ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আহসানুল ফাতাওয়াতে খুব সুন্দরভাবে বর্ণিত রয়েছে-
শরীয়তের পরিভাষায় করয(ঋণ) শুধুমাত্র ঐ মালকেই বলা হয়,যা হুবহু ফিরিয়ে দেয়ার শর্তে কাউকে দেয়া হয়।কিন্তু সচরাচর সমাজে প্রচলিত রয়েছে যে,জিম্মায় ওয়াজিব হওয়া প্রত্যেক মালকেই করয বলা হয়।তবে শরীয়ত সেটাকে করয বলে না বরং সেটাকে দাইন বলে।সাহাবাইন রাহ এর মতে প্রতেক প্রকার দাইনে যাকাত ওয়াজিব।তবে ইমাম আবু-হানিফা রাহ দাইনকে তিন প্রকারে বিভক্ত করে থাকেন।
(১)دين قوي (শক্তিশালী ঋণ) এটা দ্বারা সেই টাকা বা মাল উদ্দেশ্য যা কাউকে ধার দেয়া হয়েছিলো,বা ব্যবসায়িক পণ্যর বিনিময়ে কারো উপর ওয়াজিব ছিলো।কিংবা এমন কোনো গৃহপালিত পশুর বিনিময়ে কারো উপর ওয়াজিব ছিলো যে প্রাণীর উপর যাকাত ওয়াজিব ছিলো।এমন দাইনে চল্লিশ দিরহাম পরিমাণ উসূল হওয়ার পর যাকাত ওয়াজিব হবে।(যখন থেকে পাওনা ছিলো তখন থেকে এক বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর যাকাত ওয়াজিব হবে তথা হস্তগত হওয়ার পূর্বের বৎসর সমূহের যাকাত তখন আদায় করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1483
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার স্বামীর নিকট যা কিছু অন্যর পাওনা রয়েছে, সেগুলো কর্তন করে যা কিছু আপনার স্বামীর নিকট বাকী থাকে, সেগুলোর যাকাত ফরয হবে। অন্যর নিকট আপনার স্বামীর যা কিছু পাওনা রয়েছে, সেগুলোর যাকাত আপনার স্বামী চাইলে এখনই দিতে পারবেন অথবা ঋণ উসূল হওয়ার পরও দিতে পারবেন। নগদ টাকা এবং ব্যবসার মাল সবকিছুর হিসাব করতে হবে।