ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
গর্ভবতী নারী যদি নিশ্চিতরূপে মনে করে বা তার অধিকাংশ ধারণা হয় যে, যদি রোযাকে চলমান রাখে তাহলে তার বা সন্তানের সুস্থতার অবনতি হবে কিংবা বিজ্ঞ ডাক্তার এ ব্যাপারে হুশিয়ারি প্রদান করে, তাহলে এমতাবস্থায় গর্ভবতী নারীর জন্য রোযা না রাখার বা রোযাকে ভঙ্গ করার অনুমতি থাকবে। পরবর্তীতে রোযাগুলিকে কাযা করতে হবে।
«وَعَوَارِضُ الصَّوْمِ الَّتِي قَدْ يُغْتَفَرْ ... لِلْمَرْءِ فِيهَا الْفِطْرُ تِسْعٌ تُسْتَطَرْ حَبَلٌ وَإِرْضَاعٌ وَإِكْرَاهُ سَفَرْ ... مَرَضٌ جِهَادٌ جُوعُهُ عَطَشٌ كِبَرْ» - «حاشية ابن عابدين = رد المحتار ط الحلبي» 2/ 421)
নয়টি কারণে রোযা না রাখার অুনমোদন রয়েছে, গর্ভ,দুগ্ধপান,জোড়জবরদস্তী,সফর,অসুস্থতা,জিহাদ, অনাহার,পিপাসা,বৃদ্ধ( রদ্দুল মুহাতর-২/৪২১)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/2558
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
রোযা না রাখার ক্ষেত্রে মুসলমান ডাক্তারের রেফারেন্স শর্ত নয়। বরং রোযাদারের ইয়াকিন বিশ্বাস এবং অধিকাংশ ধারণাই যথেষ্ট। যেহেতু নিজের ধারণাকে নিরপেক্ষ বিবেচনা করা পরিপূর্ণ নিরাপদ নয়, তাই এক্ষেত্রে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কারো পরামর্শ নেয়ার কথা ফুকাহায়ে কেরাম বলে থাকেন।