0 votes
21 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (3 points)

আসসালামু আলাইকুম। 

শায়েখ আশাকরি ভালো আছেন।

আমার প্রশ্ন হলোঃ

ফেইসবুকে  বা অন্যান্য সোস্যাল  মিডিয়ায় ছবি আপলোড দেওয়া কি হারাম?

অশ্লীলতা বা  শ্লীলতা  অনুযায়ী। 

অনেক আলেম ঊলামাদের মতে বিনা কারণে ছবি তোলা এবং আপলোড দেওয়া হারাম।

এই বিষয়ে যদি সঠিক টা জানিয়ে দিতেন তাহলে উপকৃত হতাম।

 

জাযাকুমুল্লাহ খাইরান।

1 Answer

0 votes
by (21,360 points)
জবাব
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

মোবাইলে যেসব ছবি তোলা হয়,এগুলো ছবি আসলে শরয়ী নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত ছবির হুকুমে আওতায় পড়ে কিনা,সেই ব্যাপারে উলামায়ে কেরামদের মাঝে মতবিরোধ রয়েছে। 
তাই আগে এই বিষয় স্পষ্ট করছিঃ       

প্রাণীর ছবি সম্পর্কে ফুকাহায়ে কিরামের মতামত-

প্রাণীর ছবি বানানো ও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হারাম এই হুকুম অসংখ্য সহীহ হাদীস, সাহাবায়ে কিরাম এবং তাবেয়ীগণের বক্তব্য ও আমল দ্বারা প্রমাণিত। তাই চার মাযহাবের ইমামগণ এবং ফুকাহায়ে কিরাম একান্ত প্রয়োজন ব্যতীরেকে প্রাণীর ছবি হারাম হওয়ার উপর ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন। তবে বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে ফুকাহায়ে কিরামের মাঝে কিছু মতানৈক্য পাওয়া যায়।

ফুকাহায়ে কিরামের মতামতের সারসংক্ষেপ হতে তিন ধরনের ছবির বর্ণনা পাওয় যায়।

১. দেহবিশিষ্ট বা ত্রিমাত্রিক ছবি
২. দেহবিহীন বা অংকিত ছবি।
৩. ফটোগ্রাফী ও ডিজিটাল ছবি।

*******************************

দেহবিশিষ্ট ছবি-
এমন ছবি, যাতে কোন প্রাণীর জীবন ধারনের প্রয়োজনীয় অঙ্গসমূহ বিদ্যমান রয়েছে এবং একেবারে ছোটও নয় ও খেলনা জাতীয় পুতুলও নয়। এ জাতীয় ছবি বানানো ও ব্যবহার হারাম হওয়ার ব্যাপারে ফুকাহায়ে কিরাম ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন। এত কারো কোন দ্বিমত নেই।

***********************************
দেহবিহীন ছবি-

এমন ছবি যা কাগজ কিংবা কাপড়ে অংকিত এবং যার প্রকৃত কোন ছায়া নেই। এ জাতীয় ছবির ব্যাপারে আলেমদের মাঝে মতানৈক্য বিদ্যমান।

জমহুর ফুকাহায়ে কিরামের নিকট এমন ছবিও নাজায়েয। ইমাম মালেক রহ. হতে এ ব্যাপারে দ্বিমুখী বর্ণনা পাওয়া যায়।

মালেকী মাযহাবের মুহাক্কিক আলেমদের মধ্য হতে আল্লামা ইবনুল কাসেম মালেকী, আল্লামা ইব্বী মালেকী, আল্লামা আবু আব্দুল্লাহ মাওয়াক্ব, আল্লামা মুহাম্মদ আল উলাইশ আল মালেকী প্রমুখ এমন ছবি জায়েয হওয়ার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন।

এমনিভাবে হাম্বলী মাযহাবেও এ ব্যাপারে দ্বিমুখী বর্ণনা পাওয়া যায়।

হাম্বলী মাযহাবের মুহাক্কিক আলেম আল্লামা ইবনে কুদামা রহ. তার কিতাব المغنى:৭/২১৫، ১০/২০১ এর মধ্যে এবং ইবনে হাজার আসকালানী রহ. তার কিতাব فتح البارى:১০/৩৮৩،৩৮৮ এর মধ্যে হাম্বলী মাযহাবের বর্ণনা দিতে গিয়ে উল্লেখ করেন যে, হাম্বলী মাযহাবের কাপড়ের উপর অংকিত ছবি হারাম নয়। এছাড়াও আল্লামা আবুল হাছান আলী বিন সুলাইমান আল মুরদাবী রহ. আল্লামা শাইখ ইবনে উকাইল, আল্লামা ইবনে হামদান হাম্বলী প্রমূখ এমনই মতামত ব্যক্ত করেছেন।

