আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
181 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
আজকে ৪০ দিনেরও বেশি ইস্তেখারা করছি,যখন থেকে বিয়ের উদ্দেশ্যে কথা হচ্ছিলো তখন থেকে ইস্তেখারা করছিলাম যে আল্লাহর তরফ থেকে কল্যাণ হয় তাহলেই যেনো সামনের দিকে যায়। পাত্রের সাথে সাক্ষাৎ এর পূর্বে ২ টি স্বপ্ন দেখেছিলাম

১। আমি আমার বান্ধবী কে একটি ঘুড়ি দেখিয়ে বলছিলাম ঘুড়িটা উড়ানোর জন্য এখন সুতো লাগবে,তো ২ জন মিলে একটা অনেক কালার এর খুব সুন্দর একটি সুতা দিয়ে ঘুড়িটা বাদছিলাম আর তখনই একটি শব্দ স্বপ্নের মধ্যেই '' ক,খ( পাত্রের নাম হবে ক,খ এর জায়্গয়)  চেক ইন( check in)।ঘুম ভেঙে যায়,রাত ৪ টা বাজবে,উঠে তাহাজ্জুদ পড়লাম

২। মাগরিব এর নামাজ পড়ে দোয়া করে জায়নামাজ এ চোখ লেগে যায়। বিয়ের বিষয় নিয়ে অবশ্যই দোয়া করেছি।

তখন একটি স্বপ্ন দেখলাম। স্বপ্নে, কে যেনো বলছে " ভালো হবে" তার পরই ঘুম ভেঙে যায়।

 পাত্রের সাথে সাক্ষাৎ এর পর পাত্র সময় নিয়েছেন, ইস্তেখারা করবেন রমাদানে,আল্লাহ পথ দেখাবেন এটা বলে।

আমিও ২ টা স্বপ্ন দেখেছি রমাদানে,রোজা অবস্থায়।

৩। ৩য় স্বপ্ন, ৪০০ বার দূরদ পড়ে,রুকিয়া শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে যাই আসর এর পর,রমাদানে।

"পাত্র আমার জন্য ২ বার ২ টা বকুল ফুল এর মালা এনেছে,কিন্তু ফুল গুলো তাজা নয়,আর একদম অল্প কয়েকটি,তাই নিয়ে চলে গেলো,  ৩য় বার সাদা কালার এর একটা খুব সুন্দর তাজা ফুলের মালা এনে হাতে পরিয়ে দিয়েছে"

৪। ৪র্থ স্বপ্ন
"পাত্র এবং তার সাথে একজন আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন আর আমার পরিবার এর সবাই দূর থেকে দেখছেন এবং পিছন থেকে আমিও দেখছি"

( সকালে ১৭ মিনিট এর একটা মহান আল্লাহর ৯৯ নাম এর মোনাজাত করে,ইরাকএর সালাত আদায় করে ঘুমানোর সময় দেখেছি,রমাদানে)"

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين
(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي )
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/734

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার স্বপ্নটি পজিটিভ মনে হচ্ছে। তথাপব আপনি আরো ৭ দিন ইস্তেখারা করে তারপর মাতাপিতা ও পরিবারের বড়দের সাথে পরামর্শ করে তারপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। ইস্তেখারা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1472

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)  এটা কল্পনাপ্রসূত স্বপ্ন।
(২)  এই স্বপ্ন দ্বারা ইতিবাচক ইঙ্গিত বুঝা যাচ্ছে।
(৩) এই স্বপ্ন দ্বারাও ইতিবাচক ইঙ্গিত বুঝা যাচ্ছে।
(৪) এই স্বপ্ন দ্বারাও ইতিবাচক ইঙ্গিত বুঝা যাচ্ছে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। উস্তায দয়া করে আমাকে কোনো দিক নির্দেশনা অথবা আমল দিবেন,আমি ইস্তেখারা চলমান রেখেছি আলহামদুলিল্লাহ। পাত্র বলেছে রমাদানে ইস্তেখারা করে জানাবে,কিন্তু কিছুই জানায়নি,আমার পক্ষ থেকে আমি কি আমল করতে যেট আল্লাহর তরফ থেকে কল্যাণ দান এর জন্য। 
by (814,680 points)
আপনি বেশী বেশী ইস্তেগফার ও দুরুদ পাঠ করবেন। এবং তাহাজ্জুদের নামায পড়ে আল্লাহর কাছে দু'আ করবেন।
by (2 points)
edited by

আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ।

দীর্ঘ ৫ মাস বিয়ে নিয়ে কথাবার্তা বলার পর ছেলের পরিবার আমাদের বাসায় আসবেন ইনশাআল্লাহ। রোজার ঈদের পর থেকে যেই স্বপ্ন গুলো দেখেছি তার ব্যাখ্যা গুলো কেমন যদি জানাতেন


