আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। আমার আগে ইউরোপের দেশে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু যখন থেকে একটা হাদিস নিয়ে জেনেছি আর ইচ্ছে করে না।তহ আমার স্বামী বেশি চায় ইউরোপের দেশে যাবে।তাকে আমি বলেছি হাদিস নিয়ে বলেছি কিনা জানি না কিন্তু এরকম বলেছি মনে হয় মুসলিমরা স্হায়ী ভাবে বসবাস করতে পারে না।তহ আজকে কথার সময় বুঝতে পারি তবু সে যেতে চায়।আমি বলি তুমাকে না বলেছি না যাওয়র জন্য? সে বলে থেথ!! আমার টাকা লাগবে,তারপর সে বলে আমি তহ স্হায়ী ভাবে থাকব না।আর বলে আমার স্কীল ডেভেলপ করতে হবে ইউরোপের হোটেলে কাজ করে।বাংলাদেশের হোটেলে নাকি সহজে প্রমোশন দেয় না বাইর থেকে কয়েকবছর কাজ করলে দেয় সেজন্য যাবে।আবার চলে আসবে।আমি বলি মালেশিয়া যাও,সে বলে মালেশিয়ার খাবার তহ world wide খায় না।আমার স্বামী শেফ হিসেবে ইন্টার্নশিপ করতেছে। কিন্তু ইউরোপের হোটেলে কাজ করলে বেতন হালাল হবে কিনা আমার এটা নিয়েও চিন্তা। সে জানেও অমুসলিম দের জবাই করা প্রাণী খাওয়া যায় না কিন্তু আপনি বলেছিলেন ইহুদি বা খ্রীস্টানদের ধর্ম অনুযায়ী জবাই করলে খাওয়া যায়।কিন্তু তারা সে অনুযায়ী করে কিনা।আবার আজকে বলতেছে আমার জন্য দোয়া করিও বাইরের কোন হোটেলে আল্লাহ আমাকে কবুল করুক।আমি বলি এসব বলিও না তহ এখন কারন ভাবতেছিলাম হয়ত ইউরোপ বলবে আবার।সে বলে দুবাই।
এখন এসব কথা বার্তা দ্বারা কি কোন গুণাহ হবে না? ঈমানে কি সমস্যা হবে? তাকে এ বিষয়ে কোন কিছু জিজ্ঞেস না করলে বা না জানালে কি আমার গুণাহ হবে? কি বলতে কি বলে ফেলে ভয় লাগে আমার।আমার সবসময় ঈমান নিয়ে চিন্তা হয়।