0 votes
11 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম। আমার আগের বিয়েটা বাতিল ধরা হয়। যেহেতু আমার স্বামী আহলে হাদিস ছিলো আর আমি লুকিয়ে বিয়ে করছিলাম।। তখন আমার স্বামী আমাকে বলছিলো তুমি কোনদিন আমার কাছে তালাক চাইলে আমাদের তালাক,আমার মুখ দিয়ে উচ্চারণ ও করতে হবেনা,আমাদের সম্পর্ক শেষ এই কথাটা বলে। এখন যেহেতু আমাদের অই বিয়েটা বাতিল এবং আমরা কিছুদিন পর আবার বিয়ে করব আমরা চাচ্ছিলাম এই শর্ত টা থেকে মুক্তি পেতে। এটা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে কি কোনভাবে?? যেহেতু অই বিয়েটা বাতিল তারমানে ও তো আমার স্বামীও ছিলোনা। তবুও কি এই শর্ত টা থেকে মুক্তি পেতে পারবনা? ও নিজেও চায় এমন শর্ত না থাকুক।

1 Answer

0 votes
by (170,760 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
https://www.ifatwa.info/15846 নং ফাতাওয়ায় আমরা বলেছিলাম যে,
পূর্বে অনেক ফাতাওয়াতে আমরা উল্লেখ করেছি যে,মাতাপিতার সম্মতি ব্যতীত কখনো কোনো মুসলমান যুবক যুবতীর জন্য কোর্ট মেরেজ করা সমীচীন হবে না,মঙ্গলজনক হবে না।মাতাপিতাকে না জানিয়ে বালিগ ছেলে মেয়ের বিবাহ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।উনেক উলামায়ে কেরাম অভিভাবকহীন বিয়েকে বাতিল বলে মনে করেন।হানাফি মাযহাব মতে কু'ফু হিসেবে ছেলেটি মেয়ের সমকক্ষ বা বেশী মর্যাদার অধীকারী হলেই কেবল বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।নতুবা মেয়ের অভিভাবকের অনুমতির উপর বিয়ে মওকুফ থাকবে।জানুন-https://www.ifatwa.info/994, কুফু সম্পর্কে জানতে https://www.ifatwa.info/780চার মাযহাবের অবস্থান দলীল সহ বিস্তারিত জানুন- https://www.ifatwa.info/1524

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন! 
উক্ত বিয়ে হবে না। কেননা বিয়ের জন্য মাযহাব পরিবর্তন করা জায়েয না। যেহেতু বিয়েই হয়নি। তাই তালাক পতিত হবে না। সুতরাং আহলে হাদীস মাযহাব মতে পূনরায় বিবাহ করা যাবে। (শেষ)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেুতু আপনাদের ঐ বিয়ে হয়নি, তাই যখন উনি স্বামী হননি, তাই উনি আপনাকে কোনো প্রকার তালাকের অধিকার দিতে পারেন না। সুতরাং আপনি তালাকের অধিকার প্রাপ্ত হবেন না।সুতরাং এই তালাকের ঝামেলা আপনাদের উপর আপতিত হচ্ছে না।  যেহেতু ঐ ছেলে আহলে হাদীসের মাসআলাকে অনুসরণ করে থাকেন, এবং আপনিও আহলে হাদীস মাযহাব কে অনুসরণ করবেন। তাই আপনাদের উচিৎ কোনো আহলে হাদীস আলেমকে উক্ত বিয়ে নিয়ে মাসআলা জিজ্ঞাসা করা। আর যদি আমাদেরকে মাসআলা জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে আমরা ফিকহে হানাফি অনুযায়ী মাসআলা বর্ণনা করবো, যা হয়তো আপনার স্বামীর মাযহাবের খেলাফ হবে। সুতরাং নিরাপদ হল, আপনারা কোনো আহলে হাদীসে আলেমকে এ বিষয়ে মাসআলা জিজ্ঞাসা করবেন। জাযাকুমুল্লাহ।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

...