আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (19 points)
edited by
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته

১.ফ্লোরে যদি নাপাকি লাগলে সেই স্থান তিনবার ধৌত করতে হয়। আমি যদি এক টুকরো কাপড় দিয়ে তিনবার মুছতে চাই তাহলে কি প্রতিবার কাপড় দিয়ে মোছার পর সেই কাপড়কে তিনবার ধুয়ে পাক করে নিতে হবে?

২.আমি আছরের ওয়াক্তে টিউশনে থাকি। প্রায় সময় দেখা যায় টিউশনে যেতে যেতে লিউকোরিয়া প্রব্লেমের কারণে কাপড় নাপাক হয়ে যায়। বাসায় এসে পাক হয়ে নামাজ পড়ার টাইম থাকে না। এক্ষেত্রে আমি কিভাবে নামাজ পড়বো? আবার ওজু করতে হবে? ওই অবস্থায় কুরআন ধরা যাবে? (টিউশনে কুরআন পড়াই)

৩.ইসলামের যেকোনো বিষয় আমি কাউকে অজ্ঞাতবশত ভুল বলে ফেললে গুনাহ হবে?

৪.ওজু ছাড়া কুরআনের আয়াত লিখা যাবে?

৫.এটাচ বাথরুমের দরজায় কতগুলো মাছের ছবি আছে। এমতাবস্থায় সেই রুমে নামাজ পড়লে নামাজ কবুল হবে?

৬.কাউকে সুন্নাহ পালন সম্পর্কে বললে সে যদি এমন কোনো আন্সার দেয় যে "এগুলো কয়জনে মানে? এগুলো মানলে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা যায় না", তাহলে কি সে ইসলাম থেকে খারেজ হয়ে যাবে?
৭.শুনেছি ফজরের কাজা নামাজ ফজরের ওয়াক্তেই পড়তে হয়। এটা কি সহীহ? অন্য ওয়াক্তে ফজরের কাযা নামাজ পড়া যাবে?
৮.কেউ অল্প কিছু টাকা জমিয়েছে উমরাহ করার উদ্দেশ্য। যেহেতু সে একজন স্টুডেন্ট তাই তার টাকার পরিমাণ কম।উমরাহ করার উদ্দেশ্য যে টাকা জমানো হয়েছে ওখান থেকে সাদাকাহ করা যাবে? নাকি উমরাহ উদ্দেশ্য জমানো বেশি গ্রহণযোগ্য?

৯.আমি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম যাবো। আমি টিকেট পেয়েছি ফেনি থেকে চট্টগ্রামের।ট্রেইন আসবে ঢাকা থেকে, কুমিল্লা স্টেশন থামলে আমি কুমিল্লা থেকে ফেনি পর্যন্ত দাঁড়িয়ে গেলাম / সিট পেলে বসেই ফেনি পর্যন্ত এসে নিজের আসনে বসে চট্টগ্রাম আসলাম।এইখানে কি হক নষ্ট হয়েছে?

এইভাবে কয়েকবার আসা হয়েছে,যদি এইভাবে আসার কারনে হক নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে করনীয় কি?সবাই পক্ষ থেকে সাদকা করে দিলে হবে?

১০.সাদকা করার সময় সকল উম্মাহর পক্ষ থেকে,রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে সাদকা করা যাবে?

১১.সাহু সিজদাতে ১সিজদা দিয়েছি নাকি ২সিজদা দিয়েছি এইটা নিয়ে সন্দিহান হলে,করনীয় কি?

১২.সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছে কিন্তু সাহু সেজদা না দিলে নামায হয়ে যাবে কি?
১৩.মাছ/মুরগী কাটার পর ময়লা পানি কাপড়ে লাগলে ওই কাপড় দিয়ে নামাজ পড়া যাবে?

