আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
59 views
in ব্যবসা ও চাকুরী (Business & Job) by (2 points)

https://ifatwa.info/139770/?show=139820#a139820

আংকেল একটা ফর্ম দেয় যেখানে কত টাকা আসছে পাসপোর্ট বাবদ সেটা লিখা থাকে। যেমন ২২ দিনে সরকারি ফিস 5700৳, ১০ দিনে সরকারি ফিস 8000 টাকা। এই ফর্মটা যারা পাসপোর্ট বানায় তাদের উনি  দিয়ে দেন। পরিবারের দুই সদস্য এভাবেই বানানোর পর উনাদে্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিটা জানা নেই সবাইকেই এমন করেন কিনা। তবে ছবি তুলতে যাওয়ার সময় ফর্মটা হাতেই দিয়ে দেওয়া হয়, এটা চেক করার জন্য যে, সব ঠিক আছে নাকি দেখতে। তখন সরকারি ফিসের টাকাটা উল্লেখ থাকে। 

(আমাদের অবজার্ভ মতে) উনার মাধ্যমে যারা পাসপোর্ট বানাতে দেন উনারা মূলত সহজতার জন্য দেন। দৌড়াদৌড়ি  করতে যাতে না হয় , সহজেই যাতে পাসপোর্ট এসে যায় তাই দেন। এক্সট্রা টাকা নেন যে , এটা যারা ফর্ম দেখেন তারা বুঝেন। কিন্তু সবাই পড়েন কিনা এটা জানা নেই। আমার পরিবারের একজন সদস্য এভাবেই বানিয়েছেন। উনি বুঝেছিলেন যে উনি এক্সট্রা টাকা নেন তাও উনার কাছেই বানিয়েছিলেন। এইক্ষেত্রে কি আমার খালুর টাকাটা  হালাল হচ্ছে?

1 Answer

0 votes
by (763,290 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم 

https://ifatwa.info/47888/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 

ইমাম মালিক রাহ থেকে বর্ণিত রয়েছে,
ﻭﺳﺌﻞ ﺍﻹﻣﺎﻡ ﻣﺎﻟﻚ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻦ ﺃﺟﺮ ﺍﻟﺴﻤﺴﺎﺭ ﻓﻘﺎﻝ : ﻻ ﺑﺄﺱ ﺑﺬﻟﻚ
ইমাম মালিক রাহ কে দালালী ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন এতে কোনো সমস্যা নেই।(আল-মুদাওয়ানাতুল কুবরাঃ৩/৪৬৬)

ইমাম বোখারী রাহ বলেনঃ
" ﺑَﺎﺏ ﺃَﺟْﺮِ ﺍﻟﺴَّﻤْﺴَﺮَﺓِ . ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺮَ ﺍﺑْﻦُ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ ﻭَﻋَﻄَﺎﺀٌ ﻭَﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢُ ﻭَﺍﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑِﺄَﺟْﺮِ ﺍﻟﺴِّﻤْﺴَﺎﺭِ ﺑَﺄْﺳًﺎ .ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﺑْﻦُ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ : ﻻ ﺑَﺄْﺱَ ﺃَﻥْ ﻳَﻘُﻮﻝَ : ﺑِﻊْ ﻫَﺬَﺍ ﺍﻟﺜَّﻮْﺏَ ﻓَﻤَﺎ ﺯَﺍﺩَ ﻋَﻠَﻰ ﻛَﺬَﺍ ﻭَﻛَﺬَﺍ ﻓَﻬُﻮَ ﻟَﻚَ .
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﺑْﻦُ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ : ﺇِﺫَﺍ ﻗَﺎﻝَ ﺑِﻌْﻪُ ﺑِﻜَﺬَﺍ ﻓَﻤَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦْ ﺭِﺑْﺢٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻟَﻚَ ، ﺃَﻭْ ﺑَﻴْﻨِﻲ ﻭَﺑَﻴْﻨَﻚَ ﻓَﻠَﺎ ﺑَﺄْﺱَ ﺑِﻪِ .ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ( ﺍﻟْﻤُﺴْﻠِﻤُﻮﻥَ ﻋِﻨْﺪَ ﺷُﺮُﻭﻃِﻬِﻢ)
তরজমাঃইবনে সিরীন, আত্বা,ইবরাহিম,হাসান, রাহ এর মত যুগশ্রেষ্ট ইমামগণ দালালী ব্যবসায় শরয়ী কোনো সমস্যা মনে করেন না।ইবনে আব্বাস রাহ,বলেনঃকোনো অসুবিধা নেই এরকম কোনো চুক্তিতে যে, কেউ কাউকে বলল,তুমি এই মাল এত টাকায় বিক্রি কর,এর(পুর্ব নির্ধারিত মূল্যর) চেয়ে বেশী যা লাভ হবে তা তোমার।ইবনে সিরীন রাহ বলেনঃযখন কেউ কাউকে বললঃতুমি এই মাল এত টাকায় বিক্রি কর, যা লাভ হবে অথবা এর চেয়ে বেশী যা লাভ হবে, তা তোমার অথবা তা আমার এবং তোমার মধ্যে বন্টিত হবে।এরকম চুক্তিতে কোনো সমস্যা নেই।নবী কারীম সাঃ বলেনঃ-মুসলমানগন তাদের  কৃতচুক্তির আওতাধীন।অর্থাৎ শরীয়ত বিরোধী চুক্তি না হলে তা অবশ্যই পূরণীয় এবং পূরণ করতে হবে,এবং দালালীও একটি চুক্তি বিধায় তা বৈধ ও পূরণীয় ।(সহীহ বোখারী-৩/৯২, হাদীস নং ২২৭৪ এর শিরোনাম) বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/44

