0 votes
16 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (18 points)
আসসালামু আলাইকুম।
১.আব্দুল মালিক আল কাসিমের একটি বইতে পেলাম। মুশরিক ও কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে তাদের কুফুরীর কারনে। আত্মরক্ষার জন্য নয়। এটা সাধারণ হুকুম। আত্মরক্ষার জন্য করতেই হবে তার পাশাপাশি তাদের কুফুরীর কারনেও যুদ্ধ করতে হবে। এটার পক্ষে অনেকগুলি হাদীস ও আয়াত রেফারেন্স দিছেন উনি।এটা কি রাষ্ট্রে খিলাফত থাকা অবস্থায় নাকি খিলাফত না থাকলেও। তাহলে খিলাফত থাকলে কার নেতৃত্বে? আর খিলাফত না থাকলে কার নেতৃত্বে? কেউ নেতৃত্ব না দিলে?

২. সুরা ইয়াসিনের ফজিলত বিশিষ্ট কোন সহীহ দলিল আছে?

1 Answer

0 votes
by (59,600 points)

জবাবঃ-
কাফিরদের সাথে তাদের কুফরির দরুণ জিহাদ করা ফরযে কেফায়া পর্যায়ের।তথা প্রথমে তাদের কে ইসলামের দাওয়াত দেয়া হবে।হয়তো তারা ইসলাম কবুল করবে,নয়তো তারা নত হয়ে জিযয়া প্রদাণ করবে।এটা অবশ্যই খেলাফত থাকাকালীন সময়ের সাথে খাস।নেতৃত্ব খলিফা বা খলিফার মনোনিত ব্যক্তিই দিবেন।খেলাফত না থাকলে কাফিরদের সাথে যুদ্ধের পূর্বে নিজ অঞ্চলে প্রথমে খেলাফত প্রতিষ্টা করতে হবে।এটা অগ্রগণ্য।

তবে জিহাদের নামে সন্ত্রাসী, বোমাবাজি, জঙ্গিবাদী ইত্যাদি করা যাবে না।হক্কানী উলামায়ে কেরাম যেভাবে বলবেন,সেভাবেই করতে হবে।

(২)
সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করতে পারেন,হাদীসে এ সূরার অনেক ফযিলত বর্ণিত রয়েছে,
وَعَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ: " «مَنْ قَرَأَ " يس " فِي صَدْرِ النَّهَارِ تَمَّتْ حَوَائِجُهُ» " رَوَاهُ الدَّارِمِيُّ مُرْسَلًا.
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,যে ব্যক্তি দিনের প্রথমাংশে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে,তার হাজত পূর্ণ হবে।(মিশকাতুল মাসাবিহ-২১৭৭)

وَعَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ الْمُزَنِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ: " «مَنْ قَرَأَ يس ابْتِغَاءَ وَجْهِ اللَّهِ - تَعَالَى - غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ، فَاقْرَءُوهَا عِنْدَ مَوْتَاكُمْ» " رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ.
মা'ক্বাল ইবনে ইয়াসার রাযি থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে,তার অতীতের সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।সুতরাং তোমরা মৃত/মুমূর্ষু ব্যক্তির সম্মুখে সূরা ইয়াসিন পাঠ করো।(মিশকাতুল মাসাবিহ-২১৭৮)

মোল্লা আলী ক্বারী রাহ, উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
فاقرءوها عند موتاكم "، أي مشرفي الموت أو عند قبور أمواتكم، فإنهم أحوج إلى المغفرة، وقال الطيبي: الفاء جواب شرط محذوف، أي إذا كانت قراءة يس بالإخلاص تمحو الذنوب، فاقرءوها عند من شارف الموت حتى يسمعها ويجريها على قلبه فيغفر له ما قد سلف اهـ ويمكن أن يراد بالموتى الجهلة أو أهل الغفلة
মুমূর্ষু ব্যক্তি বা কবরের সম্মুখে সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করো।ইমাম তিবী রাহ বলেন,যেহেতু সূরা ইয়াসিন গোনাহ সমূহকে মিটিয়ে দেয়,তাই মুমূর্ষু ব্যক্তির সামনে তোমরা সূরা ইয়াসিনকে তেলাওয়াত করো।যাতে করে ঐ মুমূর্ষু ব্যক্তি শ্রবণ করে জবান দ্বারা উচ্ছারণ করতে পারে।অতঃপর আল্লাহ চাহে তো তার সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। অথবা হাদীসে মৃত ব্যক্তি দ্বারা উদ্দেশ্য হলো,গাফেল বা জাহিল ব্যক্তি।তখন অর্থ হবে,তোমরা গাফেল বা জাহিল ব্যক্তির সম্মুখে কোরআনে কারীমকে তেলাওয়াত করো।আরও জানুন- 1655


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...