আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
52 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (5 points)
বরাবর
মুহতাহরাম মুফতি সাহেব
দারুল ইফতা
বিষয় :হুরমতে মুসাহারাত
নাম:প্রকাশে অনিচ্ছুক
আসসালামু আলাইকুম। সম্মানিত মুফতি সাহেবগন।হুরমতের ফতোয়া টা পুর্বে একবার নেয়া হয়েছিল।কিন্তু যে ঘটনাটা ঘটিয়ে ছিল তার মানসিক রুগ ছিল সেটা ভালো মতো তার হালত বর্ননা করা হয় নাই তাই ফতোয়া পরিবর্তন হতে পারে আশংকা থেকে নতুন তথ্য দিয়ে পুনরায় প্রশ্ন করা।দয়া করে পুরাটা বিষয় পরে একবার ফতোয়াটা দিবেন হয়তো ফতোয়া পাল্টাতেও পারে নাও পালাটাতে পারে।
একজন মেয়ের বিয়ে হয় ২০২০সালের নভেম্বর মাসে তার আপন চাচাতো ভাইয়ের সাথে।কিন্তু তাদের বিয়ের ১বছর বা দেড় বছর পুর্বে  আনুমানিক ২০১৯এর প্রথম দিকে মেয়েটির শশুড় সম্পুর্ন মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে একেবারে পাগল হয়ে গিয়েছিল।এরপর চিকিৎসা করান হলে তার মানসিক ভারসাম্য ফিরে আসে।কিন্তু মানসিক রুগের জন্য অসুধ খেতে নিয়মিত ।মেয়েটি বিয়ের পর যখন ২০২১সাল তার শশুড় বাড়িতে যায়।তখনও তার শশুড় মানসিক রুগের অসুধ খেত কিন্তু সে তখন পাগল ছিল না তার মানসিক ভারসাম্য ছিল।সে ভালো মন্দ সবই বুজত ।সে তখন একটি গাড়ির ড্রাইভারির কাজ করত।কিন্তু তখন সেই শশুড় তার বউকে মানে মেয়েটির শাশুড়ীকে  সন্দেহ করত যে তার বউ কুন ছেলের সাথে পরকিয়া করে কিনা বা তাকে রেখে চলে যাবে কিনা।এমন নাকি পাগল হওয়ার পর থেকেই এই সন্দেহ করে এর আগে কুনদিনও সন্দেহ করত না।এমনকি  সে তার বড় মেয়েকেও পছন্দ করত না।পাগল হয়ে তার বড় মেয়েকে অনেক মারধর করত।সুস্থ হওয়ার পরও তার বড়  মেয়েকে দেখতে পারত না।এমনকি বড় মেয়ের ছেলে মেয়েকে কিছু কিনে দিলে মাজে মাজে হিংসা করত তবে সব সময় হিংসা করত না।আর বড় মেয়েকে যে একেবারেই দেখতে পারত না এমনটা নয়।।একদিন মেয়েটির হাসব্যান্ড সেকেন্ড হ্যান্ড মুবাইল এক প্রতিবেশির কাছে থেকে কিনেছিল পরে পুলিশ ট্র‍্যাকিং করে জিগাসাবাদ করতে আসে পরে সে প্রতিবেশির বাড়ি চিনাতে মেয়েটির শাশুড়ী ও হাসব্যান্ড প্রতিবেশির বাড়িতে যায়।হাসব্যান্ডকে পুলিশে ধরে নিয়ে যাবে এমন একটা অবস্থা।এদিকে সেই শশুড় তার স্ত্রী মানে মেয়েটির শাশুড়ী ভাত কেন দিয়ে গেল না তাই সে চেচিয়ে বলে আমাকে এখন ভাত কেন দিয়ে গেল না?সে রাগারাগি করতে থাকে তবে পাগলামি পর্যায়ের রাগারাগি নয়।তবে এখানে একটা বিষয় যেহেতু শশুর ২০১৯সাল থেকে মাথায় সমস্যার জন্য অসুধ খাওয়া শুরু হয় তাই ২০২১সালে মানে মেয়েটির বিয়ের পর কিনপ্টামি করে টাকার জন্য দুই একটা অসধ কখন বাদ দিয়েছে কিনা আমি জানিনা।তবে অসুধ চলত এতটুকু জানি।