আসসালামু আলাইকুম,
নিয়মিত মসজিদে নামাজের কারনে একজন ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়। গত ৪বছর ধরে চিনি৷ উনি একজন ডাক্তার। আমি একজন ছাত্র। আমার ফ্যামেলিতে আমার ওয়াইফ, একটা বাচ্চা, আমার বাবা মা, আমার তিন ভাই আছে। ছাত্রাবস্থায় রিসার্চার হিসেবে কিছু টাকা পাই যেটা দিয়ে আল্লাহ পাকের অশেষ করুনায় এই সংসার চলতেছে। আলহামদুল্লাহ এই বেতনে আল্লাহ সব কিছু চালায় দিচ্ছে। মাঝে মাঝে অনেক বড় কোনো খরচ আসলে লোন নিতে হয়। আমি আবার বেতন থেকে সেগুলা শোধ করি। মাস শেষে আমার কোনো সেভিংস নাই। আমার নিসাব পরিমান সম্পত্তি/ অর্থ নাই। আমার মনে হয় আমার হাবভাবে ওই ডাক্তার ভাই অনেক কিছু বুঝতে পারে। কিন্তু আমি উনার থেকে কখনো হেল্প চাই নি বা আশাও করিনি। একদিন উনি আমাকে কিছু টাকা দিতে চাই জোর পূর্বক আমি গ্রহন করি নি,যদিও আমার প্রয়োজন ছিল, কিছু লোন শোধ হতো। আমি অত্যন্ত লজ্জা পাই। শেষমেশ তিনি আমাই বলে আচ্ছা তুমি এটা দান করে দিও অন্য কাউকে। তারপর আমি টাকা নিই, আর ওই টাকা মাদরাসা, অত্যন্ত কিছু গরিব মানুষকে দান করি। আর তাকে সব হিসাব দেখাই। গত কয়েক মাস আগে আমাকে আবার টাকা দেয়, আর দেওয়ার সময় বলে এই টাকা রাখো, আর টাকা কি করলা না করলা আমাকে কিছু জানাবা না, কোনো হিসাব দেখাবা না।আমি বললাম আাচ্ছা আমি দান করে দিব। উনি বললো যাই করো আমাকে কিছু বলবা না। আমি ভেবে ছিলাম ওই টাকা টা আমি আমার কিছু লোন শোধ করবো, কিন্তু আমি বিবেকের কাছে পরাজিত হয়ে আবার দান করে দিই, ভয় পাচ্ছিলাম আমি কি আসলেই টাকা গুলা নিতে পারবো কিনা, আল্লাহ যদি শাস্তি দেই।৷ আজ আামাকে ওই ভাই আবার কিছু টাকা দিয়ে একই কথা বলছে। আমাকে কিছু জানাবা কি করলা না করলা। আমি আসলে উনার উদ্দেশ্য বুঝতেছি না। উনি কি পরোক্ষভাবে আমায় দিতে চাচ্ছ , নাকি আসলে আমার মাধ্যমে দান করতে চাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি কি আমার কিছু লোন দিতে পারবো? আমার সাত লাখের মতো লোন আছে। আমার কি গুনাহ হবে নিজের কাজে খরচ করলে যেহেতু আমার কোনো সেভিংস নাই আর নিসাব পরিমন অর্থ নাই? অথবা আমি কি নিজে খরচ করে উনাকে বলবো যে আমি খরচ করেছি যদিও খুব লজ্জা বোধ হচ্ছে? নাকি দান করবো? কোনটা ভাল হয় জানাবেন প্লিজ হুজুর।
জাযাকাল্লাহ