0 votes
25 views
in Halal & Haram by (18 points)
আমি জানি যে হস্তমৈথুন হারাম। কিন্তু, ইদানিং একটি গ্রুপে বলা হচ্ছে এটা হারাম না। যে বলছে সে কুরআন-হাদিস ও সালাফদের বক্তব্য দিয়ে যুক্তি দিচ্ছে। কিন্তু, আমার মনে হচ্ছে অপব্যাখ্যা। এই প্রশ্নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাই বলছি, আপনারা দেখবেন হস্তমৈথুন-পর্ণ এর বিরুদ্ধে দুটি বই বের হয়েছে। একটি মুক্ত বাতাসের খোঁজে। এই নামে গ্রুপও আছে। চালায় lost modesty গ্রুপ এর লোকজন। এখানে হস্তমৈথুন ও পর্ণের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়। এটাই আসল মুক্ত বাতাসের খোঁজে গ্রুপ। আরেকটি বই wael Ibrahim এর beat it বইয়ের অনুবাদ ঘুরে দাঁড়াও।
কিন্তু, মুক্ত বাতাসের খোঁজে নামে আরেকটি গ্রুপ খোলা হয়েছে। যেখানে মেম্বার সংখ্যা কম। সেখানের admin "islamer alo”  নাম এর ফেসবুক আইডি থেকে বলা হচ্ছে হস্তমৈথুন হারাম নয়। আমি এ থেকে বেঁচে থাকতে চাচ্ছি। কিন্তু, এই আইডির লোকটি মনে হচ্ছে আরো পাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সে কুরআন-হাদীস ও সালাফদের বক্তব্যের মাধ্যমে যুক্তি দেয়। এখন হস্তমৈথুন হালাল নাকি হারাম এ ব্যাপারে সঠিক মত জানতে চাচ্ছি।

1 Answer

0 votes
by (7k points)

বিসমিহি তা'আলা

হস্তমৈথুনের নিষেধাজ্ঞা যদিও সহীহ সনদে বর্ণিত  কোনো হাদীসে সরাসরি আসেনি,তথাপিও তাকে শরীয়তের অন্যান্য দলিলপত্রাদি দ্বারা উলামাগণ হারাম সাব্যস্ত করে থাকেন।

যেমন আল্লাহ তা'আলা এক আয়াতে বিবাহবহির্ভূত এবং দাসী ব্যতীত সহবাসকে সীমালঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন।

আল্লাহ তা'আলা বলেন- 

"এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।

তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।

অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।"

সূরা-মু'মিনুন-৫-৭

বিশিষ্ট ফকিহ আল্লামা রশিদ আহমদ রাহ বলেন,

হস্তমৈথুন সম্পূর্ণ  হারাম ও নাজায়েয । তবে কেউ কেউ যেমন আল্লামা হাসক্বফী রাহ মনে করেন,যিনা-ব্যবিচার থেকে বাঁচতে কেউ হস্তমৈথুন করে ফেললে তাকে শাস্তি দেয়া হবে না।

আহসানুল ফাতাওয়া-৮/২৪৯

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!

হস্তমৈথুন হারাম ও কবিরাহ গুনাহ।

কারো বিবাহ করার সামর্থ না থাকলে(যদিও আজকাল এমন মানুষ পাওয়া দুস্কর) এবং লাগাতার রোজা রাখার পরও যদি কারো যৌনচাহিদা এমন পর্যায়ের থাকে যে, যেকোনো মুহুর্তে হারামে লিপ্ত থাকার প্রবল আশংকা থাকে, তাহলে এমতাবস্থায় কেউ কেউ অনুমতি দিয়ে থাকেন।

তাই প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে এমন কাজ সম্পাদিত না হওয়াই কাম্য।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...