এরূপভাবে মালেকী এবং হাম্বলী মাযহাব ছাড়াও সালফে সালেহীনের মধ্যে হতে আল্লামা কাসেম বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর রহ. সহ সাহাবী এবং তাবেয়ীদের কারো কারো থেকে ছায়া বিশিষ্ট ছবি এবং ছায়া বিহীন ছবি এর মাঝে পার্থক্য করার বর্ণনা পাওয়া যায়।

****************************
ফটোগ্রাফী বা প্রিন্টকৃত ছবি-

এমন ছবি যা হাত দ্বারা বানানো নয়, বরং ক্যামেরার মাধ্যমে তৈরিকৃত। এ পার্থক্যের কারণে বর্তমান সময়ের কতিপর আলেম এ জাতীয় ছবিকে নিষিদ্ধ ছবির অন্তর্ভূক্ত করেননি, বরং তা জায়েয বলে উল্লেখ করেছেন।

যেমন আরবের বিশেষজ্ঞ আলেমদের মধ্য হতে আল্লামা মুহাম্মদ ইবনু সালেহ আল উসাইমিন, আল্লামা শাইখ ছালুস, শাইখ আহমাদ আল খতীব উস্তাদ আহমদ মুহাম্মদ জামাল, শাইখ মুহাম্মদ আল খিজির হুসাইর (শাইখে আযহার) আল্লামা হুসাইন মুহাম্মদ মাখলুক (মুফতিয়ে মিসর) শাইখ সায়্যিদ সাবেকসহ প্রমূখ আলেমগণ ফটোগ্রাফীকে হারাম ছবির অন্তূর্ভূক্ত করেননি।

আল্লামা শাইখ সায়্যিদ সাবেক তার কিতাব فقه السنة এর মধ্যে লিখেন-

أما الصور التي لا ظل لها، كالنقوش في الحوائط وعلى الورق والصور التي توجد في الملابس والستور والصور الفوتو غرافية فهذه كلها جائزة.( فقه السنة: ২/৫৮)

অনুবাদ: ছায়াহীন ছবি। যেমন দেয়াল, পয়সা, কাপড়, পর্দা ইত্যাদিতে অংকিত ছবি এবং ফটোগ্রাফী এ সকল ছবি জায়েয।

উক্ত বক্তব্যের সমর্থন আল্লামা শাইখ মুহা. বুখাইত (মুফতিয়ে মিসর) এর লিখিত রিসালাহ الجواب الشافى فى اباحة التصوير الفتوغرافى:২০০ তে পাওয়া যায়।

এমনিভাবে আল্লামা শাইখ ড. ইউসুফ আব্দুল্লাহ আল কারাযাভী দা.বা. তার কিতাব الحلال والحرام فى الاسلام এর ১৪ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-

اما تصوير اللوحات وتصوير الفوتوغرافى فقد قدمنا الأقرب الى روح الشريعة فيهما هوالاباحة …. الخ (الحلال والحرام فى الاسلام:১৪)

অনুবাদ-
বিভিন্ন জিনিসে অংকিত ছবি এবং ফটোগ্রাফী বৈধ হওয়াই হল روح شريعة শরীয়তের চাহিদার অনুকুল।

বিজ্ঞ আলেমদের অনেকে ফটোগ্রাফীকে হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত করেছেন এমনকি উপমহাদেশের প্রায় সকল আলেম এ ব্যাপারে ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন যে, ফটোগ্রাফী এবং হাতে বানানো ছবি উভয়টি না জায়েয হওয়ার দকি থেকে কোন পার্থক্য নেই। আর উপমহাদেশের সকল দারুল ইফতা এই ফাতওয়া প্রদান করছে যে, একান্ত প্রয়োজন এবং বৃহৎস্বার্থ ব্যতীত কোন অবস্থাতেই প্রাণীর ছবি তোলা বৈধ নয়।

