আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

+1 vote
1,632 views
in হজ ও উমরা (Hajj and Umrah) by (15 points)
আসসালামুয়ালাইকুম

ওমরার উদ্দেশ্য মক্কায় গিয়ে ওমরাহ পালন করার পর আবার ওমরাহ পালন করতে চাইলে কি আয়েশা মসজিদ থেকে এহরাম বেধে ওমরাহর নিয়্যাত করা যাবে নাকি আবার মিকাতের বাহিরে গিয়ে নিয়্যাত করতে হবে।

এটির বিষয়ে আমি অনেক দ্বিমত পাচ্ছি। তাই শরীয়াহ অনুযায়ী কোনটা সঠিক মত তা জানতে চাই।

1 Answer

+1 vote
by (770,460 points)
edited by
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ-


মসজিদে আয়েশা মক্কার তানঈম এলাকায় অবস্থিত। হেরেমের বাইরে এহরাম বেঁধে ওমরাহ করার এটি মক্কা থেকে সর্বাধিক নিকটবতী স্থান। মক্কা থেকে সাড়ে সাত কিলোমিটার উত্তরে মক্কা-মদিনা রোড তরীক আল হিজরতে অবস্থিত। 

এই মসজিদ থেকে ওমরার ইহরাম বাঁধা যায়। উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা রা. এখান থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা করেছিলেন। পরে সেখানে একটি বিশাল মসজিদ গড়ে উঠে। 

বিদায় হজ্জের সময় হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা রা.- কে তার ভাই হজরত আবদুর রহমান রা.-এর সঙ্গে হারামের বাইরে এখান থেকে ওমরার ইহরাম বাঁধার জন্য পাঠিয়েছিলেন। এ কারণে এখান থেকে মক্কাবাসীরা ওমরার জন্য ইহরাম বেঁধে থাকেন।

বিদেশি হাজিরাও কোন সফরের দ্বিতীয়-তৃতীয় ওমরার জন্য ওখান থেকে ওমরার ইহরাম বেঁধে থাকেন।

★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানকারীদের নারী-পুরুষ,সুস্থ অসুস্থ সবার জন্যই ওমরার ইহরাম মসজিদে আয়েশা সহ সকল হুদুদে হেরেমের শুরু সীমানা থেকে করাই যথেষ্ট।
সেই হিসেবে বিদেশি হাজিরাও কোন সফরের দ্বিতীয়-তৃতীয় ওমরার জন্য ওখান থেকে ওমরার ইহরাম বাধতে পারবেন।
,
এটিই হানাফী মাযহাবের স্কলার সহ অন্যান্য অনেক ইসলামী স্কলারদের মত। 

তবে এই ব্যাপারে কিছু ইসলামী স্কলারদের মতবিরোধ রয়েছে।  
সুতরাং তাদের মতানুসারী গন সেই মত অনুযায়ী আমল করতে পারবেন।     

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ أَهْلَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ، فَكُنْتُ مِمَّنْ تَمَتَّعَ، وَلَمْ يَسُقِ الْهَدْىَ، فَزَعَمَتْ أَنَّهَا حَاضَتْ، وَلَمْ تَطْهُرْ حَتَّى دَخَلَتْ لَيْلَةُ عَرَفَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ لَيْلَةُ عَرَفَةَ، وَإِنَّمَا كُنْتُ تَمَتَّعْتُ بِعُمْرَةٍ. فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " انْقُضِي رَأْسَكِ، وَامْتَشِطِي، وَأَمْسِكِي عَنْ عُمْرَتِكِ ". فَفَعَلْتُ، فَلَمَّا قَضَيْتُ الْحَجَّ أَمَرَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ لَيْلَةَ الْحَصْبَةِ فَأَعْمَرَنِي مِنَ التَّنْعِيمِ مَكَانَ عُمْرَتِي الَّتِي نَسَكْتُ.