রোজার ঈদে চাঁদ রাতের দিন রাত ২ টায় IOM উস্তাযা আপুদের সাথে মোনাজাত করে,নফল নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাই রাত তখন ২ টারও বেশি।সেদিন রাতে এই স্বপ্ন রা দেখি যে  



৫। পাত্র আমাদের বাসায় এসেছে,ছোট ভাইয়ার সাথে দেখা করছে,তো নাস্তা পরিবেশন এর জন্য একটা বাটিতে খেজুর নেয়া হচ্ছিলো( অল্প খেজুর ছিলো) তার পর এটা দেখে আমি আরও একটা সাদা প্যাকেট খুলে অন্য নাস্তা নিতে যাবো আর ওটায় দেখি একদম আজওয়া খেজুর এর থোকা,পরে বাটিতে আজওয়া খেজুর নিচ্ছিলাম দেয়ার জন্য। 


১২০০ বার দোয়া টা পড়লাম(ইয়া বাদিয়াল আজাইবি বিল খইরি ইয়া বাদিউ' (یا بَدِیْعَ الْعَجَائِبِ بِالْخَيْرِ يَا بَدِیْعُ)  

,১৬০০ বার দূরদ পড়া সম্পূর্ণ করে রাতে ঘুমিয়ে যাই।


৬। পাত্র আমাদের বাড়িতে এসে  একটা রুমে একটা কম্বল জড়িয়ে অব্থান করছিলেন, ঠিক আমার পাশের রুমটাতে,কোনো কথা বলেননি,সবাই হয়তো কিছু জিগ্যেস করছিলো কিন্তু   কোনো কথা বলছিলেন না। শুনেই যাচ্ছিলেন.....



৭. ছেলে আমাকে কানের কাছে এসে জিগ্যেস করছে  ইয়া আল বাসিত এর অর্থ জানা আছে?! ( ৯৯ নাম এর একটা)- উত্তর দিলাম প্রসস্থ/প্রশস্তকারী



শুক্রবার, ১১ টার দিকে দিনের বেলা

 সালাতুদ দোহা পড়ে, সূরা ইয়াসিন পড়লাম।

সূরা মারিয়াম এর ২৪-২৮ নাম্বার আয়াত গুলো অনেকে বার পড়লাম।দোয়া করলাম আল্লাহর 

৯৯ টা নাম নিয়ে হালাল রিজিক এর,অনেকক্ষণ তখন ১২ টা বেজে গিয়েছে।




৮. ঘুম আসলো,ঘুমিয়ে যাই এবং স্বপ্নে দেখি যে 



"ছেলের মা আমার রোমে,আমার খাটে, আমাকে ফরজে আইন এমন টাইপ প্রশ্ন করছেন, তো আমি আমার IOM এর একটা বই পড়ে শুনাচ্ছি, দোয়া গুলো পড়ছি আর দেখাচ্ছি যে খুব বেশি পাড়ি না,এই বইটা পড়ি, সাথে অন্য রোমে আর একজন বোরখা পড়া মহিলা আমাকে কেইক কেটে খেতে দিচ্ছে খেতে, যার সাথে হিজাব করা ৭/৮ বছরের একটা মেয়ে বাবুও ছিলো।



৯। ছেলের মা এবং সাথে আরোও দুই- একজন বোরখা পড়া মহিলা আমাদের বাসায় আমাকে দেখতে এসেছে,ভাবছি মুসাফা করবো কিনা এটা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম,পরে মোসাফার দোয়া পড়ে মুসাফা করলাম,বেশ খুশি হয়েছেন,জড়িয়ে ধরে আদর করে দিলেন এবং সাথে বাকিরাও মুসাফা করার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছিলো।এর মধ্যেই ছেলের মা এবং আমি সাথে আরও কয়েকজন একটা জমির চারপাশের পার দিয়ে হাটছি একপাড় থেকে অরেক পাড়ে যাবো,তখন জমিতে ছিলো অনেক পানি আমরা পানি দিয়েই পার হতে গিয়েছি এবং অপর পারে সবার আগে ছেলের মা পৌঁছে আমাকে হাসি মুখে পানি থেকে ডা্ঙায় হাত বাড়িয়ে তুলছেন,খুবই হাসি- খুশি যে সবাই পার হয়ে ডাঙায় পৌঁছে গিয়েছি এবং আমারা খেয়াল করলাম পানি থেকে অপর পাড়ে(ঐ পাড়েই আমাদের বাড়ি) পৌঁছানের পর আমাদের জামা কাপড় সবই শুকনো অবস্থায় ছিলো।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...