0 votes
48 views
in Halal & Haram by (18 points)
আমাদের দেশে বিশেষত ঢাকার বাসগুলোয় ছাত্র-ছাত্রীদের বাস কন্ডাক্টরদের ঝামেলা হয় হাফ ভাড়া দেয়া নিয়ে? যদিও দেশের মানবরচিত সংবিধানে এটা আছে (পাকিস্তান আমলে এই নিয়ম চালু ছিল) কিন্তু, ইসলামে তাকওয়ার ভিত্তিতে কী করা উচিত? আমি আশরাফ আলী থানভী রহঃ ওনার এ বিষয়ে একটি ঘটনা জানি। ট্রেনের মাস্টার তার ছোট মালের ভাড়া না রাখতে চাইলেও তিনি দিয়েছেন। আমাদের ককী করা উচিত? বাস কন্ডাক্টর যদি স্বেচ্ছায় নিজে থেকে কম ভাড়া রাখে তাহলে সেই সুযোগ গ্রহণ করা বৈধ হবে কী? নাকি পুরো ভাড়া দিয়ে দিব?

1 Answer

0 votes
by (9.5k points)
বিসমিহি তা'আলা

সমাধানঃ-

বৈধ বিষয়ে সরকারি বিধিনিষেধ মানা সকলের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

সরকারি নিয়ম মেনেই গাড়ীর রোড পার্মিট নিতে হয়।তাই ড্রাইভারদের জন্য সরকারি নিয়মনীতি কে ফলো করাই উচিৎ। এবং অত্যাবশ্যকীয় ও বটে।

চার মাযহাব সম্বলীত সর্ব বৃহৎ ফেক্বাহী গ্রন্থ
'আল-মাওসু'আতুল ফেক্বহিয়্যায়' রয়েছে,

" ﻃﺎﻋﺔ ﺍﻟﻤﺨﻠﻮﻗﻴﻦ - ﻣﻤّﻦ ﺗﺠﺐ ﻃﺎﻋﺘﻬﻢ – ﻛﺎﻟﻮﺍﻟﺪﻳﻦ ، ﻭﺍﻟﺰّﻭﺝ ، ﻭﻭﻻﺓ ﺍﻷﻣﺮ : ﻓﺈﻥّ ﻭﺟﻮﺏ ﻃﺎﻋﺘﻬﻢ ﻣﻘﻴّﺪ ﺑﺄﻥ ﻻ ﻳﻜﻮﻥ ﻓﻲ ﻣﻌﺼﻴﺔ ، ﺇﺫ ﻻ ﻃﺎﻋﺔ ﻟﻤﺨﻠﻮﻕ ﻓﻲ ﻣﻌﺼﻴﺔ ﺍﻟﺨﺎﻟﻖ " ﺍﻧﺘﻬﻰ

যাদের আদেশ-নিষেধ এর অনুসরণ শরীয়ত কর্তৃক ওয়াজিব।যেমন-মাতাপিতা,স্বামী,সরকারী বিধিনিষেধ,এর অনুসরণ ওয়াজিব।

এ হুকুম ব্যাপক হারে প্রযোজ্য হবে না বরং ঐ সময়-ই প্রযোজ্য হবে যখন তা গুনাহের কাজ হবে না।

কেননা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত রয়েছে আল্লাহর অবাধ্যতায় কোনো মাখলুকের অনুসরণ করা যাবে না।

(২৮/৩২৭)

হাফ ভাড়া সরকার কর্তৃক নির্ধারিত।তাই ছাত্ররা হাফ ভাড়া দিবে।হ্যা কোনো ছাত্র সেচ্ছায় ফুল ভাড়া দিতে চাইলে,তা দিতেও পারবে।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ।
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...