আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
89 views
in সাওম (Fasting) by (7 points)
গ্লুকোজ যদি শিরার মাধ্যমে কোন রোগের ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন হিসেবে দেওয়া হয় তাহলে কি রোজা ভাঙ্গবে? যেমন কোন একটি ইনজেকশন স্যালাইন এর সাথে দেওয়ার পূর্বে ডাক্তার যদি গ্লুকোজ স্যালাইন দেওয়া প্রয়োজন মনে করেন।  বিশেষ দ্রষ্টব্য, রোগীর বাহ্যিকভাবে তেমন লক্ষ্মণ নেই তবে টেস্টের পর রোগ ধরা পড়েছে। রোজার মাঝখানে ট্রিটমেন্ট না নিলে পরবর্তীতে কয়েকমাস অপেক্ষা করতে হবে (মাদ্রাসায় থাকার কারনে)  যাতে একটা রিক্স থেকে যায়। পরিস্থিতি উল্লেখ করলাম যদি প্রয়োজন হয়।

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
ইনজেকশনের শরয়ী হুকুম বুঝতে হলে প্রথমে দু’টি বিষয় বুঝতে হবে। যথা-
১-ইনজেকশনের পদ্ধতিটি কি রোযায় কোন প্রকার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে কি না?
২-কোন উদ্দেশ্যে ইনজেকশন দেয়া হচ্ছে? মাকসাদের ভিন্নতার কারণে ইনজেকশনের হুকুমে কোন ভিন্নতা আসবে কি না?

ইনজেকশনের পদ্ধতি
বিজ্ঞ ডাক্তারদের বক্তব্য ও বাস্তব অভিজ্ঞতার দ্বারা একথাই প্রমাণিত যে, ইনজেকশন কয়েকভাবে দেয়া হয়। যেমন-
ক-গোস্তে ইনজেকশন দেয়া।
খ-চামড়া ও গোস্তের মাঝামাঝি ইনজেকশন দেয়া।
গ-সরাসরি পেটে।
ঘ-অধিকাংশ সময় রগের মাঝে দেয়া হয়।

এবার ভাবার বিষয় হল-এ চার ধরণের ইনজেকশনের হুকুম কি?
এর সহজ জবাব হল-ইনজেকশন চাই রগে দেয়া হোক, যেমন সাধারণত রোগীদের দেয়া হয়, বা চামড়া বা গোস্তে দেয়া হোক, বা পেটে দেয়া হোক যেমন কুকুর কামড়ালে পেটে ইনজেকশন দেয়া হয়, এ সকল সুরতে হুকুম হল এসব কারণে রোযা ভঙ্গ হবে না।ইনজেকশনের ব্যাপারে জমহুর ওলামাদের রায় এটাই যে, এর দ্বারা রোযা ভঙ্গ হয় না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/13998

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সাধারণত ইঞ্জেকশন দ্বারা রোযা ভঙ্গ হয় না। তবে খাবার জাতীয় ইঞ্জেকশন দ্বারা যেহেতু রোযার উদ্দেশ্যর পরিপন্থি কাজ হয়ে যায়, তাই মূলনীতির আলোকে রোযা ভঙ্গ না হলেও ফুকাহায়ে কেরাম উক্ত রোযাকে কাযা করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

প্রশ্নের বিবরণমতে গ্লুকোজ জাতীয় ইঞ্জেকশন দেয়ার কারণে রোযাকে কাযা করে নিতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 117 views
0 votes
1 answer 208 views
0 votes
1 answer 283 views
...