এভাবে দিন যাচ্ছিল একদিন ২০২১সালের আগষ্ট মাসের দিকে মেয়েটির শাশুড়ী তার ছেলের বউ ও শশুড়কে রেখে বাজারে যায়।মেয়েটি আর তার শশুড় ঘড়ে বসে বেলুন দিয়ে রুটি বানাচ্ছিল আর শশুড় পাশে বসে ভান্ডারি গান শুনতাছিল।সেদিন বাড়িতে কেউ ছিল না তারা দুজন একা ঘড়ে ছিল।ভালোই বসে বসে গল্প করতাছিল।মেয়েটি বলে এইসব ভান্ডারি গান কেন শুনেন।শশুড় ভালো কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে বলতে শুরু করে স্ত্রীও অনেক সময় মা হয়ে যায় তুমি চাইলে তুমার দুধ আমাকে খাওয়াতে পার।এই কথা শুনে মেয়েটি লজ্জা পেয়ে কি করবে বুজতে পারতাছিনা  এখন রুটি বানান রেখে ঘড় থেকে চলেও আসতে পারতাছিল না।পরে শশুড় জিগাস করে এই কথা বলাতে আবার মাইন্ড করলা নাকি?এইসব কথা আবার কাউরে বইল না।এরপর সে আরও কি কি কথা বলে নাই।তাবে শশুড়কে জিগাস করছিলাম আর কুন খারাপ কথা বলেছিল কিনা সে বলেছে না বলি নাই।ত এক পর্যায়্র সে বাবা মেয়েকে কিভাবে চুমা দিবে সেটা দেখাতে নাকি হাসব্যান্ড কাজে যাওয়ার আগে মেয়েটি তার স্বামীকে কিভাবে  চুমা দিবে সেটা দেখাতে  নাকি কি দেখানোর উদ্দেশ্য এক্সাট কারন্টা মনে নাই তার কপালে, ও ঠুটে চুম্মন করে।তবে এতটুকু মনে পড়ে যে শশুড় বলেছিল আজকে তুমার জামাই কাজে গেল না এই কথাটা বলেছিল আমার যতটুকু ধারনা সে জামাইকে কিভাবে চুমা দিবে সেটা দেখাতেই হয়ত এই কাজ করেছিল।যদিও আমার একদমই মনে নাই কি দেখানোর উদ্দেশ্য চুমা দিয়েছিল এইটা একটা ধারনা আরকি।গালেও চুমা দিয়েছিল কিনা মনে নাই।ঠুটে চুমাটা পুরুষ উত্তেজিত হয়ে যেভাবে দেয় সেভাবে চুমা দেয় নাই।মানে শশুড় যখন ঠুটে চুমা দেওয়ার জন্য ঠুটের সাথে ঠুট স্পর্শ করায় তখন দুই ঠুট স্পর্শ হওয়ার সাথে সাথে মেয়েটি মুখ সরিয়ে নেয়।মানে দুইজনের ঠুটের সাথে ঠুট হ স্পর্শ হয়েছে  কিন্তু সাথে সাথে মেয়েটি মুখ সরিয়ে নেয়।শশুড় বিশ্বাস করে  যে মেয়ের মা বাড়িতে না থাকলে বাবাকে মেয়ে দুধ খাওয়ালে নাকি আল্লাহ খুশি। এরপর শশুর ও আর কিছু করার জন্য  জুর করে নাই।এরপর শশুড় বলে কি ঠুটে চুমা দেওয়ার সময় মুখটা সরায়া নিলা কেন?দেখনা টিভিতে নাটকে মেয়েদের চুম্মায় আরও অনেক কিছু আছে।এরপর মেয়েটি তার হাসব্যান্ড বাড়িতে  আসলে এই কথা জানাতে তার বাবাকে ধরলে বলে আমি বদ নিয়তে দেই নাই পরে ছেলেটি তার বাবার কথা বিশ্বাস করে ছেলের বউও এইসব নিয়ে আর মাথা ঘামায় না।।কিন্তু  এইসব কথা মেয়েটির বাবার বাড়িতে জানালে সেখানে শশুড়কে চরম অপমান করা হয়।সে বলে আমি মেয়ে হিসাবে দিয়েছি।বাবা কি মেয়েকে চুমা দিতে পারে না।পরে তাকে বলা হয় দুধ খাওয়ানুর কথা কেন বল্ল সে বলে আমি মা হিসাবে দুধ খাওয়াতে পারে এজন্য বলেছি।
