জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
★মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ-
فَخَلَفَ مِنۡۢ بَعۡدِہِمۡ خَلۡفٌ اَضَاعُوا الصَّلٰوۃَ وَ اتَّبَعُوا الشَّہَوٰتِ فَسَوۡفَ یَلۡقَوۡنَ غَیًّا ﴿ۙ۵۹﴾
অনুবাদঃ
তাদের পরে আসল এমন এক অসৎ বংশধর যারা সালাত বিনষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করল। সুতরাং শীঘ্রই তারা জাহান্নামের (গাইয়্যুন এর) শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।
(সূরা ১৯. মারইয়াম, আয়াত নং ৫৯)
আরবী ভাষায় غي শব্দটি رشد এর বিপরীত। প্রত্যেক কল্যাণকর বিষয়কে رشد বলা হয়। অপরদিকে প্রত্যেক অকল্যাণকর ও ক্ষতিকর বিষয়কে غي বলা হয়। [ফাতহুল কাদীর] আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেনঃ ‘গাই’ জাহান্নামের এমন একটি গর্তের নাম যাতে সমগ্ৰ জাহান্নামের চাইতে অধিক আযাবের সমাবেশ রয়েছে। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেনঃ ‘গাই’ জাহান্নামের এমন একটি গুহা জাহান্নামও এর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে। [তাফসীরে কুরতুবী; ইবন কাসীর]
★মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ-
مَا سَلَکَکُمۡ فِیۡ سَقَرَ ﴿۴۲﴾
অনুবাদঃ
কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল?
(সূরা ৭৪. আল-মুদ্দাসসির, আয়াত নং ৪২)
قَالُوۡا لَمۡ نَکُ مِنَ الۡمُصَلِّیۡنَ ﴿ۙ۴۳﴾
অনুবাদঃ
তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’।
(সূরা ৭৪. আল-মুদ্দাসসির, আয়াত নং ৪৩)
★মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ-
فَوَیۡلٌ لِّلۡمُصَلِّیۡنَ ۙ﴿۴﴾
অনুবাদঃ
অতএব দুর্ভোগ সে সব নামায আদায়কারীর।
(সূরা ১০৭. আল-মাঊন, আয়াত নং ৪)
الَّذِیۡنَ ہُمۡ عَنۡ صَلَاتِہِمۡ سَاہُوۡنَ ۙ﴿۵﴾
অনুবাদঃ
যারা নিজদের সালাতে অমনোযোগী।
(সূরা ১০৭. আল-মাঊন, আয়াত নং ৫)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
নামাজ ঠিকঠাক আদায় না কারী ব্যক্তির আবাসস্থল সম্পর্কে উপরোক্ত ৩ টি স্থান সম্পর্কে কুরআনের স্পষ্ট আয়াত রয়েছে।
তবে এসব আবাসস্থল এর ব্যাখ্যা হিসেবে যাহা প্রশ্নে উল্লেখ রয়েছে,তাহা কুরআন হাদীসের কোথাও পাইনি।
(০২)
তার জন্যেও ইশার নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে পড়া উত্তম।
আরো জানুনঃ-
(০৩)
হায়েজ অবস্থায় আযানের (মৌখিক) জবাব দেওয়া যাবে।
এতে কোনো সমস্যা নেই।
(০৪)
হ্যাঁ, এভাবে একাধিক নফল নামাজের নিয়ত একসাথে করে পড়া যাবে।
বিস্তারিত জানুনঃ- https://ifatwa.info/91916/
(০৫)
আপনি পুরুষ হলে সেক্ষেত্রে রোগী দেখার সওয়াব পাওয়ার উদ্দেশ্যে ওয়ার্ডে গিয়ে পুরুষ পেশেন্টের মাথায় হাত রেখে দোয়া পড়া যাবে।
তবে আপনি নারী হলে এটি কোনোক্রমেই জায়েজ নেই।
(০৬)
বান্ধবীরা একজন আরকজনের পেটে (ফিতনার আশংকা না থাকলে,পর্দা ঘেরা পরিবেশে, কোনো পুরুষ সেখানে না থাকলে) বা প্রাপ্তবয়স্ক মাহরাম এর গায়ে হাত দিয়ে (ফিতনার আশংকা না থাকলে) পরীক্ষা করার অনুমতি আছে।
(০৭)
না,সেটি সুতরা হিসেবে কাজ করবেনা।
(০৮) এমন কারো ড্রেস বানিয়ে দিলে তার থেকে পারিশ্রমিক নেওয়া জায়েজ হবে।
এক্ষেত্রে টিউশনি করে বেতন নেয়াও জায়েজ।তবে এক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন যে উত্তম সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
বিস্তারিত জানুনঃ- https://ifatwa.info/13794/