আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ
দয়া করে একটু তাড়াতাড়ি উত্তর দেবেন, মিন ফাদ্বলিক, কারণ মার্চ মাসের ১২ তারিখের মধ্যে আমাকে অ্যাডমিশন নিতে হবে।
ইসলামে জ্ঞান অর্জন করার কথা বলা হয়েছে , সেটা কোন রকমের জ্ঞান? আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাবি জ্ঞানটাকে একরকম হলো ইসলামিক শিক্ষা কোরআন তিলাওয়াত থেকে শুরু করে ইসলামী সমস্ত রকম তরিকা সমস্ত কিছু হাদিস এ সমস্ত কিছু জানা টাকে আমরা ইসলামিক জ্ঞান হিসেবে ধরি। আর দ্বিতীয় দুনিয়াবী জগতের শিক্ষা, একজন ডাক্তার হতে গেলে যেমন তাকে পড়াশোনা করতে হয়, এমবিবিএস এটা এক রকমের শিক্ষা। ইসলামে কিরকম শিক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে বা জ্ঞান অর্জন করার কথা বলা হয়েছে, ইসলামিক জ্ঞান নাকি সমস্ত রকম দুনিয়াবি এবং দিনের সমস্ত রকম জ্ঞান নেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
যদি দুই রকমই জ্ঞান নেওয়ার জন্য বলা হয়ে থাকে তো আজকালকার সময়ে শিক্ষা যে রকম ভাবে দেওয়া হয়, স্কুল বা কলেজে বা ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে শিক্ষা অর্জন করতে হয়। তো ওখানে এখনকার সময় অনুযায়ী ছেলে মেয়ে সমস্ত কিছুর ব্যবস্থাপনা একসাথে । একসাথেই ছেলেমেয়েদেরকে একটি ক্লাস রুমের মধ্যে শিক্ষা দেয়া হয়। তো এরকম জায়গায় গিয়ে কী একজন মেয়ের শিক্ষা অর্জন করা যাবে?
আর একজন মেয়ে কি একজন মাহরাম পুরুষ ছাড়া বাড়ির বাইরে বার হতে পারে। আমি একজন মেয়ে আমি এটা প্রশ্ন করছি কারণ আমি ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হব তো আমার বাড়ি থেকে ইউনিভার্সিটির দূরত্ব অনেকটা, বাড়ি থেকে যাতায়াত করা সম্ভব হবে না। আমাকে ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতে হলে ওখানে রুম নিয়ে থাকতে হবে। তো, ওখানে আমার বাড়ির কোন মানুষ আমার যে মেহেরাম পুরুষ আছে আমার বাবা বা ভাই কেউ গিয়ে থাকতে পারবে না তো এটা কি পড়াশোনার ক্ষেত্রে জায়েজ হবে?
যদি আমি আমার পর্দা বজায় রেখে জীবন যাপন করি বা পড়াশোনা করি আর পুরুষদের সাথে ইন্টার‍্যাকশন থেকে বিরত থাকি তাহলে এইভাবে কি শিক্ষা নেওয়া যাবে? কারণ আমাদের দেশে (ভারতে) কোনরকম শিক্ষা ব্যবস্থায় এরকম নয় যে মেয়েদের পর্দার ব্যাপারটা মেনটেইন করা হয়েছে। সমস্ত জায়গায় ছেলে মেয়ে একসাথে, কোন কোন জায়গায় মেয়েদের জন্য আলাদাভাবে স্কুল বা ইউনিভার্সিটির কলেজ করা থাকলেও সেখানে পুরুষ শিক্ষক দিয়ে পড়ানো হয়। আমাদের দেশে এরকম আলাদাভাবে কোন রকম ব্যবস্থাপনা করা নেই তো এই ক্ষেত্রে আমরা মেয়েরা তাহলে কিভাবে শিক্ষা নেব?
জাযাকাল্লাহু খায়রান