আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
19 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (9 points)
আসসালামু আলাইকুম।  কিছুদিন আগে একটা বিষয়ে ওয়াসওয়াসায় পড়ে গেছিলাম। এবং আল্লাহর নামে কসম করে ঐ বিষয়টা পাত্তা দিবো  না বলেছিলাম কিন্তু কসম রক্ষা করতে  পারি নাই। ঐ কসমের কাফফারা আদায় করা হয় নাই। এভাবে কয়েকদিনের ব্যবধানে আরো ৩ বার একই ধরনের কসম করি এবং ৩ বারই তাও রক্ষা করতে পারি নাই। এখন আমার কয়টি কসম আদায় করতে করতে হবে?? ১ টি নাকি ৪ টি??? ১ টি হলে ১০ জন ব্যক্তিকে ১ টি ফিতরার মূল্য দেয়ার কথা জানি। কিনৃতু ৪ টি কসম ভঙ্গের কাফফারা আদায় করতে হলে যদি ১০ জন গরিবের এক একজনকে ৪ টি কসমের ৪ টি ফিতরা একত্রে করে দেয়া হয় তাহলে কাফফারা আদায় হবে??  নাকি ৪০ জন গরিবকে, ১ টি ফিতরা দিয়ে দিয়ে আদায় করতে হবে। দয়া করে বিষয়টি খোলাসা করে বুঝিয়ে দিবেন উস্তায। "জাযাকাল্লাহু খাইরান"

1 Answer

0 votes
ago by (812,460 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কসম দুই প্রকারঃ (১) আল্লাহ বা তার সিফাতের উল্লেখপূর্বক কসম করা (২) আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা। আর তা হচ্ছে, শর্ত ও জাযা ।
আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা আবার দুই প্রকার। যথাঃ (১) বাপ,দাদা ও নবী এবং নামায রোযা ইত্যাদির নাম উল্লেখপূর্বক কসম করা। এটা নাজায়েয। (২) শর্ত এবং জাযা উল্লেখপূর্বক কসম করা। তা আবার দুই প্রকার, যথা- (ক) যেখানে জাযা কোনো প্রকার ইবাদত থেকে হবে, যেমন যদি আমি ঐ কাজ করি, তাহলে আমার উপর রোযা ওয়াজিব। (খ) অথবা জাযা ইবাদতের মধ্য থেকে হবে না। যেমন, আমি যদি ঐ কাজ করি তাহলে আমার স্ত্রী তালাক বা আমার গোলাম আযাদ।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3101

কসম করার পর ভঙ্গ করা অতঃপর পরপর আরো তিনবার কসম করা এবং ভঙ্গ করা। এখানে সর্বমোট ৪ টি কসমের কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1808

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
১০ জন মিসকিনের প্রত্যেককে ৪ টি ফিতরা সমপরিমাণ টাকা দিয়ে দিলে কাফফারা আদায় হয়ে যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...