এরপর ২০২২সালে হুরমতের মাসালা জানার পর মেয়েটি শশুড়কে কল করে জিগাস করে তার উত্তেজনা ছিল কিনা চুমা দেওয়ার সময়। শশুড় বলে না আমার কুন উত্তেজিনা ছিল না।একটা স্বইচ্ছা আরেকটা হইল জুর কইরা।আমার ঘড়ে বউ থাকতে কেন আমার উত্তেজনা আসব। এমিন কিছু হইলেত আমি তুমারে সত্তিই সত্তিই ধরতাম।তুমি আমার ছেলেরে ভালোবাস না?তাহলে আমার ছেলে দেশে আসলে তারেও তুমি ধইরা দুধ খাওয়াইবা। এতে সেক্স পাওয়ার বাড়ব।তার শরির ভালো থাকব।সে আবার বলে আমি যে এই কথা কইছি এই কথা কখন আমার ছেলেরে বইল না।সে বলে তুমি মা বাড়িতে না থাকলে তুমার বাবারে দুধ খাওয়াইলা এতে আল্লাহ খুশি।সে বলে আমার মা আমাকে এইসব শিখাইছে।দেখ না আমার শরির কত ভালো। সে বলে মারফতি নিয়ম বড় কঠিন।যদি মাইনা চল।সে বলে আমাকে এই  চুমা দেয়ায়ার কাজেত জন্য যে অপমান করা হয়েছিল আমিত তা জীবনেও ভুলব না।মেয়েটি বলে আপনার উত্তেজনা ছিল নাকি ছিল না সেটা বলেন।সে আবার বলে তুমাকে কি তুমার কুন বান্ধবিরা এইসব শিখায়া দিতাছে নাকি খবরতদার কাউরে এইসব বইল না।সে ভান্ডারি বাবার ভক্ত এবং কিসব মারফতি নিয়ম মেনে চলে মাজারে মাজারে ঘুরে এগুলা সে পাগল হওয়াত আগে থেকেই করত এবং মাজারের লুকেদের অনেক ভ্রান্ত  আকিদা সে পোষন করে।
এখন এখানে হুজুর সে যখন এই চুমা দিয়েছিল তখনও সে মানসিক রুগের অসুধ খাইত ।সে অইজে তার স্ত্রীকে অহেতুক সন্দেহ করত পাগল হওয়ার পর থেকে এবং বড় মেয়ে ও নাতিকে দেখতে পারত না তবে দেখতে বা পারাটা আক্রমনাত্মক পর্যায়ের ছিল না।হয়তো এর পিছনে পারিবারিক অন্য কারন থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে বা মানসিক রুগের একটা লক্ষনও হতে পারে।আবার ছেলেকে পুলিশে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ভাতের জন্য কান্ডজ্ঞানহীনের মতো এমন আচরন করা, এবং সে যে বলেছিল বাবা তার মেয়েকে দুধ খাওয়ালে আল্লাহ খুশি এইগুলা কি সে তার মানসিক রুগের জন্য বলত নাকি লুচ্চামি করে এইসব মিথ্যা কথা বলে নাকি সে অই মাজারের ভন্ডদের কাছ থেকে শুনে এইসব ভুল আকিদা পোষন করে  এইসব বলে আমরা জানিনা।সে কি দেখানোর জন্য চুমা দিয়েছিল সেটাওত ভুলে গেছি।সে যেহেতু বিশ্বাস করে বাবা মেয়েকে দুধ খাওয়ালে আল্লাহ খুশি তাই শশুড়ও বাবার মত তাই স্ত্রী বাড়িতে না থাকাতে ছেলের বউ মেয়ের মতো তাই তাকেও চুমা দেয়া যাবে সেটা মানসিক রুগের জন্য হালাল ভেবে ভালো কাজ মনে এই কাজ করেছে  নাকি বাবা মেয়েকে কিভাবে চুমা দিবে সেটা দেখাতে মানসিক রুগের জন্য ঠুটে চুমা দেওয়া যে খারাপ সে  ও অশ্লিল সেটা না বুজে এমন কাজ করেছিল নাকি ভন্ডামি করে বদ মতলব নিয়া এসব করেছে বুজতাছিনা।মানে বর্ননা পড়ে কি মনে হয় সে সেচ্ছায় সজ্ঞানে এমন কাজ করেছিল?এখানে কি হুরমত সাব্যস্ত হয়েছে নাকি হয় নাই?

