আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
24 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম শায়েখ, ইচ্ছা শব্দ দিয়ে কথার মাধ্যমে শিরক হয় এইটা আমি এক যাগায় পরেছি ,আমার প্রশ্ন:-

১"আল্লাহ যা চান অতপর আপনি যা চান " এভাবে বললেও কি শিরক হবে শায়েখ? অথবা, "আল্লাহ যা চান অতপর অমুকে যা চায়" । অতপর শব্দ ব্যবহার করতে হবে নাকি অন্য কোনভাবে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে বলতে হবে। কারো খোজ খবর নিতে শিরক মুক্তভাবে কিভাবে জিজ্ঞাসা করতে হবে, আর কেউ জিজ্ঞাসা করলে যে কেমন আছি কিভাবে বললে শিরক হবে না।

২, আমাকে কয়েকজনের সাথে একত্রে কাজ করতে হয়, পাইপের কাজ করি, পাইপ কাটার জন্য মাপ পরিমাপ করতে হয় সাথের লোকদের সাথে, কাজ নিয়ে অনেক আলোচনাই করা লাগে। পরামর্শ করা লাগে উনাদের সাথে, হয়ত আমি একভাবে বললাম যে এভাবে কাজটা করি আবার অন্য কেউ তার পরামর্শের কথা বলে, এরমাজে শায়েখ উনি নিয়ত করলেন কিভাবে তিনি কাজটা করতে চান এবং পাশাপাশি সে তার নিয়তের কথা বললেন আমাকে, তখন আমার বলা কথা যেমন" ঠিক আছে ভাই করেন আপনার যেভাবে ইচ্ছা বা যেভাবে আপনার ভাল লাগে " উনাকে এভাবে বলাতে কি শিরক হবে? শায়েখ উনার পরামর্শ বা উনার নিয়ত মত উনি কাজ করতে চাইলে উনাকে আমি কিভাবে কথা বললে বা সম্মতি প্রকাশ করলে শিরক হবে না? আবার অনেক সময় পাইপের মাপ পরিমাপ করতে হয় তখন হয়ত আমি বলি ৫ মিটার ৪০ সেনটিমিটার নেই মাপ পাইপের, তখন উনি হয়ত বলেন না ৫ মিটার ৩৫ সেনটিমিটার নেই মাপ পাইপের, তখন তার কথা সম্মতি দিতে আমি উনাকে কিভাবে বলব যেহেতু উনি উনার ইচ্ছার কথা বা উনি নিয়ত করেছেন উনি কতটুকু মাপের পাইপ কাটবেন বললেন।

৩,আমার জানা অতি জরুরি যে, ইচ্ছা শব্দ দিয়ে কখন শিরক হতে পারে।
৪,কাউকে যদি বলা হয় আপনার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে করেন অথবা আপনার যেভাবে ভাল লাগে সেভাবে করেন। কাজের কথা বুজাতে এই ইচ্ছা শব্দ ব্যবহার করলে কি শিরক হবে?
৪,আমি মনে প্রানে মানি যে সকল কিছুই আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়।
৫,শুধু কাজ কিভাবে করবে, উনি উনার নিয়তের কথা বললে তাকে কিভাবে সম্মতি অথবা অসম্মতি জানালে শিরক হবে না এইটা জানাবেন শায়েখ।

1 Answer

0 votes
ago by (807,660 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।

⤵⤵⤵⤵⤵
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন
⤵ গ্রুপ লিংক:
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...