করাচীসহ সকল দারুল ইফতার অবস্থান এখন পর্যন্ত এটাই যে, ছবি শুধু কলম, রং কিংবা এ জাতীয় পদার্থ দ্বারা কাগজ, কাপড় দেয়াল ইত্যাদির উপর হাত দ্বারা বানানো অথবা পাথর ইত্যাদি দ্বারা তৈরি ভাস্কর্যই নয়, বরং ওই সকল পদ্ধতিও ছবির অন্তর্ভূক্ত যার মাধ্যমে কোন প্রাণীর স্পষ্ট আকৃতি কাগজ, কাপড়, দেয়াল ইত্যাদি এ জাতীয় কোনো বস্তুর উপর এমনভাবে অংকন করা যে, এ আকৃতি ওই বস্তুর উপর স্থির হয়ে যায়। চাই তা পুরাতন কিংবা নতুন যন্ত্রের মাধ্যমে হোক না কেন। যেমন Non Digital ক্যামেরার নেগেটিভ এর উপর অংকিত আকৃতি অথবা ফটাগ্রাফীর মাধ্যমে নির্মিত ছবি তথা প্রিন্টকৃত ছবি।
তাই আমাদের আকাবিরিনে কেরাম ফটোগ্রাফীকে হারাম ছবি হতে পৃথক মনে করেন অথবা ফটোগ্রাফী দ্বারা নির্মিত ছবিকে হারাম ছবি মনে করেন না এ ধারণা করা সঠিক নয়।

বিস্তারিত تكملة فتح الملهم ৪/১৬২-১৬৩

এমনিভাবে মুফতি শফী রহ. তার রিসালাহ تصوير كى شرعى احكامএর মধ্যে দলীলের আলোকে প্রমাণ করেছেন যে, ছবি চাই তা হাতে বানানো হোক কিংবা নবআবিস্কৃত যন্ত্রের মাধ্যমে হোক তা হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত। যন্ত্রের পরিবর্তনের কারণে হুকুমের মাঝে কোন পরিবর্তন হবে না।
*******************************

ফটোগ্রাফী এবং ডিজিটাল ক্যামেরার দৃশ্যের মধ্যে পার্থক্য

আমাদের আকাবিরগণ ফটোগ্রাফীকে হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত করেছেন। কেননা ছবি হল, কোনো জিনিসের চিত্র স্থীর হওয়ার নাম অর্থাৎ সেটা কোন বস্তুর উপর এমনভাবে অবস্থান করা যে, তা ওই বস্তুর উপর স্থীর হয়ে যায়। আর এটাই হলো কোনো জিনিস ছবি হওয়া বা না হওয়ার মাঝে মূল পার্থক্য।

সুতরাং যদি কোনো প্রাণীর আকৃতি কোন বস্তুর উপর স্থীর হয়ে যায় তাহলে তা হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে। আর যদি তা স্থীর না হয় তা শরয়ী দৃষ্টিতে হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত হবে না। কেননা হারাম ছবির মূল বৈশিষ্ট হল স্থির হওয়া যা এখানে পাওয়া যায়নি।

আর ফটোগ্রাফীর মধ্যে যেহেতু হারাম ছবির মূল বৈশিষ্ট ( কোন বস্তুর উপর স্থির হওয়া) পাওয়া যায় তাই তা হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত। এ জন্য Non Digital ক্যামেরার মাধ্যমে প্রাণীর যে ছবি তোলা হয় তা হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত। কেননা, চাই তা Rim তথা Negative অবস্থায় হোক কিংবা কাগজে ছাপানো হোক সর্বাবস্থাতেই তাতে স্থীরতা পাওয়া যায়।

এর সম্পূর্ণ বিপরীত হলো ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে তোলা ছবি। কেননা, উক্ত ছবি যতক্ষণ পর্যন্ত প্রিন্ট করা না হয় তা স্ক্রীন এর সীমার মধ্যে স্থীর হয় না।

ডিজিটাল ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণকৃত দৃশ্যাবলী সাধারণত কিছু আলোকরশ্মীর আকৃতিতে সিডি কিংবা মেমোরীতে এমনভাবে সংরক্ষিত থাকেব, যা খারিল চোখে দেখা যায় না। এমনকি অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখা যায় না। কারণ তা ছবি আকৃতিতে সেখানে বিদ্যমানই থাকে না।

আর যখন তা সিডি বা মেমোরী হতে স্ক্রীনে কিংভা পর্দায় প্রকাশ করা হয় তখন তা অস্থায়ী আলোক রশ্মীর মাধ্যমে প্রকাশ হয়ে সাথে সাথেই বিলীন হয়ে যায়। এক মুহুর্তের জন্যও তা স্থীর থাকে না। এ জন্য ছবির মূল বৈশিষ্ট স্থীর হওয়া এতে পাওয়া যায়নি।

