ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
ইসলামী আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ পৃষ্ঠা-২০৮
মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দিন (হানাফী) যে বলেছেন - আমিন বলে মোনাজাত শেষ করার নিয়ম। কালিমা পড়তে পড়তে শেষ করা যাবে না। এটা বিদআত। তবে কেউ অজ্ঞতাবশত করে নিলে গোনাহ হবে না।
(২)
হ্যা, মোনাজাত শেষে নাকি হাত ছেড়ে দিতে হবে। মুখে বুলানো যাবে না। কেউ করে নিলে গোনাহ হবে না। তবে জরুরী মনে করা বিদাত হিসেবে বিবেচিত হবে।
(৩)
যোহরের নামাযে শেষের ২ রাকাত নফল নামাজ না পড়লে গুনাহ হবে। বিশেষ জরুরতে ত্যাগ করলে তখন গোনাহ হবে না।
(৪) বাসার অন্যান্য জিনিসপত্র পরিষ্কার করার কাজে যে শুকনা কাপড় ব্যবহার করা হয় ধুলাবালি মুচার জন্য সেই কাপড় দিয়ে কি কুরআন , তাফসীর পরিষ্কার করা আদবের খেলাফ।বরং এর জন্য আলাদা পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করাই উচিত।
(৫) কুরআনের উপর কাপড়ের কভার কে আলাদাভাবে পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করা উচিত। অন্যান্য কাপড়ের সাথে একই বালতিতে পানিতে পরিষ্কার করা গেলেও উত্তম হল, পৃথকভাবে ধৌত করা।
(৬) অনিচ্ছায় খাবার নষ্ট হলে গোনাহ হবে না। তবে এক্ষেত্রে সদাসর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে।
(৭) এক্ষেত্রে তাদের আগে ব্যক্তিগত ভাবে হজ্জ করা উচিত। তবে উমরাহ করে নিলে এবং হজ্ব করার পূর্বে মারা গেলে যদি অন্তরে হজ্ব করার দৃঢ় ইচ্ছা থাকে, তাহলে গোনাহ হবে না।
(৮) নামাজরত অবস্থায় পিরিয়ড হয়েছে বুঝতে পারলে তৎক্ষণাৎ নামাজ ভেঙে ফেলতে হবে। তারপর চেক করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবর।
(৯) পিরিয়ডের কারণে রমজানে যেগুলো রোজা বাদ যায় সেই রোজাগুলো কাযা করার আগেই যদি মৃত্যুবরণ হয় তাহলে গুনাহ হবে না। এক্ষেত্রে মাইয়াতের এই কাযা রোজার ফিদিয়া আদায় করতে হবে। যদিও সে অসিয়ত করে না যাক।
(১০) পিরিয়ড অবস্থায় যদি অজু করলে সেটারও কিছু ফযিলত অর্জন হবে।
পিরিয়ড অবস্থায় ভুল করে নামাজ পড়ে ফেললে নামাজের মাঝে মনে পড়লে যে পিরিয়ড হয়েছে, সাথে সাথেই নামায ভঙ্গ করতে হবে। এতে গুনাহ হবে না। পিরিয়ড অবস্থায় শুধু রেহাল ধরে কুরআন সরালে গুনাহ হবে না।