আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
122 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (10 points)
edited by
আমি ও মেসেঞ্জার সীরাহ সিরিজ দেখছি, আলহামদুলিল্লাহ, অনেক বেশি সুন্দর।তো আমার অনেক ইচ্ছে, আমি আবার আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) কে দেখতে চাই।
এই ১৮তম রোজায়, আমার হায়েজ চলছিলো
আমি একদিন স্বপ্ন দেখি, আমি নবিজী মোহাম্মদ (স)  এর সময়ে গিয়ে ছিলাম। একটা মরুভূমির মতন মাঠ আর বসার একটা জায়গা, একটু অন্ধকার ছিল,আর সেখানে জায়েদ ইবন হারিস (রা.) কে দেখেছি।তার সঙ্গে কি কথা বলেছি সব মনে নেই, তবে এটা মনে পড়ছে তাকে বলেছিলাম যে, ইশ, আমি যদি আমার নবীজি মোহাম্মদ (স) দেখতে পারতাম। উনাকে একটু খুশি হতে দেখলাম, এতোটুকু মনে আছে, কিন্তু তিনি কি বলছিলেন তা আমার খেয়াল নেই।তিনি আমাকে হাত দিয়ে ইশারা করে একটা জায়গা দেখালেন একটা ফাঁকা বড় গলির মতন, যেখানে কাঠের/বাঁশের মতন কিছু আছে ঠিক মনে নেই, মা'আজ আল্লাহ যদি কোনো ভুল বলে থাকি।আর আমি সেখানে বসলাম।কিছু একটার জন্য অপেক্ষা করলাম। উনি আমার সামনে বসলেন (সবচেয়ে বেশি এইটাই মনে আছে) অথবা চলে গেলেন, পরিষ্কার মনে নেই।

পরে ঘুম ভেঙে যায়।

তারপর আমি চাচ্ছিলাম, ইশ, আমি যদি আমার নবীজিকে আবার দেখতে পারতাম, ইয়া রব! পরে দুরূদ পড়তে থাকলাম,  পড়তে পড়তে আবার চোখ লেগে গেছে কিনা খেয়াল নেই,

আবার একই জায়গায় নিজেকে আবিষ্কার করলাম।ওই সময়ে একজন এত নূরের মানুষ এলেন, সাদা রঙের পোশাক, লম্বা জোব্বার মতন পড়া,আর পুরো চেহারা, শরীর থেকে নূর বের হচ্ছে।  এত উজ্জ্বল আলো যেন চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে সুবহানআল্লাহ। উনার মাথায় সাদা টুপির মতো পরা ছিলেন,সেখান থেকে কিছু চুল দেখা যাচ্ছিল, ঘাড় আর একটু শোল্ডার পর্যন্ত। উনার লম্বা দাঁড়ি মোবারক দেখা যাচ্ছিলো, যেটিও নূরে পরিপূর্ণ ছিলো ও সাদা দেখাচ্ছিলো। তিনি আমার থেকে অল্প একটু দূরে (এক হাত) একটা কাঠের/বাঁশের কিছু একটার উপর বসলেন,আর আমি তাকিয়েই ছিলাম।বুঝতে ও পারছিলাম, আর ভাবছিলাম, উনি আমার প্রিয় নবিজী মুহাম্মদ (সা.), যিনি তো দেখতে এমনি উজ্জ্বল নূরের হবেন। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম উনার দিকে,তিনি অনেক বয়স্ক ছিলেন (৬০-৬৫ বছরের হবেন হয়তো) উনার চেহারায় তাকানো যাচ্ছিল না নূরের জন্য, উনার পুরো শরীর থেকে নূর আসছিলো। মা'আজ আল্লাহ যদি কোনো ভুল বলে থাকি।এতটা শান্তির নূর। ভুল বললে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন।

তিনি হাতে একটা লাঠি নিয়ে, ওটায় হালকা ভর দিয়ে হেঁটে এসেছিলেন এবং পরে বসলেন। তিনি আমার দিকে তাকালেন আর চুপ করে বসলেন। মুখে হাল্কা হাসি ভাব ছিলেন।আমি আসলেই রিয়েল লাইফে কখনোই জানি না, তিনি লাঠি নিয়ে হেঁটেছেন কিনা,আমার অনেক শান্তি লাগছিল দেখে। আমি পরে একটু ঘুম ঘুম থেকে উঠে তখন দেখলাম আমি ডান কাঁধে ফিরে আছি,

হালকা সচেতন মনেই নিজেকে বলছিলাম,

আমি কি আসলেই উনাকে দেখেছি, ইয়া রব? ইয়া রব! আমি যদি এমনভাবে সত্যি সত্যি উনাকে আবার দেখতে পারতাম। আমাকে সেই তউফিক দিন ইয়া রব।

আর ভাবতে থাকলাম, আমার মনে হলো আমি কি জাগ্রত ছিলাম?আমি দুরুদ পড়তে থাকলাম জাগ্রত থাকা অবস্থায়।আমার বারবার মনে হচ্ছিল, আমি হয়তো জাগ্রত ছিলাম, হয়তো কল্পনায় এসেছে, বুঝতে পারছি নাহ, ঘুম চোখে ওটা ভেবে চিন্তা করেছি, হয়তো।উনাকে চোখ লেগে যাওয়ার পর দেখেছি কিনা বুঝতে পারছি না।

আমি এখনও বুঝতে পারছি না, ওটা স্বপ্ন ছিল কি না নাকি নিজের কল্পনা। কল্পনায় এতোটা সুন্দর করে তো ভাবতেই পারতাম নাহ, তাও আমি জানি নাহ, আমার রব ই সবথেকে ভালো জানেন।

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

জবাবঃ-

আলহামদুলিল্লাহ!

হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,

حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «تَسَمَّوْا بِاسْمِي وَلاَ تَكْتَنُوا بِكُنْيَتِي، وَمَنْ رَآنِي فِي المَنَامِ فَقَدْ رَآنِي، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لاَ يَتَمَثَّلُ فِي صُورَتِي، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»

রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,আমার নাম দ্বারা নাম রাখতে পারবে,তবে আমার কুনিয়ত দ্বারা কেউ যেন কুনিয়ত না রাখে,যে ব্যক্তি স্বপ্নে আমাকে দেখবে,সে সত্যই আমাকে দেখবে,কেননা শয়তান আমার সুরত ধারণ করতে পারে না।যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা বলবে,সে যেন তার জায়গা জাহান্নামকে বানিয়ে নেয়।(সহীহ বোখারী-১১০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7331



সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখা সত্য। উনি স্বপ্নে যা কিছু বলবেন, সেটাও অর্থবহ। আপনার ভবিষ্যত জীবনের উন্নতি হতে পারে। আল্লাহ তাওফিক দান করুক। আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...