সুতরাং Non Digital ক্যামেরার ছবি সন্দেহাতীতভাবে হারাম ছবির অন্তর্ভূক্ত। আর Digital ক্যামেরার দৃশ্যাবলী হারাম ছবির হুকুমে নয়।

ডিজিটাল এবং Non Digital ক্যামেরা এর মধ্যে উক্ত পার্থক্য বিজ্ঞানীরা তাদের লিখিত বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যেমন মার্শাল ব্রেইন তার গ্রন্থ How Stuff Works এর মধ্যে উল্লেখ করেন How digital cameras work?…….

এমনিভাবে উইকিপিডিয়া ইনসাইক্লোপিডিয়া তে Understanding resolution নামক শিরোনামে উল্লেখ আছে-

ফেসবুকে অথবা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েদের ছবি আপলোড করা ইসলামের দৃষ্টিতে নাজায়েয।

 তবে যদি সম্পূর্ণ হিজাব মেনে চলা হয় এবং চোখসহ সম্পূর্ণ চেহারা ঢেকে রাখা হয় তখন কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ করে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিজেদের হিজাব পরিহিত ছবি আপলোড করা নাজায়েয নয়। 

কেননা, ফকিহগণের নিকট একটি  স্বীকৃত মূলনীতি হল, লাভের চেয়ে ক্ষতি রোধের গুরুত্ব বেশি। আর একজন সচেতন মুসলিম নারী মানেই এটা বুঝতে পারার কথা যে, ইন্টারনেটে বিশেষ করে ফেসবুকে নিজেদের এ জাতীয় ছবি আপলোড করার মাঝে কোন জরুরাত কিংবা বেনেফিশিয়াল কিছু নেই। যা আছে তা হল ফিতনা এবং নিজেদের নিরাপত্তাহীনতা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
المرأةُ عورةٌ فإذا خرجتْ اسْتَشْرَفَها الشيطانُ وأقربُ ما تكونُ مِن وَجْهِ ربِّها وهي في قَعْرِ بيتها
নারী গোপনজিনিস, যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে চুপিসারে দেখে। নারী নিজ প্রভুর সবচে’ নিকটতম তখন হয় যখন সে নিজের ঘরের মাঝে লুকিয়ে থাকে। (তিরমিযি ১১৭৩)

লক্ষণীয় বিষয় হল, রাসূলুল্লাহ ﷺ উক্ত কথাটি সাহাবিদের উদ্দেশ্যে যেই সময়ে বলেছেন সেই সময়ে নিশ্চয় নারী-সাহাবিরা হিজাববিহীন বের হতেন না! সুতরাং কারো যদি নুন্যতম কমনসেন্স থেকে থাকে তাহলে তার বোঝার কথা যে, নারীদের সব ধরনের পোশাক ও সৌন্দর্য পরপুরুষের সামনে থেকে আড়ালে রাখাটাই হল মূল। তবে বিশেষ প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা। তখন ফেতনার আশঙ্কা না থাকলে সম্পূর্ণ হিজাবের সঙ্গে পরপুরুষের সামনে নিজেকে প্রকাশ করলে কোনো সমস্যা নেই।
,
★সুতরাং ফেসবুকে অশ্লীল ছবি হোক,বা শ্লীলতা অনুযায়ী ছবি হোক,নারীদের ছবি আপলোড করা সম্পুর্ণভাবে নাজায়েজ।      
,
 পুরুষদের ছবি জায়েজ পদ্ধতিতে প্রদর্শিত হলে জায়েজ আছে। তবে উত্তম নয়। বিশেষ করে সমাজের পথিকৃত যেমন উলামায়ে কেরামগণকে এ কর্ম থেকে বিরত থাকাই তাক্বওয়ার দাবী।
কিন্তু এসব ছবি প্রিন্ট করা জায়েজ নয়। [তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম-৪/১৬৪] 

আসলে বর্তমানে ছবি তোলা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। যদিও অনেক উলামায়ে কেরাম কম্পিউটার ও মোবাইল স্ক্রীণে থাকা অবস্থার ছবিকে জায়েজ বলেছেন, কিন্তু তা যে তাক্বওয়া ও পরহেযগারীর খেলাফ তাতে কারো কোন দ্বীমত নেই।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...