1 Answer

0 votes
by (762,630 points)
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا " إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا "

 তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
অতীব জরুরী ও সাধারণ মাস'আলা মাসাঈল আয়ত্বে না থাকার কারণে দৈনন্দিন জীবনে দ্বীন-ইসলাম পালন করতে, যে সমস্ত দ্বীনি ভাই-বোন থমকে দাড়ান,এবং যাদের দ্বীনি ইলম অর্জনের কাছাকাছি কোনো নির্ভরযোগ্য মাধ্যম নেই, মূলত তাদেরকে দিকনির্দেশনা দিতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস .....

মুহতারাম/মুহতারামাহ!
দ্বীনের পরিধি অনেক ব্যাপক, সকল বিষয়ে আলোচনা করা বা দিকনির্দেশনা দেওয়া স্বল্প পরিসরের এই ভার্চুয়ালি মাধ্যম দ্বারা আমাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে। চেষ্টা করলেও প্রশ্নকারীর পিপাসা মিটানো সম্ভব হবে না। প্রত্যেক বিষয়ে আমরা শুধুমাত্র সামান্য আলোকপাত করে থাকি।

উপরোক্ত প্রশ্নটির উত্তরের জন্য আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট উলামায় কেরামের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা আপনার জন্য কল্যাণকর হবে বলেই আমাদের ধারণা।

তাছাড়া ইলম অর্জনের জন্য সফর করা অত্যান্ত  জরুরী। এবং কষ্ট করে ইলম অর্জন করাই আমাদের  আকাবির আসলাফদের রীতি ও নীতি। এদিকেই কুরআনের এই আয়াত ইঙ্গিত দিচ্ছে,
 ۚفَلَوْلَا نَفَرَ مِن كُلِّ فِرْقَةٍ مِّنْهُمْ طَائِفَةٌ لِّيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ
তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্ব-জাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।(সূরা তাওবাহ-১২২)

সুতরাং আপনাকে বলবো, আপনি বিস্তারিত জানতে স্ব-শরীরে কোনো দারুল ইফতায় যোগাযোগ করবেন।
প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।আল্লাহ তা'আলা আপনার ইলম অর্জনের স্পৃহাকে আরো বাড়িয়ে দিক, আমীন।

প্রত্যেকটা বিষয়ের সাথে নিম্নের হাদীসকে লক্ষ্য রাখবেন।
হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।
ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ 
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি।তিনি বলেন,সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো।(সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...