https://www.ifatwa.info/604 নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
ঘুষ দেওয়া ব্যতীত যদি নিজ প্রাপ্য হক আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে এমতাবস্থায় ঘুষ দেয়া জায়েয।অন্যথায় ঘুষ দেয়া হারাম।তবে ঘুষ গ্রহণ করা সর্বাবস্থায়-ই নাজায়েয ও হারাম।
প্রয়োজনে ঘুষ দেয়া জায়েয।এ বিষয়ের উপর উলামায়ে কেরাম নিম্নোক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করে থাকেন।

★আপনি মিথ্যা না বলে, বরং উপরের বর্ণনামতে তাদেরকে সম্পূর্ণ হিসাব দেখিয়ে যদি পাসপোর্ট বানিয়ে দেন, তাহলে আপনার জন্য এভাবে পাসপোর্ট বানিয়ে দেয়া জায়েয হবে। নতুবা জায়েয হবে না।

https://ifatwa.info/139770/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 

পাসপোর্ট বানাতে হেল্প করতে গিয়ে তিনি যদি স্পষ্টভাবে সবকিছু জানিয়ে দেন। সরকারি ফিস এত এবং প্রসেসিং ফিস এত। তাহলে এটা নাজায়েয হবে না। তবে যদি তিনি মিথ্যা বলে টাকা নেন। তাহলে তা জায়েয হবে না।

https://ifatwa.info/134061/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছে,
মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ 

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَاۡکُلُوۡۤا اَمۡوَالَکُمۡ بَیۡنَکُمۡ بِالۡبَاطِلِ اِلَّاۤ اَنۡ تَکُوۡنَ تِجَارَۃً عَنۡ تَرَاضٍ مِّنۡکُمۡ ۟ وَ لَا تَقۡتُلُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ بِکُمۡ رَحِیۡمًا ﴿۲۹﴾ 
হে মুমিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না; কিন্তু তোমরা পরস্পর রাযী হয়ে ব্যবসা করা বৈধ এবং নিজেদেরকে হত্যা করো না; নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।
(সুরা নিসা ২৯)

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 
عَنْ أَبِىْ حُرَّةَ الرَّقَّاشِىِّ عَنْ عَمِّه قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «أَلَا لَا تَظْلِمُوا أَلَا لَا يَحِلُّ مَالُ امْرِئٍ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِىُّ فِىْ شُعَبِ الْإِيْمَانِ وَالدَّارَقُطْنِىِّ فِى الْمُجْتَبٰى

আবূ হুররাহ্ আর্ রক্কাশী (রহঃ) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাবধান! কারো ওপর জুলুম করবে না। সাবধান! কারো মাল তার মনোতুষ্টি ছাড়া কারো জন্য হালাল নয়।
আহমাদ ২০৬৯৫, শু‘আবুল ঈমান ৫১০৫, ইরওয়া ১৪৫৯, সহীহ আল জামি‘ ৭৬৬২।

শরীয়তের বিধান হলো যেকোনো বৈধ কাজে ফিস নির্দিষ্ট হওয়ার শর্তে দালালি এবং তার উপার্জন জায়েজ আছে।

