0 votes
30 views
in কুরবানী (Slaughtering) by (12 points)
edited by

আসসালামু 'আলাইকুম। 

১। আমার একজন নিকট আত্মীয় ব্যাংকের অফিসার। আমি জানি যে, উনার উপার্জন হালাল নয়। উনার আর একটি ইনকাম সোর্স আছে কিন্তু সেটাও হয়ত সেই হারাম টাকা দিয়েই পরিচালনা করেন, আল্লাহই ভাল জানেন। উনি ও আমাদের কুরবানীর গরুতে শরীক ছিলেন, টাকা দিয়েছেন গরু কিনতে। উনার স্ত্রী একটি কলেজের শিক্ষিকা। তাই এমনটা হওয়া অসম্ভব নয় যে উনি উনার স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে গরু কিনা্র টাকায় শরীক হয়েছেন।

এই গরুর মাংস খাওয়া কি আমাদের জন্য যায়েজ হবে?

২। বলা হয় যে কারো নিকটে আলোর ব্যবস্থা থাকলে তার জন্য যায়েজ হবে না অন্ধকারে নামাজ পড়া। এটার কোনো ভিত্তি আছে কি?

1 Answer

0 votes
by (254,600 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হযরত জাবের রাযি থেকে বর্ণিত
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : ( الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ ، وَالْجَزُورُ - أي : البعير - عَنْ سَبْعَةٍ )
তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,গরু সাতজনের পক্ষ্য থেকে যথেষ্ট হবে।এবং উট ও সাতজনের পক্ষ্য থেকে যথেষ্ট হবে।(সুনানু আবি-দাউদ-২৮০৮)

وإن كان كل واحد منهم صبيا أو كان شريك السبع من يريد اللحم أو كان نصرانيا ونحو ذلك لا يجوز للآخرين أيضا كذا في السراجية.
তরজমাঃযদি সাত শরীকের সাতজনই শিশু হয়,বা একজন গোস্তের নিয়তে শরীক হয় বা একজন খৃষ্টান হয়, তাহলে অন্যান্য শরীক(যাদের নিয়্যাত কুরবানি করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন )তাদের কারো কুরবানি সহীহ হবে না, বরং সবার কুরবানি নষ্ট হয়ে যাবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া;৫/৩০৪) (শেষ)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু উনি ব্যাংক অফিসার,তাই উনার কাজের সাথে সুদের সম্পৃক্ততা থাকবেই, সুতরাং উনি যদি ব্যাংকের ঐ হারাম মাল দ্বারা কোনো কুরবানিতে শরীক হন, তাহলে উক্ত পশুতে যে বা যারা শরীক হবেন,তাদের কারোরই কুরবানি হবে না।সুতরাং ১৩ জ্বিলহজ্বের মধ্যে তাদেরকে আবার কুরবানি করতে হবে। তবে যদি উনি বলেন,যে উনি হালাল টাকা দ্বারা শরীক হয়েছে,কিংবা বলেন যে,ওয়াইফের কাছ থেকে আপাতত ঋণ নিয়ে শরীক হয়েছেন,যা পরবর্তীতে হালাল টাকা দ্বারা ওয়াইফের ঋণ পরিশোধ করা হবে, তাহলে এমতাবস্থায় সবার কুরবানি কবুল হবে।

(২)
সিজদা জায়গা দেখা না গেলে নামায পড়া মাকরুহ।তবে নামায আদায় হয়ে যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...