আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মূলত রুকইয়ার চিকিৎসা প্রয়োজন। রুকইয়া ট্রেনিংয়ের জন্য— এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity) by (39 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته

প্রশ্ন-১: ব্যাংকের ইনকাম দিয়ে কি যাকাত দেওয়া যাবে?
আমার পরিচিত একজন ব্যাক্তির হাজব্যান্ড ব্যাংকে চাকরি করে, পাশাপাশি একটি দোকান ও আছে।এখন ওই ব্যাক্তির  উপর যাকাত আসে। তার হাজব্যান্ড ব্যাংকের বেতন পেয়ে মাসে মাসে কিছু হাত খরচ দেয়,সে চাচ্ছে এ টাকা দিয়ে যাকাত আদায় করবে।

সে কি ব্যাংকের টাকায় যাকাত দিতে পারবে? যেহুতু তার হাজব্যান্ড এর আলাদা ইনকাম সোর্স আছে


প্রশ্ন-২: সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করলে কিভাবে সিজদাহ্ দিতে হয় সঠিক নিয়ম জানতে চাই।

1 Answer

0 votes
by (782,610 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
فى الفتاوى الهندية- أهدى إلى رجل شيئا أو أضافه إن  كان غالب ماله من الحلال فلا بأس إلا أن يعلم بأنه حرام ، فإن كان الغالب هو الحرام ينبغي أن لا يقبل الهدية ، ولا يأكل الطعام إلا أن يخبره بأنه حلال ورثته أو استقرضته من رجل ، كذا في الينابيع
যদি এমন কেউ কাউকে কিছু হাদিয়া দেয়,যার অধিকাংশ সম্পত্তি হালাল,তাহলে সেই মালকে গ্রহণ করা নাজায়েয নয়।তবে যদি সে জানতে পারে যে,দাতা হারাম থেকে দিচ্ছে তাহলে এমতাবস্থায় সেটা জায়েয হবে না।আর যদি তার মালের অধিকাংশই হারাম থাকে,তাহলে এমন ব্যক্তির হাদিয়া গ্রহণ জায়েয হবে না।এমন ব্যক্তির ওখানে আহার করাও যাবে না, যতক্ষণ না সে হালাল খাবারের সংবাদ দিচ্ছে বা এটা বলছে যে,সে ধার করে নিয়ে এসে আহার করাচ্ছে।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-৫/৩৪২) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1900

ব্যাংক চাকুরী সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/398

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) স্বামী যদি ব্যাংকের সুদি সেক্টরে চাকুরী করে, তাহলে স্বামীর প্রদানকৃত হাদিয়া স্ত্রীর জন্য হালাল হবে না। সুতরাং ঐ টাকা দিয়ে স্ত্রী যাকাত আদায় করতে পারবে না।
(২) তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করার সুন্নাহ পদ্ধতি হল, নিয়ত করে দাড়ানো বা বসা থেকে তাকবির বলে সরাসরি সেজদায় গিয়ে তিনবার সিজদার তাসবিহ পাঠ করে তারপর তাকবির বলে মাথা উত্তোলন করা।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...