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলাম। আমিও তাদেরই একজন ছিলাম যারা তামাত্তুর নিয়্যত করেছিল এবং সঙ্গে কুরবানীর পশু নেয়নি। তিনি বলেনঃ তার হায়েয শুরু হয় আর আরাফা এর রাত পর্যন্ত তিনি পাক হননি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আজ তো আরাফার রাত, আর আমি হজ্জের সঙ্গে উমরারও নিয়্যত করেছি। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ মাথার বেণী খুলে ফেল, চুল আঁচড়াও আর উমরা হতে বিরত থাক। আমি তাই করলাম। হজ্জ সমাধা করার পর আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর (রহঃ) কে ‘হাসবায়’ অবস্থানের রাতে (আমাকে উমরা করানোর) নির্দেশ দিলেন। তিনি তানঈম হতে আমাকে ‘উমরা করালেন, যেখান হতে আমি ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। (বুখারী শরীফ ৩১৬.২৯৪) (আ.প্র. ৩০৫, ই.ফা. ৩১০)

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَفْلَحَ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ وَفِي حُرُمِ الْحَجِّ وَلَيَالِي الْحَجِّ حَتَّى نَزَلْنَا بِسَرِفَ فَخَرَجَ إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ " مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ مِنْكُمْ هَدْىٌ فَأَحَبَّ أَنْ يَجْعَلَهَا عُمْرَةً فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ كَانَ مَعَهُ هَدْىٌ فَلاَ " . فَمِنْهُمُ الآخِذُ بِهَا وَالتَّارِكُ لَهَا مِمَّنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْىٌ فَأَمَّا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ مَعَهُ الْهَدْىُ وَمَعَ رِجَالٍ مِنْ أَصْحَابِهِ لَهُمْ قُوَّةٌ فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي فَقَالَ " مَا يُبْكِيكِ " . قُلْتُ سَمِعْتُ كَلاَمَكَ مَعَ أَصْحَابِكَ فَسَمِعْتُ بِالْعُمْرَةِ فَمُنِعْتُ الْعُمْرَةَ . قَالَ " وَمَا لَكِ " . قُلْتُ لاَ أُصَلِّي . قَالَ " فَلاَ يَضُرُّكِ فَكُونِي فِي حَجِّكِ فَعَسَى اللَّهُ أَنْ يَرْزُقَكِيهَا وَإِنَّمَا أَنْتِ مِنْ بَنَاتِ آدَمَ كَتَبَ اللَّهُ عَلَيْكِ مَا كَتَبَ عَلَيْهِنَّ " . قَالَتْ فَخَرَجْتُ فِي حَجَّتِي حَتَّى نَزَلْنَا مِنًى فَتَطَهَّرْتُ ثُمَّ طُفْنَا بِالْبَيْتِ وَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُحَصَّبَ فَدَعَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَقَالَ " اخْرُجْ بِأُخْتِكَ مِنَ الْحَرَمِ فَلْتُهِلَّ بِعُمْرَةٍ ثُمَّ لْتَطُفْ بِالْبَيْتِ فَإِنِّي أَنْتَظِرُكُمَا هَا هُنَا " . قَالَتْ فَخَرَجْنَا فَأَهْلَلْتُ ثُمَّ طُفْتُ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَجِئْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي مَنْزِلِهِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ فَقَالَ " هَلْ فَرَغْتِ " . قُلْتُ نَعَمْ . فَآذَنَ فِي أَصْحَابِهِ بِالرَّحِيلِ فَخَرَجَ فَمَرَّ بِالْبَيْتِ فَطَافَ بِهِ قَبْلَ صَلاَةِ الصُّبْحِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَدِينَةِ .

মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হজ্জের মাসসমূহে, হাজের (হজ্জের/হজের) সময় ও স্থানসমূহে (অথবা হাজ্জে (হজ্জে/হজে)র সময়কার বিধিনিষেধ অনুসরণ করে) এবং হাজ্জের (হজ্জের/হজের) রাতসমূহে ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা যখন সারিফ নামক স্থানে যাত্রা বিরতি করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণের নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, তোমাদের মধ্যে যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যদি চায় তবে সে এই হাজ্জকে উমরায় পরিবর্তিত করে নিক। আর যার সাথে কুরবানীর পশু (হাদী) আছে, সে যেন এরূপ না করে।

