আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
142 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (23 points)
السلام عليكم ورحمة الله وبركته

মাযুর ব্যাক্তির ওযু কি হারাম ওয়াক্ত শুরু হওয়া মাত্রই ভেঙে যাবে?

১)আমি ফজরের ২য় রাকাতের সিজদায় যাবো এমন অবস্থায় হারাম ওয়াক্ত শুরু হয়ে যায়।আমি শরয়ীভাবে মাযুর।বাকি যেটুকু স্বলাত বাকি ছিলো সেটা আমি হারাম ওয়াক্তের ভেতর শেষ করি।এখন আমার কি স্বলাত বাতিল হয়ে গিয়েছে?আমার কি এতে গুনাহ হয়েছে?

২)আমি রাতে ঘুমানোর পর ফজরের সময় অথবা তাহাজ্জুদের সময় ঘুম ভাঙলে যদি আবার ঘুমিয়ে যাই এই ভেবে যে একটু পর উঠছি তাহলে আমার ফজর স্বলাত মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর নাহলে অনেক সময় অল্প সময় পাওয়া যায়।এই কারণে বোধহয় ২/৩ বার ফজর মিস ও হয়েছে।তারপরও দেখা যায় আমার এই অভ্যাস দূর হয়নি।এখন আমি যদি ঘুম ভাঙার পর আবার ঘুমিয়ে যাই তাহলে কি আমার গুনাহ হবে?
by
৩)হারাম ওয়াক্তে কি মাযুর ব্যাক্তির ওযু ভেঙে যায়? 

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
ফজরের নামাযে এক রা'কাত পড়ার পর সূর্যোদয় হয়ে গেলে ঐ দিনের ফজরের নামায কি হবে? ইমাম শাফেয়ী রাহ, ইমাম মালিক রাহ,আহমদ ইবনে হাম্বল রাহ এর মতে নামায হয়ে যাবে। তবে হানাফি মাযহাব মতে তখন নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।

ইমাম সারখাসী রাহ ফজর আর আসরের এই বৈপরীত্য সম্পর্কে বলেনঃ
والفرق بينهما عندنا أن بالغروب يدخل وقت الفرض فلا يكون منافيا للفرض وبالطلوع لا يدخل وقت الفرض فكان مفسدا للفرض كخروج وقت الجمعة في خلالها مفسد للجمعة؛ لأنه لا يدخل وقت مثلها، ،
বঙ্গানুবাদঃ-ফজর আর আছরের মধ্যে পার্থক্য হল,যে সূর্যাস্তের মাধ্যমে ভিন্ন এক ফরয নামাযের ওয়াক্ত প্রবেশ করছে,সুতরাং তা কোনো ফরয নামাযের খেলাফ বা বিরোধী হবে না।আর সূর্যোদয়ের মাধ্যমে ভিন্ন কোনো নামাযের ওয়াক্ত প্রবেশ করছে না।বিধায় সূর্যোদয়ের পর কোনো ফরয শুদ্ধ হবে না।বরং ফাসিদ হয়ে যাবে।যেমন জুমআর নামাযের সময় ওয়াক্ত চলে গেলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে।কেননা তখন কোনো ভিন্ন নামাযের ওয়াক্ত প্রবেশ করছে না। (শেষ)

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/471

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/6561

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
(১) মাযুর ব্যক্তির ওযু হারাম ওয়াক্ত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই ভেঙ্গে যাবে।
(২) ফজরের ২য় রাকাতের সিজদায় যাওয়া অবস্থায় হারাম ওয়াক্ত শুরু হয়ে গেলে নামায ফাসিদ হয়ে যাবে। এবং মা'যুর ব্যক্তির অজুও চলে যাবে।
(৩) ঘুমানোর পর ফজরের সময় অথবা তাহাজ্জুদের সময় ঘুম ভাঙলে কেউ যদি আবার ঘুমিয়ে যায়, এবং এজন্য তার নামায কা'যা হয়, তাহলে দুয়েকবার হলে কোনো গোনাহ হবে না তবে একাধিকবার হলে অবশ্যই ঘুমানো যাবে না। ফজর মিস হবে জেনেও আবার ঘুমিয়ে গেলে অবশ্যই গোনাহ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (23 points)
আসর নামাজের সময় যদি হারাম ওয়াক্ত শুরু হয় তখনো কি এরুপ ওযু ভেঙে যাবে মাযুর ব্যাক্তির?
by (814,710 points)
ওয়াক্ত চলে গেলে মা'যুন ব্যক্তিক্তির অজু ও পবিত্রতাও চলে যাবে।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 257 views
0 votes
1 answer 507 views
...