আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
380 views
in পবিত্রতা (Purity) by (9 points)
আসসালামুআলাইকুম,

আমার পিরিয়ড এ সমস্যাআছে তাই কিছুদিন আগে আমি ডাক্তার দেখিয়েছি..ওষুধ অনুযায়ী আমার ২১তম দিনের পর হতে পিরিয়ড হওয়ার কথা কিন্তু ১৬/১৭তম দিন থেকেই আমার রেডিশ/ব্রাউনিশ ডিসচার্জ+পিরিয়ডের ব্যাথা সহ দেখা দিয়েছে।এরপর থেকে আমি আমার নামাজ বন্ধ রেখেছি.. এখন ২১তম দিনের পর আমার রেগুলার পিরিয়ডের ব্লিডিং হলে আমি কি করবো?কারন এতে আমার ডিসচার্জ+রেগুলার ব্লিডিং সব মিলিয়ে ১০দিনের বেশি হব।এমতাবস্থায় আমার কি করা উচিত?

1 Answer

0 votes
by (812,700 points)

বিসমিল্লাহির রাহমির রাহিম।
জবাবঃ-
এক হায়েয থেকে অারেক হায়েয পর্যন্ত সর্বনিম্ন ১৫ দিনের ব্যবধান থাকতে পারে।অর্থাৎ একবার হায়েয শুরু হয়ে শেষ হওয়ার পর সর্বনিম্ন ১৫ দিন পর দ্বিতীয় হায়েয শুরু হবে।

প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!
যেহেতু আপনার ১৬দিন পবিত্র থাকার পর হায়েয শুরু হয়েছে,সুতরাং এই ১৬ দিনের পর শুরু হওয়া স্রাবকে হায়েয হিসেবেই গণ্য করা হবে।এবং তা সর্বোচ্ছ ১০ দিন পর্যন্ত হায়েয হিসেবে গণ্য করা হবে।১০দিন পর যদি আরও অতিরিক্ত স্রাব দেখা যায়,তাহলে সেটাকে ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য করা হবে।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭৬)

ডাক্তার বলেছে,২১ দিন পর হায়েয শুরু হবে,সেটা গ্রহণযোগ্য নয়।তবে যদি কোনো মহিলার আদত বা অভ্যাস থাকে যে,সর্বদা ২১দিন পর হায়েয শুরু হত।এবং হঠাৎ ১৬তম দিনে ঐ মহিলার হায়েয শুরু হয়ে যায়,তাহলে ঐ মহিলার জন্য হুকুম হল,২১ তম দিনই হয়েয শুরু হবে।এর পূর্বের গুলো ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে।



(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 400 views
...