আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
3 views
ago in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (5 points)
edited ago by
গত ৬ বছর আগে আমি সহ আমার সাথে আরো ৪ জন বালেগ ছেলে বন্ধু ছিলো গাড়িতে,গাড়িটি তখন চলমান ছিলো,মানে গাড়িটি চলতাছিলো।

সাথে একজন মেয়ে ছিলো।

তো আমি ঐ মেয়েকে উপস্থিত সবার সবার সামনে বিবাহের প্রস্তাব দেই এই বলে যে: তুমিকি আমাকে বিয়ে করতে চাও/বসতে চাও? চাইলে কবুল বলো পরে সে রাজি হয়ে বলছে কবুল।পরে বলছি আমার কাছেতো বেশি টাকা নাই,দেনমোহর এই নাও ৫ টাকা,,তোমার হবে? পরে বলছে না দিলেও হবে।তো উপস্থিত সবায়ই তখন এগুলা শুনছে।মানে আমি প্রস্তাব করেছি,আর সে সেটা গ্রহন করেছে।

এরপর মাজে মাজে অতিরিক্ত রাগে সরাসরি তালাক না বলে,ছেড়ে দিলাম,তোর সাথে থাকবোনা,তোকে মুক্ত করে দিলাম,তাহলে তোমার জীবন তোমার মতো আমারটা আমার মতো, তুমিও আমাকে খুজবানা,আমিও তোমাকে আর খুজবোনা।এমন ধরনের কথা বলতাম।

তখন আমি কেনায়া শব্দ সম্পর্কে,এগুলা কি  জানতাম না,আমি ভাবতাম তালাক বল্লেই তালাক হবে,এছাড়া তালাক হয়না।তাই বার বার এগুলা রাগে বলতাম ,মনে মনে তাকে ছেড়ে দেওয়ার নিয়তই থাকতো মানে আর তার সাথে থাকবোনা,তার থেকে মন উঠায় নিতাম,তাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো,,তবে ,আমার কথা শুনলে আবার গ্রহন করবো,,তো পরে আবার ঝগড়া মিটমাট হলে তার সাথে ভালোভাবে কথা বলতাম।বিষয়টা হলো কখনো রাগে পৃথক হওয়ার জন্য বলতাম,কখনো ধকম হিসাবে বলতাম,মানে এ কথা গুলা একেক সময় একেক উদ্দেশ্য বলতাম।কিন্তু তালাক বলতাম না। তথাকথিত বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ডরা রাগ করলে যেমন করে,,,

আমি জানতাম তালাক বল্লেই তালাক হ,এ ছাড়া দুনিয়ার আর কোনো কথা বল্লেহ তালাক হয়না।

এরমাজে তার সাথে আমার কয়েকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে,আবার ঝগড়াও হয়েছে,কেনায়া শব্দ বলেছি ,আবার আমরা ভালোভাবে কথাও বলেছি,আমি তখন এগুলা বিয়ে হয়েছে মনে করেই করতাম,,এরপর যখন কেনায়া শব্দ সম্পর্কে জানি তখন আমি আর কেনায়া শব্দও ব্যবহার করতাম না,ভাবতাম এখন যেহেতু জেনেছি তাহলে কেনায়া শব্দ বল্লেহ যদি তালাক হয়ে যায়,তাহলে আর বলা যাবেনা।

ভাবতাম যদিও সন্দেহ বশত ২ তালাক হয়েও থাকে,তাহলে আর একবার চান্স আছে,

কিন্তু তো গতো ২ বছর আগে সে বলে এ বিয়ে নাকি হয়নি,কারম দেখালো যে:আমার বুজ শক্তি ছিলোনা,আমার বয়স কম ছিলো,তাই তখন না বুজে আমি এগুলা বলছি।বিয়ের প্রতি আগ্রহ ছিলো,কিন্তু বুজার বয়স হয়নি(তখন তার বয়স ছিলো ১৪/১৫) তাই আমিও ধরে নিয়ে ছিলাম হয়নি,পরে আমি তাকে অনেকবার ছেড়ে দিলাম,থাকবোনা তোমার সাথে,মানে পৃথক থাকা বুজায় এমন শব্দ বলতাম,তোমার সাথে সম্পর্ক রাখতে চাইনা,মুক্ত করে দিলাম এমন শব্দ বলতাম।ভাবতাম বিয়ে হয়নাই যেহেতু তাহলে এগুলা রাগে বল্লেহ আর সমস্যা কি।সরাসরি তালাক না বলে,তবে নিয়ত থাকতো মাজে মাজে যে কথা যেহেতু শুনতাছেনা,তাহলে তাকে ছাড়া আমি যতদিন পারি থাকমু।কয়েকদিন আগেও ঝগড়া লেগে বলছিলাম,তুমি তোমার মতো,আমি আমার মতো।তোমার জীবন তুমি উপভোগ করো,আমি থাকতে চাইনা আর।

★আসলে প্রথম জানতাম না কেনায়া শব্দ কি,তখন আমি এগুলা বলতাম,তবে কখনোই তাকে ছাড়া থাকতে বা চলতে পারবো সে আশা নিয়ে বলতাম না,এগুলা রাগে বলতাম,আমার কথা মানার জন্য বলতাম,তার কার্যকালাপ পছন্দ হতোনা বলে বলতাম।

তো মেইন বিষয়টা হলো আমরা এটাকে বিয়ে মনে করতাম সন্দেহজনিত ভাবে,তারপর আবার সে বলছিলো বিয়ে হয়নাই,পরে আবার বিয়ে মানতাম না।এমন ভাবে এখনও আমাদের সম্পর্ক চলছে।আমি তাকেই বিয়ে করতে চাই,তো সেকি আমার জন্য হারাম হয়ে গেছে এতোবার কেনায়া শব্দ ব্যবহার করে আবার গ্রহনও করে? কারন একজনকেতো ৩ বার গ্রহন করা যায়,,তো আমিতো তাকে অগনিতভাবে ছেড়ে দেয়েছি আবার কয়েকদিন পর কথা বলেছি।তো এগুলা করার কারনেকি সে আমার জন্য হারাম হয়ে গেছে?

এমতাবস্থায় আমার করনীয় কি?

★ আমাদের বিয়েটাকি হয়েছে?
★গাড়ি চলা অবস্থায় বিয়ে করলেকি বিয়ে হয়?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...