১৪.নিকটস্থ এক বোন পূর্বে চোখের জিনায় লিপ্ত ছিল। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে সে কারো দিকে তাকালে তার মনে অশ্লীল চিন্তা আসতে চায়। সিজদায় খারাপ চিন্তা আসে। সে তার ভুল বুঝতে পেরেছে এবং সাথে সাথে তাওবা করে, কিন্তু মন থেকে নাকি এগুলো যেতে চায় না। শয়তান নাকি সবসময় ওয়াসওয়াসা দেয়। যেহেতু সে তাওবা করে ওসব থেকে সরে এসেছে, তাহলে এসব মনে পড়লে কি সে গুনাহগার হবে? এসব চিন্তা যেন মনে না আসে, সেজন্য করণীয় কি?

১৫.ফরজ নামাজে অজান্তেই তিলাওয়াত ভুল হলে নামাজ ভেঙে যাবে কি?

১৬.হাতে গুনে তাসবীহ পড়লে কিয়ামতের দিন হাত সাক্ষী দিবে। কিন্তু সংখ্যা মনে রাখার জন্য যদি ডিজিটাল তাসবীহ তে পড়ি, তাহলে কিয়ামত এর দিন হাত সাক্ষ্য দিবে?

১৭.মাঝে মাঝে অজ্ঞাতসারে দুরুদ ইস্তেগফার পড়তে থাকি, বুঝে বুঝে অনুভব করে না পড়লে কি জিকিরগুলো কবুল হবে?

১৮.ফজর ও আসরের নামাজের পর কাযা নামাজ পড়ার মাসআলা কি?

১৯.এটাচ টয়লেটে কার্য সম্পাদনের পর কেউ যদি পা না ধুয়ে নামাজের স্থান দিয়ে হেঁটে যায়, তাহলে সেই স্থানে নামাজ পড়লে নামাজ কবুল হবে?

২০.হিফজের জন্য আলাদা একটি নোটপ্যাডে অর্থসহ নোট করতে চাচ্ছিলাম। নোটপ্যাডটি ধরতে ওজু করা লাগবে?

২১.ওজুর আগে মিসওয়াক করতে মনে না থাকলে বা ইচ্ছেকৃত ভাবে না করে ওজুর পরে করলে মিসওয়াকের ফজিলত অর্জন হবে?

جزاك الله خيرا في الدنيا والاخره

1 Answer

0 votes
by (720,780 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছে-

يَا عَمَّارُ إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ: مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَالْقَيْءِ وَالدَّمِ وَالْمَنِيِّ

আম্মার বিন ইয়াসার রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-নিশ্চয় ৫টি কারণে কাপড় ধৌত করতে হয়, যথা-১-পায়খানা, ২-প্রশ্রাব, ৩-বমি, ৪-রক্ত, ৫-বীর্য। {সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-৪৫৮}

