ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কসম দুই প্রকারঃ (১) আল্লাহ বা তার সিফাতের উল্লেখপূর্বক কসম করা (২) আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা। আর তা হচ্ছে, শর্ত ও জাযা ।
আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা আবার দুই প্রকার। যথাঃ (১) বাপ,দাদা ও নবী এবং নামায রোযা ইত্যাদির নাম উল্লেখপূর্বক কসম করা। এটা নাজায়েয। (২) শর্ত এবং জাযা উল্লেখপূর্বক কসম করা। তা আবার দুই প্রকার, যথা- (ক) যেখানে জাযা কোনো প্রকার ইবাদত থেকে হবে, যেমন যদি আমি ঐ কাজ করি, তাহলে আমার উপর রোযা ওয়াজিব। (খ) অথবা জাযা ইবাদতের মধ্য থেকে হবে না। যেমন, আমি যদি ঐ কাজ করি তাহলে আমার স্ত্রী তালাক বা আমার গোলাম আযাদ। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3101
কসম করার পর ভঙ্গ করা অতঃপর পরপর আরো তিনবার কসম করা এবং ভঙ্গ করা। এখানে সর্বমোট ৪ টি কসমের কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1808
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
১০ জন মিসকিনের প্রত্যেককে ৪ টি ফিতরা সমপরিমাণ টাকা দিয়ে দিলে কাফফারা আদায় হয়ে যাবে।