ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হারাম টাকার বিধান হল, তা প্রাথমিকভাবে মূল মালিকের কাছে ফেরত দেয়া।নতুবা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া গরীবদের মাঝে সদকা করে দেয়া।
من ملك بملك خبيث ولم يمكنه الرد الى المالك فسبيله التصدق على الفقراء
যদি কারো নিকট কোনো হারাম মাল থাকে,তাহলে সে ঐ মালকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেবে।যদি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব না হয়,তাহলে গরীবদেরকে সদকাহ করে দেবে।(মা'রিফুস-সুনান১/৩৪)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
হারাম টাকার বিধান হল, তা প্রাথমিকভাবে মূল মালিকের কাছে ফেরত দেয়া।নতুবা সওয়াবের নিয়ত ছাড়া গরীবদের মাঝে সদকা করে দেয়া।
من ملك بملك خبيث ولم يمكنه الرد الى المالك فسبيله التصدق على الفقراء
যদি কারো নিকট কোনো হারাম মাল থাকে,তাহলে সে ঐ মালকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দেবে।যদি ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব না হয়,তাহলে গরীবদেরকে সদকাহ করে দেবে।(মা'রিফুস-সুনান১/৩৪)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1900
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) ব্যাংকে চাকরি করে এমন কারো সাথে বাহিরে কোথাও একসাথে খেতে গেলে যদি এমন হয় যে, খাওয়ার টাকা ঐ চাকুরিজীবী ব্যক্তিটি একবারে দিয়ে দিবে এবং পরে আপনার অংশ আমি তাকে দিয়ে দিবেন, তাহলে স্বাভাবিক তাবস্থায় খাওয়া জায়েয হবে না। তবে উপস্থিত সময় টাকা না থাকলে তখন রুখসত থাকবে।
(২) হারাম উপার্জন করে এমন কাউকে যদি টাকা ধার দেয়া হয়, সে পরবর্তীতে যেই টাকা আপনাকে ফেরত দিবে সেটাও আপনার জন্য হালাল হবে।
হারাম উপার্জনকারী কেউ যদি আপনাকে নগদ কিছু টাকা দিয়ে বলে, এই পরিমাণ টাকা কারো বিকাশে পাঠাতে। এখন আপনি যদি নগদ টাকাটা রেখে ঐ পরিমাণ টাকা আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে পাঠান, তাহলে সেটা জায়েয হবে।