ইমাম বোখারী রাহ বলেনঃ

" ﺑَﺎﺏ ﺃَﺟْﺮِ ﺍﻟﺴَّﻤْﺴَﺮَﺓِ . ﻭَﻟَﻢْ ﻳَﺮَ ﺍﺑْﻦُ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ ﻭَﻋَﻄَﺎﺀٌ ﻭَﺇِﺑْﺮَﺍﻫِﻴﻢُ ﻭَﺍﻟْﺤَﺴَﻦُ ﺑِﺄَﺟْﺮِ ﺍﻟﺴِّﻤْﺴَﺎﺭِ ﺑَﺄْﺳًﺎ 
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﺑْﻦُ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ : ﻻ ﺑَﺄْﺱَ ﺃَﻥْ ﻳَﻘُﻮﻝَ : ﺑِﻊْ ﻫَﺬَﺍ ﺍﻟﺜَّﻮْﺏَ ﻓَﻤَﺎ ﺯَﺍﺩَ ﻋَﻠَﻰ ﻛَﺬَﺍ ﻭَﻛَﺬَﺍ ﻓَﻬُﻮَ ﻟَﻚَ .
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﺑْﻦُ ﺳِﻴﺮِﻳﻦَ : ﺇِﺫَﺍ ﻗَﺎﻝَ ﺑِﻌْﻪُ ﺑِﻜَﺬَﺍ ﻓَﻤَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦْ ﺭِﺑْﺢٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻟَﻚَ ، ﺃَﻭْ ﺑَﻴْﻨِﻲ ﻭَﺑَﻴْﻨَﻚَ ﻓَﻠَﺎ ﺑَﺄْﺱَ ﺑِﻪِ .
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ( ﺍﻟْﻤُﺴْﻠِﻤُﻮﻥَ ﻋِﻨْﺪَ ﺷُﺮُﻭﻃِﻬِﻢ)

তরজমাঃইবনে সিরীন, আত্বা,ইবরাহিম,হাসান, রাহ এর মত যুগশ্রেষ্ট ইমামগণ দালালী ব্যবসায় শরয়ী কোনো সমস্যা মনে করেন না।ইবনে আব্বাস রাহ,বলেনঃকোনো অসুবিধা নেই এরকম কোনো চুক্তিতে যে, কেউ কাউকে বলল,তুমি এই মাল এত টাকায় বিক্রি কর,এর(পুর্ব নির্ধারিত মূল্যর) চেয়ে বেশী যা লাভ হবে তা তোমার।
ইবনে সিরীন রাহ বলেনঃযখন কেউ কাউকে বললঃতুমি এই মাল এত টাকায় বিক্রি কর, যা লাভ হবে অথবা এর চেয়ে বেশী যা লাভ হবে, তা তোমার অথবা তা আমার এবং তোমার মধ্যে বন্টিত হবে।এরকম চুক্তিতে কোনো সমস্যা নেই।
নবী কারীম সাঃবলেনঃ-মুসলমানগন তাদের  কৃতচুক্তির আওতাধীন।অর্থাৎ শরীয়ত বিরোধী চুক্তি না হলে তা অবশ্যই পূরণীয় এবং পূরণ করতে হবে,এবং দালালীও একটি চুক্তি বিধায় তা বৈধ ও পূরণীয় ।
(সহীহ বোখারী-৩/৯২, হাদীস নং ২২৭৪ এর শিরোনাম)

★কমিশন ফিস নির্দিষ্ট হওয়ার শর্তে যেহেতু কমিশন ভিত্তিক ব্যবসা তথা দালাল কিংবা এজেন্টদের কমিশন জন্য নির্ধারিত ফিস জায়েয।

আরো জানুনঃ 

এ ধরনের দালালরা মূলত উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলো কর্তৃক আইনি ভাবে এজেন্ট হিসাবে নিয়োগকৃত নয়, সরকার কর্তৃক এজেন্ট হিসেবেও নিয়োগকৃত নয় বরং তারা অন্যায় ভাবেই মূলত এভাবে টাকা উপার্জন করছে।

এটি দেশীয় আইন অনুযায়ীও যেমন অবৈধ, শরীয়তের আইন অনুযায়ী ও অবৈধ।

তাই এই ধরনের দালালি করে উপার্জিত অর্থ শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার আংকেল যদি উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আইনি ভাবে এজেন্ট হিসাবে নিয়োগকৃত হন বা সরকার কর্তৃক এজেন্ট হিসেবে নিয়োগকৃত হন, সেক্ষেত্রে এভাবে অতিরিক্ত টাকা নেয়া তো দেশীয় আইন অনুযায়ী অবৈধ, তাই শরীয়তের আইন অনুযায়ী ও অবৈধ হবে।

আর যদি আপনার আংকেল উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আইনি ভাবে এজেন্ট হিসাবে নিয়োগকৃত না হন বা সরকার কর্তৃক এজেন্ট হিসেবে নিয়োগকৃত না হন, বরং তিনি তৃতীয় পক্ষ হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি কম্পিউটারে ফরম পূরণ করা, অনলাইনে আবেদন করা, ডকুমেন্ট তৈরি করা, ডকুমেন্ট স্ক্যান করা, ইত্যাদি বাবদ আলাদা সার্ভিস চার্জ স্পষ্ট বলে নেন,কোনোরুপ জুলুম ও ধোকার আশ্রয় না নিয়ে নৈতিকতা রক্ষা করেই এসব কাজের চার্জ নেন আর পাসপোর্ট বাবদ সরকারি সার্ভিস চার্জ আলাদা বলে নেন,অন্যায় ভাবে কোনো টাকা গ্রহণ না করেন, সেক্ষেত্রে তার ইনকাম বৈধ হবে।

অন্যথায় তার ইনকাম বৈধ নয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...