আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
7 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম।

আমাদের ক্যাম্পাসের এক মেয়ের প্রশ্ন : একসময় সে ইসলামের বিধিনিয়ম সম্পর্কে ততোটা ভালো ভাবে জানতো না। একবার কিছুটা বুজতে পেরে নামাজ, পর্দা কন্টিনিউ করে। কিন্তু কয়েকমাস পরই নফসের সাথে না লড়তে পেরে আস্তে আস্তে ঝড়ে পরে। পরবর্তীতে একটা ছেলের সাথে হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পরে, এবং মেসেন্জারে কোনো রকম ভিত্তি ছাড়াই বিয়ে হয়েছে ভেবে নিয়ে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে physically  intimacy হয়ে যায়। মেয়ের পরিবার এ বিষয়ে কিছুই জানে না। পরবর্তীতে মেয়েটা শিউর হয় তাদের বিয়ে টা হয় নি, তখন ছেলেকে জানায় তখন ছেলে ও চিন্তিত হয়ে জানায় সম্পর্ক ভেঙে তাওবা করবে। মেয়ে ও আর বাধা দেয় না। তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় সেখানেই। এর পর যদিও অনেকটা দিন আফসোস করতো, কিভাবে এক পর্যায়ে আলহামদুলিল্লাহ খাস ভাবে তাওবা করে, যতো খারাপ কাজ+সঙ্গ ছিলো সব বাদ দিতে থাকে আস্তে আস্তে।কিন্তু যেহেতু দুজনই একই জায়গায় পড়াশোনা করে, এক সময় জানতে পারে, ছেলেটা, ছেলের বন্ধুদের মাঝে এ বিষয়ে বলে দেয়। যেটা মেয়ের জন্য খুবই সম্মানহানির বিষয় হয়ে দাড়ায় তার নিজের মনে। এর কিছু  মাস পর আনুমানিক (৪/৫) হটাৎ একদিন সে দেখে সেই ছেলেকে একটা মেয়ের সাথে দাড়িয়ে কথা বলছে, সে আর ততো খেয়াল দেয় না সেদিকে, তবে সিউর সেটা তার প্রাক্তনই ছিলে।
এতো সব চোখের সামনে দেখে শুনে ও একসময় ছেলেটাকে মাফ করে দেয়।
এখন তার প্রশ্ন হলো যেহেতু একটা সময় সে জিনায় জরিয়ে গিয়েছিলো যদিও তার পর খাস দিলে তাওবা করেছে, তারপরও কি তার ওপর ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো শাস্তি রয়েছে? যদিও থাকেও কিন্তু তাকে শাস্তি দেওয়ার মতো কেউ নাই, কোনো ব্যবস্থাও নাই। এমনতা পর্যায় তার কি করা উচিত? আর ছেলে কে মাফ করে দেয়াওর পর ও তার মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে মাফ না দিতে, এরজন্য কি সে বার বার মত পরিবর্তন করলে সেটা যুক্তিযুক্ত হবে?

এমতাবস্থায় তার কি কি করনীয় বললে মুনাসিব হয়। জাযাকাল্লাহু খইরন।

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...