(قَوْلُهُ: إلَّا حَجَرًا خَشِنًا إلَخْ) فِي الْخَانِيَّةِ مَا نَصُّهُ: الْحَجَرُ إذَا أَصَابَتْهُ النَّجَاسَةُ، إنْ كَانَ حَجَرًا يَتَشَرَّبُ النَّجَاسَةَ كَحَجَرِ الرَّحَى يَكُونُ يُبْسُهُ طَهَارَةً، وَإِنْ كَانَ لَا يَتَشَرَّبُ لَا يَطْهُرُ إلَّا بِالْغَسْلِ. اهـ. وَمِثْلُهُ فِي الْبَحْرِ.
وَبَحَثَ فِيهِ فِي شَرْحِ الْمُنْيَةِ فَقَالَ هَذَا بِنَاءً عَلَى أَنَّ النَّصَّ الْوَارِدَ فِي الْأَرْضِ مَعْقُولُ الْمَعْنَى؛ لِأَنَّ الْأَرْضَ تَجْذِبُ النَّجَاسَةَ وَالْهَوَاءَ يُجَفِّفُهَا فَيُقَاسُ عَلَيْهِ مَا يُوجَدُ فِيهِ ذَلِكَ الْمَعْنَى الَّذِي هُوَ الِاجْتِذَابُ، وَلَكِنْ يَلْزَمُ مِنْهُ أَنْ يَطْهُرَ اللَّبِنُ وَالْآجُرُّ بِالْجَفَافِ وَذَهَابِ الْأَثَرِ وَإِنْ كَانَ مُنْفَصِلًا عَنْ الْأَرْضِ لِوُجُودِ التَّشَرُّبِ وَالِاجْتِذَابِ. اهـ. وَعَلَى هَذَا اسْتَظْهَرَ فِي الْحِلْيَةِ حَمْلَ مَا فِي الْخَانِيَّةِ عَلَى الْحَجَرِ الْمَفْرُوشِ دُونَ الْمَوْضُوعِ، وَهَذَا هُوَ الْمُتَبَادِرُ مِنْ عِبَارَةِ الشُّرُنْبُلَالِيَّةِ، لَكِنْ يَرُدُّ عَلَيْهِ أَنَّهُ لَا يَظْهَرُ فَرْقٌ حِينَئِذٍ بَيْنَ الْخَشِنِ وَغَيْرِهِ، فَالْأَوْلَى حَمْلُهُ عَلَى الْمُنْفَصِلِ كَمَا هُوَ الْمَفْهُومُ الْمُتَبَادِرُ مِنْ عِبَارَةِ الْخَانِيَّةِ وَالْبَحْرِ.
وَيُجَابُ عَمَّا بَحَثَهُ فِي شَرْحِ الْمُنْيَةِ بِأَنَّ اللَّبِنَ وَالْآجُرَّ قَدْ خَرَجَا بِالطَّبْخِ وَالصَّنْعَةِ عَنْ مَاهِيَّتِهمَا الْأَصْلِيَّةِ بِخِلَافِ الْحَجَرِ فَإِنَّهُ عَلَى أَصْلِ خِلْقَتِهِ فَأَشْبَهَ الْأَرْضَ بِأَصْلِهِ، وَأَشْبَهَ غَيْرَهَا بِانْفِصَالِهِ عَنْهَا، فَقُلْنَا إذَا كَانَ خَشِنًا فَهُوَ فِي حُكْمِ الْأَرْضِ؛ لِأَنَّهُ لَا يَتَشَرَّبُ النَّجَاسَةَ، وَإِنْ كَانَ أَمْلَسَ فَهُوَ فِي حُكْمِ غَيْرِهَا؛ لِأَنَّهُ لَا يَتَشَرَّبُ النَّجَاسَةَ - وَاَللَّهُ أَعْلَمُ -
«حاشية ابن عابدين = رد المحتار ط الحلبي» (1/ 312)
মর্মার্থ-
ফ্লোর যদি টাইলসবিহীন হয়, তাহলে নাপাকির ওপর পানি ঢেলে দিলে তা পবিত্র হয়ে যাবে। তবে পানি ঢালার পূর্বেই যদি শুকিয়ে যায়, তাহলেও পবিত্র হয়ে যাবে। কেননা তা মাটির হুকুমে। আর যদি ফ্লোর টাইলসবিশিষ্ট হয় এবং টাইলসগুলো আয়নার মতো সমান হয় এবং পানি চোষার ক্ষমতা না রাখে, তাহলে তা আয়নার হুকুমে। অর্থাৎ কোন কাপড় জাতীয় বস্তু দ্বারা মুছে ফেললে পবিত্র হয়ে যাবে। কিন্তু টাইলসে যদি মাটির মতো শোষণ ক্ষমতা থাকে, তাহলে তা মাটির হুকুমে। অর্থাৎ শুকানোর দ্বারা পবিত্র হয়ে যাবে। আর যদি শোষণ ক্ষমতা না থাকে এবং আয়নার মতো সমানও না হয়, তাহলে নাপাকি দূর হওয়া পর্যন্ত পানি দিয়ে তা ভালো ভাবে ধুতে হবে। (আরো জানতে দেখুন- ই’লাউস সুনান: ১/৩৯২, হিদায়া: ১/৫৬, ফতহুল কদীর: ১/১৭৪, মাবসুতে সারখসী: ১/২০৬)

