ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
তাজবিদের যে কায়দা সমূহ আদায় না করিলে অর্থের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে সে সমস্ত কায়দাকে শিক্ষা করা ও সেই কায়দা অনুযায়ী কুরআন তেলাওয়া করা ফরয। অন্যদিকে যে সমস্ত কায়দা-কে ফলো না করলে অর্থের মধ্যে কোনো পরিবর্তন নিয়ে আসবে না সেগুলোকে শিক্ষা করা ও সে অনুযায়ী কুরআন তেলাওয়াত করা মুস্তাহাব। এ কায়দা সমূহকে ফলো না করলে তেলাওয়াত কারী গোনাহগার হবে না।
তাজবিদ এর অর্থঃ
তাজবিদের শাব্দিক অর্থ- সুন্দর্য্য।
পরিভাষায় তাজবীদ- সিফাত আদায় পূর্বক মাখরাজ হতে হরফের উচ্ছারণকে তাজবিদ বলে। (অর্থাৎ-পরিভাষায় তাজবিদ বলা হয়,মাখরাজ হতে হরফ সমূহের উচ্ছারণ ও চিকন-গাড় স্বরের সিফাত সমূহের আদায় করণ এবং কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি ব্যতীত আওয়াজকে লম্বা করে উচ্ছারণ করণ কে)
তাজবিদ বিষয়ে পূর্ণ পাণ্ডিত্য অর্জন করা ফরযে কেফায়াহ। তথা একশ্রেণী লোক তাজবিদের বিশেষজ্ঞ হয়ে গেলে অবশিষ্ট উম্মতের পক্ষ থেকে তা আদায় হয়ে যাবে।ব্যক্তিগত ভাবে তাজবিদের সাধারণ জ্ঞান শিক্ষা সম্পর্কে মুতা'আখখিরিন উলামায়ে কেরাম বলেন, তাজবিদের এমন পরিমাণ জ্ঞান যা আদায় না করিলে অর্থ পরিবর্তন-পরিবর্ধন হয়ে যেতে পারে, এমন জ্ঞান অর্জন করা ব্যক্তিগত ভাবে প্রত্যেকের উপর ওয়াজিব।আর এমন জ্ঞান যা আদায় না করলে আপাত দৃষ্টিতে অর্থের মধ্যে কোনো প্রকার সমস্যা করবে না, বরং যা তেলাওয়াতের সুন্দর্য্য-কে বৃদ্ধি করে,সেই পরিমাণ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেকের উপর মুস্তাহাব। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-
https://www.ifatwa.info/1126
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ছোট কাফের নিকটবর্তী মাখরাজ হচ্ছে বড় ক্বাফ। ছোট কাফ দ্বারা হলে তখন অর্থ হবে, খাওয়া। আর বড় ক্বাফ দ্বারা হলে তখন অর্থ হবে, বলা। সুতরাং ছোট ক্বাফের স্থলে বড় ক্বাফ উচ্ছারণ হলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।