আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
34 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ উস্তায।

রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিয়্যাতের উপরই কাজের ফলাফল নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী ফল পাবে।
উস্তায, আমার সমস্যা হলো না চাইতেও আমার মনে একেক অনাকাঙ্ক্ষিত নিয়ত চলে আসে।
কোনো একটি কাজ আমি ভাবি ৫বার করতে হবে।
১বার করলে মনেহয় ঠিক হয়নি।

২ বার করলে মনেহয় ২বার করলে অমুক কাজটি হবে। যা একদমই আমার কাল্পনিক তাও নিয়ত হয়ে যায়। যেমন এই কাজটি আমি ২বার করেছি মানে ওমুক মারা যাবে অথবা এটা বা ওটা হবে৷ বা কিছু ঘটবে এই ২বার করার কারনে। মাথায় এসব আসে। তখন ভাবি এটা নিয়ত করে ফেললাম। (না চাইতেও)।

৩বার করলে মনেহয় এতে তালাক হয়।

৪বার করলে মনেহয় এটাতে কোনো দূর্ঘটনা হতে পারে কারন ৪ তারিখ আমার জন্য একটা খারাপ দিন ছিলো এরপর থেকে কোনো কাজ ৪ বার হলে আমার অসস্তি লাগে এরপর ৫ বার পূর্ণ করি।

আমি জানি এগুলো আমার মনের ভ্রান্ত ধারণা। কিন্তু আমি এর থেকে বের হতে পারিনা।

কারন আমি ভাবি নিয়্যাতের উপরই কাজের ফলাফল নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী ফল পাবে।

এর থেকে বের হওয়ার জন্য আমি সবটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে যাই। যে ২বার বা ৩বার করার কিছু নেই। এটা আমার মনের ভুল। আল্লাহ ভরসা।
ঠিক ওই মুহুর্তে আমার মনেহয় যে আসলে এটা আমি নিয়ত করে ফেলছি যে ২বার করলে এটা হবে, ৩বার করলে এটা হবে, ৪বার করলে এটা হবে। মনেহয় যে এটা নিয়ত করে ফেলছি প্রতিবার।
তখন আবার ভাবি যে, যে যেমন নিয়ত করে তার সাথে তেমনটাই হয়।
তাই আমার হয়তো এটা নিয়ত হয়ে গেছে যে ২বার করলে এটা হবে ৩বার করলে এটা হবে ৪ বার করলে এটা হবে। তাই এই নিয়ত ভাঙার জন্য আমি ৫ বার বা ১০বার এক কাজই বার বার করি। ভাবি যে আমার ভাবনাটা নিয়ত হয়ে গেছে। এখন আল্লাহ হয়তো কবুল করে নিবে। না চাইলেও নিয়ত হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হলো এটার থেকে বাচার উপায় কি? এই অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করে নেন?
এসব নিয়ত কি কবুল হয়?

1 Answer

0 votes
by (782,550 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
আসসালামু আলাইকুম। উস্তায, লিংক এ error দেখায়।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...