আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in সাওম (Fasting) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ.. শায়েখ আমার ইস্তেহাযার সমস্যা.. আমার হায়েজের আজকে( ০৬ মার্চ)৬ষ্ঠ দিন.. আজকে থেকে রক্ত বন্ধ হয়ে হালকা হলুদ স্রাব যাচ্ছে..  হালকা হলুদ স্রাব আমার সবসময়ই যায়।

০১.হালকা হলুদ স্রাব যাওয়ার কারণে আমি কি কালকে(০৭ মার্চ) থেকে রোযা রাখতে পারবো?? নাকি আমাকে.. আমার আদত ০৭ দিন অপেক্ষা করে  তারপর (০৮ মার্চ) থেকে রোযা রাখতে হবে??
০২.আমার সবসময় কিছু সময় পর পর সাদাস্রাব যায়.. সেক্ষেত্রে আমি যে পায়জামা পরে থাকি সেই পায়জামায় সাদাস্রাব লাগার পর.. প্রসাব করার পর পানি নেওয়ার কারণে যখন ভিজে যায়.. তারপর সেই সাদস্রাব লাগা পায়জামা পরে বিছানায় বসতে পারবো???  পানি দ্বারা ভিজার কারণে ওই পায়জামার সাথে জামা বা বিছানার চাদর লাগলে কি নাপাক হয়ে যাবে??? তখন কি ওই পায়জামা একেবারে চেঞ্জ করে অন্য পায়জামা পড়তে হবে.??

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭,কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি আরো অপেক্ষা করবেন। হলুদ স্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। যদি ১০ দিন অতিক্রম করে, তাহলে আপনার আদত যত দিনের তত দিন হায়েয গণনা করবেন। আর ১০ দিনের ভিতর হলুদ স্রাব বন্ধ হলে ১০ দিন বা তার কম বন্ধ হলে ততদিন হায়েয হিসেবে গণনা করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
শায়েখ আমার তো সবসময় হলুদ স্রাবই যায়.. সেক্ষেত্রে আমি কি ১০ দিন অপেক্ষা করবো নাকি ৭ দিন( আমার আদত) অপেক্ষা করবো?? কেননা আমি জানি ১০ দিন পরও আমার এমন হলদে স্রাই আসবে.. সেক্ষেত্রে আমি কি ০৮ তম দিন থেকে নামাজ রোযা শুরু করতে পারবো?? 
by (805,980 points)
আপনি অপেক্ষা করবেন।তারপর ১০ দিন অতিক্রম করলে পূর্বের অভ্যাস যতদিনের ততদিন হায়েয গণনা করবেন এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...