আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
110 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (1 point)
কোনো মেয়ের যদি বিয়ে হচ্ছে। হুজুর ইস্তেখারা করে জানালেন, বিয়ে বন্ধ আছে?
নাম,মা বাবার নাম দিয়ে এভাবে ইস্তেখারা  জায়েজ আছে?
কদু/ চুরি দিয়ে সূরা ফাতিহা পাঠ করে বান কাটা জায়েজ হবে?

যাদু/ জিনে আক্রান্ত কিনা দেখার জন্য ব্যবহৃত কাপড়ে আয়াত পাঠ করে মাপ দেখা।
আমি আসলে বুঝতে পারছি না, এসব ইসলামে জায়েয কিনা?


দয়া করা জানান।
by (1 point)
জাযাকিল্লাহ খয়রান ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ।
উত্তর পেয়ে খুশি হয়েছি। 

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি-থেকে বর্ণিত তিনি বলেন- 
ﻋَﻦْ ﻋَﺒْﺪِ اﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦِ ﻋَﻤْﺮٍﻭ ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ - ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ -( «ﻛَﺘَﺐَ اﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻘَﺎﺩِﻳﺮَ اﻟْﺨَﻼَﺋِﻖِ ﻗَﺒْﻞَ ﺃَﻥْ ﻳَﺨْﻠُﻖَ اﻟﺴَّﻤَﺎﻭَاﺕِ ﻭَاﻷَْﺭْﺽَ ﺑِﺨَﻤْﺴِﻴﻦَ ﺃَﻟْﻒَ ﺳَﻨَﺔٍ)ﺭَﻭَاﻩُ ﻣُﺴْﻠِﻢٌ.
আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মানুষের তাক্বদীর লিপিবদ্ধ করেছেন আসমান-যমীন সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর পূর্বে এবং তিনি যার ভাগ্যে যা লিপিবদ্ধ করেছেন তাই ঘটবে।(ছহীহ মুসলিম, মিশকাত হাদীস নং/৭৯)। 
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/58

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
জন্ম মৃত্যুর মত বিয়ে শাদী ইত্যাদি সবকিছুই নির্ধারিত রয়েছে।তাকদীরে লিপিবদ্ধ রয়েছে।তাকদীরে যার সাথে বিয়ের কথা লিখিত রয়েছে,তার সাথেই বিয়ে হবে।হ্যা তাকদীরে যা লিখা রয়েছে,তা দু'আর মাধ্যমে পরিবর্তনও হয়ে যেতে পারে।শত চেষ্টা করলেও কাউকে বিয়ে করা যাবে না, যদি না তাকদীরে লিখা থাকে বা আল্লাহর হুকুম হয়।তাকদীর আল্লাহ লিখে রেখেছেন।এবং পরবর্তীতে আল্লাহ তাকদীরকে পরিবর্তনও করে দিতে পারেন।

 এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/5266

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আল্লাহর হুকুম ব্যতিত কোনো কিছুই হয় না।সুতরাং কারো বিবাহকে আটকানো যাবে না। হ্যা আল্লাহর হুকুম থাকলে দেড়িতে হয়তো বিয়ে হবে। তবে কারো বিয়ে আটকিবে না।কোনো মানুষ বা জ্বীন কারো বিয়েকে আটকাতে পারবে না। তাই বিয়ে বন্ধের তাবিজ ব্যবহার না করাই উচিৎ। হ্যা, কারো আকিদা বিশ্বাস ঠিক থাকলে,এবং কুরআন সুন্নাহ দ্বারা চিকিৎসা হলে, তখন তাবিজ ব্যবহারের রুখসত থাকবে।

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইস্তেখারা করে জানানো যে, বিয়ে বন্ধ আছে। এমনটা নিশ্চিত কোনো বিষয় নয়। তাছাড়া বিয়ে বন্ধ করার কারো কোনো শক্তি নেই। তাকদীরে যা লিখিত আছে সেটাই হবে। ইস্তেখারা মূলত নিজে নিজেই করতে হয়। 
নিজের ইস্তেখারা নিজেই করা সুন্নত। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1775

কদু/ চুরি দিয়ে সূরা ফাতিহা পাঠ করে বান কাটা নাজায়েয হবে না। কেননা কুরআন সানব জাতীর জন্য শেফা স্বরূপ।
যাদু/ জিনে আক্রান্ত কি না? তা দেখার জন্য ব্যবহৃত কাপড়ে আয়াত পাঠ করে মাপ দেখাতে সমস্যা নেই। তবে এটাকে নিশ্চিত জ্ঞান বা দলীল প্রমাণ মনে করা যাবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...