আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
53 views
in যাকাত ও সদকাহ (Zakat and Charity) by (14 points)
আসসালামু আলাইকুম,
আমার জাওজ এর পক্ষ থেকে লিখছি,
বাচ্চাদের জামাকাপড় এর পাইকারী বিজনেস।একটি দোকান ভাড়া নিয়ে গত রমাদ্বানের পর ২৫ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসায় শুরু করি। বর্তমানে দোকানের মাল+ টাকা যা আছে সব হিসাব করবো ঈদের আগের দিন। তবে যাকাতের হিসাব করতে চাচ্ছি।

গত বছর ৬ লাখ টাকা এক বন্ধুকে দিয়েছি বিজনেস করতে,সে এই টাকা আমাকে ঈদের আগের দিন দিবে হয়তো।
 (এই টাকা আমি পাই)

রমাদানের ২/৩ মাস আগে মার্কেটে একটি দোকান কিনেছি আমি আর আমার ছোট ভাই মিলে। আমার কাছে ক্যাশ এতো টাকা নেই,তাই আমার ভাই আমার তরফ থেকে ১৫ লাখ টাকা দিয়েছে। অর্থাৎ (আমার ভাই আমার কাছে ১৫ লাখ টাকা পাবে,আমি ঋণ)

আমার যাকাতের হিসাব টা কেমন হবে?
ঈদের আগে ৬ লাখ পেলে ভাই কে দিয়ে দিলে ৯ লাখ টাকা ঋণ থাকবো।

আর দোকানের মালামাল+ক্যাশের উপর তো যাকাত থাকছেই।

আমাকে একটু জানাবেন
কোন কোন টাকার উপর আমার যাকাত আসবে? আর ঈদের আগের দিন হিসাব করলে দেখা যাবে যেই ২৫ লাখ নিয়ে ব্যবসায় নেমেছি, ২/৩ লাখ টাকা অন্যের কাছেই রয়ে গেছে,আমার থেকে বাকি নিয়েছে দেয়নি।তারপর লাভ লসের হিসাব ও আছে।

তাহলে কি যাকাতের হিসাব টা ঈদের আগের দিন করব? সব টাকার হিসাব মিলিয়ে? আগের বছর রমাদানেই যাকাতের টাকা দেয়া হয়েছে

1 Answer

0 votes
by (802,650 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আহসানুল ফাতাওয়াতে খুব সুন্দরভাবে বর্ণিত রয়েছে-
শরীয়তের পরিভাষায় করয(ঋণ) শুধুমাত্র ঐ মালকেই বলা হয়,যা হুবহু ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে কাউকে দেয়া হয়।কিন্তু সচরাচর সমাজে প্রচলিত রয়েছে যে,জিম্মায় ওয়াজিব হওয়া প্রত্যেক মালকেই করয বলা হয়।তবে শরীয়ত সেটাকে করয বলে না বরং সেটাকে দাইন বলে।সাহাবাইন রাহ এর মতে প্রতেক প্রকার দাইনে যাকাত ওয়াজিব।তবে ইমাম আবু-হানিফা রাহ দাইনকে তিন প্রকারে বিভক্ত করে থাকেন।

(১)دين قوي (শক্তিশালী ঋণ) এটা দ্বারা সেই টাকা বা মাল উদ্দেশ্য যা কাউকে ধার দেয়া হয়েছিলো,বা ব্যবসায়িক পণ্যর বিনিময়ে কারো উপর ওয়াজিব ছিলো।কিংবা এমন কোনো গৃহপালিত পশুর বিনিময়ে কারো উপর ওয়াজিব ছিলো যে প্রাণীর উপর যাকাত ওয়াজিব ছিলো।এমন দাইনে চল্লিশ দিরহাম পরিমাণ উসূল হওয়ার পর যাকাত ওয়াজিব হবে।(যখন থেকে পাওনা ছিলো তখন থেকে এক বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর যাকাত ওয়াজিব হবে তথা হস্তগত হওয়ার পূর্বের বৎসর সমূহের যাকাত তখন আদায় করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1483


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার স্বামীর নিকট যা কিছু অন্যর পাওনা রয়েছে, সেগুলো কর্তন করে যা কিছু আপনার স্বামীর নিকট বাকী থাকে, সেগুলোর যাকাত ফরয হবে। অন্যর নিকট আপনার স্বামীর যা কিছু পাওনা রয়েছে, সেগুলোর যাকাত আপনার স্বামী চাইলে এখনই দিতে পারবেন অথবা ঋণ উসূল হওয়ার পরও দিতে পারবেন। নগদ টাকা এবং ব্যবসার মাল সবকিছুর হিসাব করতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...