আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
8 views
ago in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম হুজুর
আমার স্বামী তার রাগের সময় আমাকে  হুবুহু এই কথা বলেছিলো মেসেজে  যে - "তোমার যদি মনে হইয়া থাকে তোমার বান্ধবীরা ঠিক ,আমি তোমাকে ভালোবাসি না, কেয়ার করি না, প্রোটেক্টিভ না তোমার জন্য তুমি আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিবা, Soon।"

এর বিপরীতে আমি তাকে উত্তর দিয়েছিলাম:

"এর থেকে আমার মৃত্যু ভালো।আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি অনেক বেশি সারাজীবন বাসবো এই কালেও ওই কালেও"

স্বামী (পুনরায় জোর দিয়ে)বলে:

"যেটা বলছি সেটাই করবা, যদি বিন্দু মাত্র মনে হইয়া থাকে।"

 এরপর আমি আর কিছু বলিনি তাকে এই বিষয়ে।
তারপর অন্য বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে আমাদের মধ্যে।

 আমার  কখনো তাকে তালাক দেওয়ার বা নিজে তালাক প্রদানের ক্ষমতা লাভ করার নিয়ত নাই এবং ছিলো না

প্রশ্ন :

১. স্বামীর এমন কথায় যেখানে তিনি আমাকে বলেছেন "তুমি আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিবা" এই কথায় কি ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক স্ত্রীর কাছে তালাক প্রদানের কোনো অধিকার বা 'তাফউইজে তালাক'  হস্তান্তরিত  হয়েছে? যেখানে স্ত্রী তার  স্বামীর কথার উত্তরে বলেছিলো " এর থেকে আমার মৃত্যু ভালো"  কিন্তু স্বামীর পরবর্তী কথা  - "যেটা বলছি সেটাই করবা, যদি বিন্দু মাত্র মনে হইয়া থাকে " এর কোনো উত্তর দেয়নি স্ত্রী।
২. এই কথাগুলা বলার পর যদি দুই মাস অতিবাহিত হয়ে যায় এবং এর মধ্যে দাম্পত্য জীবন স্বাভাবিক থাকে, তবে কি দুই মাস পরেও সেই কথার ওপর ভিত্তি করে স্ত্রীর তালাক দেওয়ার কোনো শরয়ি অধিকার অবশিষ্ট থাকে?
৩.  স্বামীর বলা "তুমি আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিবা, Soon", "যেটা বলছি সেটাই করবা", এমন ভবিষ্যৎ কালের শব্দ ব্যবহারের ফলে স্ত্রী কি চিরস্থায়ী ভাবে তালাক প্রদানের অধিকার পায় নাকি ঐ অধিকার ঐ সময়েই শেষ হয়ে গেছে?

1 Answer

0 votes
ago by (763,260 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলিমকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনে আসা  কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলমে জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাসলা মাসায়েল বা ফতোয়ার প্রশ্নের উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। 

বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত শয়তান ও জ্বীন থেকে হয়,যার জন্য রুকইয়াহ প্রয়োজন।  রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য ক্লিক করুন 

রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন 
⤵ গ্রুপ লিংক:
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...