِهِمْ ۚ قَالَ الَّذِينَ غَلَبُوا عَلَىٰ أَمْرِهِمْ لَنَتَّخِذَنَّ عَلَيْهِم مَّسْجِدًا

ভাবার্থঃ-

এমনিভাবে আমি তাদের খবর প্রকাশ করে দিলাম, যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন সন্দেহ নেই। যখন তারা নিজেদের কর্তব্য বিষয়ে পরস্পর বিতর্ক করছিল, তখন তারা বললঃ তাদের উপর সৌধ নির্মাণ কর। তাদের পালনকর্তা তাদের বিষয়ে ভাল জানেন। তাদের কর্তব্য বিষয়ে যাদের মত প্রবল হল, তারা বললঃ আমরা অবশ্যই তাদের স্থানে মসজিদ নির্মান করব।

সূরা কাহফ-২১

উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরিনে কেরাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন,নিম্নে দু'একটি আলোচনা তুলে ধরছি,,,
তাফসীরে কুরতুবীতে উক্ত আয়াতের ব্যখায় নিম্নোক্ত আলোচনা পেশ করা হয়-

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,

ﻭﺭﻭﻱ ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺃﻥ ﺍﻟﻠﻪ - ﺗﻌﺎﻟﻰ - ﺃﻋﻤﻰ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﺣﻴﻨﺌﺬ ﺃﺛﺮﻫﻢ ﻭﺣﺠﺒﻬﻢ ﻋﻨﻬﻢ ، ﻓﺬﻟﻚ ﺩﻋﺎ ﺇﻟﻰ ﺑﻨﺎﺀ ﺍﻟﺒﻨﻴﺎﻥ ﻟﻴﻜﻮﻥ ﻣﻌﻠﻤﺎ ﻟﻬﻢ . ﻭﻗﻴﻞ : ﺇﻥ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﺃﺭﺍﺩ ﺃﻥ ﻳﺪﻓﻨﻬﻢ ﻓﻲ ﺻﻨﺪﻭﻕ ﻣﻦ ﺫﻫﺐ ﻓﺄﺗﺎﻩ ﺁﺕ ﻣﻨﻬﻢ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﻨﺎﻡ ﻓﻘﺎﻝ : ﺃﺭﺩﺕ ﺃﻥ ﺗﺠﻌﻠﻨﺎ ﻓﻲ ﺻﻨﺪﻭﻕ ﻣﻦ ﺫﻫﺐ ﻓﻼ ﺗﻔﻌﻞ ; ﻓﺈﻧﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﺮﺍﺏ ﺧﻠﻘﻨﺎ ﻭﺇﻟﻴﻪ ﻧﻌﻮﺩ ، ﻓﺪﻋﻨﺎ
মানুষের সামনে আসহাবে কাহফের চিন্থ মুছে যাবার পর কিছু মানুষ সেই স্থলে স্বৃথীচারণের জন্য একটি ঘর নির্মানের প্রস্তাব দিলো।

(কেউ কেউ বলেন)বাদশা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে,আসহাবে কাহফের অধিবাসীদেরকে স্বর্ণের তৈরী একটি সিন্দুকে ভরে দাফন করে দিবেন।তখনই তাদের মধ্যকার একজন স্বপ্নযোগে বাদশাকে বললেন,তুমি সিদ্ধান্ত নিয়েছ আমাদেরকে সিন্দুকে ভরে দাফন করার।তুমি এমন করবে না।আমরা মাঠির তৈরী এবং আবার সেথায় ফিরে যাবো।সুতরাং আমাদেরকে আমাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও।

তাফসিরে তাবারীতে
উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায়  নিম্নোক্ত রেওয়াত উল্লেখ করা হয়,

حدثنا ابن حميد، قال: ثنا سلمة، عن عبد العزيز بن أبي روّاد، عن عبد الله بن عبيد بن عمير، قال: عمَّى الله على الذين أعثرهم على أصحاب الكهف مكانهم، فلم يهتدوا، فقال المشركون: نبني عليهم بنيانا، فإنهم أبناء آبائنا، ونعبد الله فيها، وقال المسلمون: بل نحن أحق بهم، هم منا، نبني عليهم مسجدا نصلي فيه، ونعبد الله فيه.

