জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
রাবেয়া বসরী (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন প্রথম যুগের একজন বিখ্যাত আল্লাহভীরু নারী ও সুফি সাধিকা। তাঁর জীবন নিয়ে যে সব কিতাব লেখা হয়েছে (যেমন: তাযকিরাতুল আউলিয়া ইত্যাদি), সেগুলোতে বলা হয়, তিনি দুনিয়ার ওপর ভরসা না করে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করতেন।
অনেক সময় তাঁর প্রয়োজনীয় খাবার বা জিনিসপত্র এমনভাবে এসে যেত যে মানুষ এতে বিস্মিত হতো।
এগুলোকে সুফিরা কেরামত (আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তবে এই ঘটনাগুলো সহিহ হাদিস বা শক্ত ঐতিহাসিক সূত্রে প্রমাণিত নয়।
একজন মেয়ে হয়েও আপনি সেই পরিমান আমল করতে পারবেন।
(০২)
আওয়াল ওয়াক্তে নামাজ পড়া বলতে ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে নামাজ পড়া বুঝায়।
আযান হওয়ার সাথে সাথে নয়,কেননা অনেক সময় ওয়াক্ত আসার অনেক পরে আমাদের মসজিদ গুলোতে আযান হয়। তাই আযানের অপেক্ষা নয়,বরং ওয়াক্ত আসা মাত্র নামাজ আদায় উত্তম।
,
আউয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায়ের গুরুত্ব :
আল্লাহ তা‘আলা ছালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে বলেন,
إِنَّ الصَّلَاةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ كِتَابًا مَوْقُوْتًا
‘নিশ্চয় মুমিনদের উপর নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত ফরয করা হয়েছে’ (নিসা ১০৩)।
عَنْ أُمِّ فَرْوَةَ قَالَتْ سُئِلَ رَسُوْلُ اللهِ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ الصَّلاَةُ فِىْ أَوَّلِ وَقْتِهَا.
উম্মু ফারওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমল সমূহের মধ্যে কোন্ আমল সর্বাধিক উত্তম? তিনি উত্তরে বলেন, আউয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায় করা।
ছহীহ আবুদাঊদ হা/৪২৬, ১/৬১ পৃঃ; তিরমিযী হা/১৭০, ১/৪২ পৃঃ; সনদ ছহীহ; মিশকাত হা/৬০৭; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৫৯, ২/১৭৯ পৃঃ।
والمراد بأول وقت الصلاة من حين دخول وقتها.
في الشرح الممتع للشيخ ابن عثيمين: الصلاة على وقتها ـ أي: من حين دخول وقتها
সারমর্মঃ
নামাজের আওয়াল ওয়াক্ত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ওয়াক্ত দাখিল হওয়ার পর পরই নামাজ আদায় করা।
শায়েখ ইবনে উসাইমিন রহঃ এমনটিই উল্লেখ করেছেন।
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
আউয়াল ওয়াক্ত বুঝার জন্য আপনার জেলার ইসলামী ফাউন্ডেশন করতে প্রণীত চিরস্থায়ী নামাজের ক্যালেন্ডার দেখতে হবে।
সেটা দেখে আপনি বুঝবেন নামাজের আওয়াল ওয়াক্ত কোনটি এবং নামাজের ওয়াক্ত শেষ হচ্ছে কোন সময়।
(০৩)
এতে স্রাব বের হলেও ওজু ভেঙে যাবে।
(০৪)
ভেজা কাপড় লজ্জাস্থানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করালে রোযা ভেঙ্গে যাবে।
(০৫)
অনিচ্ছাকৃত হওয়ায় এতে রোজা ভেঙে যাবেনা।
(০৬)
রহমান,রহিম যেকোনো নাম ব্যবহার করতে পারেন।