তাদের মাঝে কিছু সংখ্যক এটা গ্রহণ করল এবং কিছু সংখ্যক- যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তারা উমরাহ করল না। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার স্বচ্ছল সাহাবীগণের সঙ্গে কুরবানীর পশু ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলেন এবং আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি বললেন, তুমি কাঁদছ কেন? আমি বললাম, আমি আপনার সাহাবীগণের উদ্দেশে আপনার কথাবার্তা শুনেছি যে, আপনি উমরাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আমি তা করতে পারছি না। তিনি বললেন, কেন, তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, আমি সলাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতে পারছি না। আমার ঋতু দেখা দিয়েছে।

তিনি বললেন, এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই, তুমি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অনুষ্ঠানাদি পালন কর। আশা করি আল্লাহ তা'আলা তোমাকে উমরাহ্ পালনের সুযোগ দেবেন। তুমি আদাম (আঃ) এর কন্যাদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি তাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, তোমার জন্যও তা নির্ধারণ করেছেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, অতএব আমি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) জন্য বের হলাম। অবশেষে মিনায় অবতরণ করলাম এবং পাক হয়ে গেলাম। এরপর আমি বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাস্সাবে অবতরণ করলেন এবং আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাযিঃ) কে ডেকে বললেন, তোমার বোনকে হারাম সীমার বাইরে নিয়ে যাও, সে (সেখানে গিয়ে) উমরার জন্য ইহরাম বাঁধবে এবং বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করবে। আমি তোমাদের জন্য এখানে অপেক্ষা করব।

আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, আমরা রওনা হয়ে (তানঈম) গেলাম এবং (সেখানে) ইহরাম বাঁধলাম, অতঃপর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করলাম এবং সাফামারওয়াহ সাঈ করলাম। অতঃপর আমরা মধ্যরাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফিরে এলাম। তিনি স্বস্থানেই ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি উমরাহ সম্পাদন করে নিয়েছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি তার সাহাবীগণের রওনা হওয়ার জন্য ঘোষণা দিলেন। তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌছলেন এবং ফাজরের সলাতের পূর্বে তার তওয়াফ করলেন, অতঃপর মাদীনার উদ্দেশে রওনা হলেন। (সহীহ মুসলিম ২৮১২.ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৭৮৯, ইসলামীক সেন্টার ২৭৮৭)

অন্য এক হাদীসে আছেঃ 

يَرْحَمُكِ اللهُ مَا نَزَلَ بِكِ أَمْرٌ تَكْرَهِينَهُ إِلَّا جَعَلَ اللهُ لِلْمُسْلِمِينَ وَلَكِ فِيهِ فَرَجًا

উসাইদ ইবনু হুদাইর (রাঃ) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। আপনার নিকট অপছন্দনীয় একটি বিষয়ের উপলক্ষেই আল্লাহ মুসলমানদের জন্য এবং আপনার জন্য সহজ একটি বিধান নাযিল করেছেন।
(আবু দাউদ ৩১৭)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (770,460 points)
প্রশ্নঃ-

বর্তমানে, মক্কার মসজিদুল হারামের কাবা শরীফের মাতাফে (কাবা শরীফের খুব কাছে) শুধুমাত্র ইহরাম পরিহিত ব্যক্তিদেরই প্রবেশের অনুমতি আছে। আমি আমার উমরাহ সম্পন্ন করেছি, কিন্তু এখন আমি কাবা শরীফের কাছে নফল তাওয়াফ করতে চাই, তাই আমি কি শুধুমাত্র ইহরামের পোশাক পরে মাতাফে গিয়ে নফল তাওয়াফ করতে পারি? উমরাহর নিয়ত ছাড়া নফল তাওয়াফ পরে নফল তাওয়াফ করা কি জায়েজ?

★উত্তরঃ-

প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যখন সরকার শুধুমাত্র মুহরিম ব্যক্তিদের কাবা শরীফের কাছে তাওয়াফ করার অনুমতি দেয় এবং অন্য লোকদের কাবা শরীফের কাছে তাওয়াফ করার অনুমতি নেই, তখন শুধুমাত্র কাবা শরীফের কাছে নফল তাওয়াফ করার সুযোগ পাওয়ার জন্য ইহরামের নিয়ত ছাড়া ইহরামের পোশাক পরিধান করা অনুমতি শরীয়তে নেই।

 এভাবে তওয়াফ করা বা বাইতুল্লাহ এর কাছে অবস্থান করা বাস্তবতা ও হাকিকতের পরিপন্থী; সুতরাং, এই আমল পরিহার করা উচিত।

★কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তি ইহরামের নিয়ত ছাড়া  শুধুমাত্র ইহরামের পোশাক পরে তাওয়াফ করেন, তাহলেও সেই তাওয়াফ হয়ে হবে।
(ফতোয়া,জামিয়া ইউসুফ বিন নুরী, করাচী,পাকিস্থান। 

سوال
 آج کل بیت اللہ مسجد الحرام مکہ مکرمہ میں مطاف (بیت اللہ کے بالکل قریب ) صرف احرام پہنے لوگوں کو اندر جانے کی اجازت ہے ،میں نے اپنا عمرہ مکمل ادا کیا، لیکن اب میں نفلی طواف بیت اللہ کے قریب کرنا چاہتا ہوں،تو کیا میں صرف احرام کی چادریں پہن کر مطاف میں جاکر نفلی طواف کرسکتا ہوں؟ کیابغیر عمرہ کی نیت کے چادریں پہن کر نفلی طواف کرنا جائز ہے ؟

جواب
صورتِ مسئولہ میں جب حکومت کی طرف سے صرف احرام والے حضرات کو بیت اللہ کے قریب طواف کرنے کی اجازت ہے،اس کے علاوہ لوگوں  کو بیت اللہ کے قریب نفلی طواف کرنے کی اجازت نہیں ،تو صرف اس وجہ سے بغیرنیتِ احرام کے چادریں پہنناکہ بیت اللہ کے قریب  نفلی طواف کرسکوں ،خلافِ واقع اور حقیقت کے برخلاف ہے؛لہذا اس عمل سے اجتناب کیاجائے،لیکن اگر کوئی شخص صرف احرام کی چادرپہن کر طواف کرے گا تو طواف ہوجائے گا۔

فتاوی شامی میں ہے:

"وهو لغة: مصدر أحرم إذا دخل في حرمة لا تنتهك ورجل حرام أي محرم كذا في الصحاح، وشرعا: الدخول في حرمات مخصوصة أي التزامها غير أنه لا يتحقق شرعا إلا بالنية مع الذكر أو الخصوصية، كذا في الفتح فهما شرطان في تحققه لا جزء ماهيته كما توهمه في البحر حيث عرفه بنية النسك من الحج والعمرة من الذكر أو الخصوصية نهر والمراد بالذكر التلبية ونحوها، وبالخصوصية ما يقوم مقامها من سوق الهدي أو تقليد البدن، فلا بد من التلبية أو ما يقوم مقامها فلو نوى ولم يلب أو بالعكس لا يصير محرما."

(كتاب الحج،فصل في الإحرام وصفة المفرد،479/2،ط:سعيد)

مسلم شریف میں ہے:

"عن أبي هريرة: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من حمل علينا السلاح فليس منا، ومن غشنا فليس منا»."

(كتاب الإيمان،باب قول النبي صلى الله عليه وسلم:من غشنا فليس منا،95/1،ط:رحمانية)

تفسیر کبیر میں ہے:

" ٱلْحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَٰتٌ ۚ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ ٱلْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِى ٱلْحَجِّ ۗ وَمَا تَفْعَلُواْ مِنْ خَيْرٍۢ يَعْلَمْهُ ٱللَّهُ ۗ."(البقرة:197)

"أما الفسوق فاعلم أن الفسق والفسوق واحد وهما مصدران لفسق يفسق، وقد ذكرنا فيما قبل أن الفسوق هو الخروج عن الطاعة، واختلف المفسرون فكثير من المحققين حملوه على كل المعاصي قالوا: لأن اللفظ صالح للكل ومتناول له، والنهي عن الشيء يوجب الانتهاء عن جميع أنواعه فحمل اللفظ على بعض أنواع الفسوق تحكم من غير دليل، وهذا متأكد بقوله تعالى: ففسق عن أمر ربه وبقوله: وكره إليكم الكفر والفسوق والعصيان ."

(سورة البقرة،آيت:197، 317/5،ط:دار إحياء التراث العربي)

فقط والله أعلم

فتویٰ نمبر : 144311100937

دارالافتاء : جامعہ علوم اسلامیہ علامہ محمد یوسف بنوری ٹاؤن



আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...