ভাবার্থ-

আসহাবে কাহফের  সন্ধানলাভ কারীকে দলকে  আল্লাহ তা'আলা সেই স্থান ভূলিয়ে দিলেন।

যদ্দরুণ তারা সে স্থানের পরিচয় লাভে সক্ষম হয়নি।তখন মুশরিকরা বলল,আমরা তথা একটি প্রসাদ নির্মাণ করব,কেননা তারা আমাদেরই সন্তান।এবং আমরা সেই প্রসাদে বসে আল্লাহর ইবাদত করব।মুসলমানরা বলল,বরং আমরাই বেশী হকদ্বার,এরা তো আমাদের থেকেই এবং আমাদের মত মুসলমান।আমরা তথায় মসজিদ নির্মাণ করব।যেখানে আমরা নামায আদায় করব।এবং আল্লাহর ইবাদতে মাশগুল থাকব।

তাফসীরে তাবারী-১৭৬৪০

'তাফসীরে কুরতুবী' তে নিম্নোক্ত আলোচনা উল্লেখ করা হয়,
ﺃﻋﻤﻰ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺎﺱ ﺣﻴﻨﺌﺬ ﺃﺛﺮﻫﻢ ﻭﺣﺠﺒﻬﻢ ﻋﻨﻬﻢ ، ﻓﺬﻟﻚ ﺩﻋﺎ ﺇﻟﻰ ﺑﻨﺎﺀ ﺍﻟﺒﻨﻴﺎﻥ ﻟﻴﻜﻮﻥ ﻣﻌﻠﻤﺎ ﻟﻬﻢ . ﻭﻗﻴﻞ : ﺇﻥ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﺃﺭﺍﺩ ﺃﻥ ﻳﺪﻓﻨﻬﻢ ﻓﻲ ﺻﻨﺪﻭﻕ ﻣﻦ ﺫﻫﺐ ﻓﺄﺗﺎﻩ ﺁﺕ ﻣﻨﻬﻢ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﻨﺎﻡ ﻓﻘﺎﻝ : ﺃﺭﺩﺕ ﺃﻥ ﺗﺠﻌﻠﻨﺎ ﻓﻲ ﺻﻨﺪﻭﻕ ﻣﻦ ﺫﻫﺐ ﻓﻼ ﺗﻔﻌﻞ ; ﻓﺈﻧﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﺮﺍﺏ ﺧﻠﻘﻨﺎ ﻭﺇﻟﻴﻪ ﻧﻌﻮﺩ ، ﻓﺪﻋﻨﺎ
আল্লাহ তা'আলা আসহাবে কাহফের চিন্থ কে মিটিয়ে দিলেন,এবং লোকচক্ষুর আড়াল করে দিলেন।এজন্যই তথায় প্রসাদ নির্মানের আলোচনা উঠেছিলো,যাতে করে আসহাবে কাহফের নিদর্শন হিসেবে শেষ পর্যন্ত প্রসাদটি অবশিষ্ট থাকে।

(কেউ কেউ বলেন)বাদশা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে,আসহাবে কাহফের অধিবাসীদেরকে স্বর্ণের তৈরী একটি সিন্দুকে ভরে দাফন করে দিবেন।তখনই তাদের মধ্যকার একজন স্বপ্নযোগে বাদশাকে বললেন,তুমি সিদ্ধান্ত নিয়েছ আমাদেরকে সিন্দুকে ভরে দাফন করার।তুমি এমন করবে না।আমরা মাঠির তৈরী এবং আবার সেথায় ফিরে যাবো।সুতরাং আমাদেরকে আমাদের অবস্থার উপর ছেড়ে দাও।

{তাফসীরে কুরতুবী}

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!

যুলুম নির্যাতন থেকে স্বাধীনতা অর্জন ভালো ও মহৎ কাজ।তাই তার স্বৃথীচারণের জন্য কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী মসজিদ নির্মানই উচিৎ।

কুরআনের ঘোষনা অনুযায়ী সৌধ নির্মান পরিত্যাজ্য। বিশেষকরে এমন জিনিষ নির্মাণ করা যাতে ভবিষ্যতে অনেকপ্রকার গর্হিতকাজ হবে সেটা মুসলিম জাতির জন্য অত্যান্ত লজ্জাজনক।

আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করুক।আমীন।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

পরামর্শ প্রদাণে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

306 questions

303 answers

26 comments

196 users

10 Online Users
0 Member 10 Guest
Today Visits : 5116
Yesterday Visits : 6135
Total Visits : 162556
...