বিস্তারিত জানুনঃ   

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি যদি এক টুকরো কাপড় দিয়ে তিনবার মুছতে চান, তাহলে  প্রতিবার কাপড় দিয়ে মোছার পর সেই কাপড়কে ভালোভাবে ধুয়ে পাক করে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে ট্যাপের পানিতে সরাসরি সে কাপড়টি ভালোভাবে ধোয়ার পরামর্শ রইলো। 

(০২)
এক্ষেত্রে বাসায় এসে শরীর ও কাপড় পাক করে ওযু করে নামাজ পড়তে হবে। নতুবা টিউশনিতে যাওয়ার আগেই নামাজ পড়ে নিতে হবে। অন্যথায় সেই সময় টিউশনি বাদ দিতে হবে।

(০৩)
হ্যাঁ গুনাহ হবে।

(০৪)
ওজু ছাড়া কুরআনের আয়াত (স্পর্শ করে) লেখা যাবেনা।

(০৫)
সেই রুমে নামাজ পড়লে যদিও নামাজ আদায় হয়ে যাবে, তবে নামাজটি মাকরূহ হবে।

(০৬)
সে যদি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ কোন বিধান নিয়ে হাসিঠাট্টা অথবা অস্বীকার করে বা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে, তাহলে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে।

(০৭)
ফজরের নামাজ কাজা হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে সূর্য উদয়ের পর ইশরাকের ওয়াক্ত হতে যোহরের ওয়াক্ত আসার আগেই তাহা আদায় করতে হবে।

যদি যোহরের ওয়াক্ত আসার আগেই আদায় না করা হয়, সেক্ষেত্রে যোহরের ওয়াক্তে আগে ফজরের নামাজের কাযা আদায় করতে হবে, তারপর যোহরের নামাজ আদায় করতে হবে।

হ্যাঁ যদি সেই ব্যক্তির জীবনে ছয় ওয়াক্ত বা তার চেয়েও বেশি নামাজ কাজা থেকে থাকে, সে ক্ষেত্রে সে চাইলে জোহরের নামাজ আগেও পড়তে পারে, কাজা পরে তুলে নিতে পারবে।


(০৮)
ঐখান থেকে সাদাকাহ করা যাবে।

(০৯)
আইনের খেলাফ হয় এটি জায়েজ নয়।
এমতাবস্থায় কুমিল্লা থেকে সরাসরি টিকিট কাটার বা এ বিষয়ে সেখানকার দায়িত্বশীল কারো সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ থাকবে।

এক্ষেত্রে যে কয়বার আপনি এভাবে সফর করেছেন, আনুমানিক ভাবে সমপরিমান টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিবেন।

(১০)
সাদকা করার সময় সকল উম্মাহর পক্ষ থেকে,রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে সাদকা করা যাবে।

(১১)
কোনো ব্যাক্তি যদি শেষ বৈঠকে সেজদায়ে সাহু আদায় করেছে কিনা,আদায় করে থাকলে দুটি সেজদাহ দিয়েছে না কি একটি সেজদাহ দিয়েছে,এই ব্যাপারে সন্দেহে পরে যায়,তাহলে সে প্রবল ধারনার ভিত্তিতে আমল করবে।
যদি কোনোদিকেই প্রবল ধারনা  না হয়,সেক্ষেত্রে পুনরায় সেজদায়ে সাহু আদায় করে নামাজ শেষ করবে।

في الدر المختار مع رد المحتار:
اليقين لا يزول بالشك.
(قبيل باب صلاةالمريض،ج2،ص:95،مط: سعيد)
সারমর্মঃ 
নিশ্চিত বিষয় সন্দেহের দ্বারা দূর হয়না।

وفيه ايضا:
يجب السجود فى جميع صور الشك سواء عمل بالتحري او بني على الاقل.
(قبيل باب صلاةالمريض،ج2،ص:95،مط: سعيد)
সারমর্মঃ
সেজদায়ে সাহু সন্দেহের সমস্ত ছুরতে ওয়াজিব হবে,চাই তাহাররি করে আমল করুক,বা কম সংখ্যাকে ধরে নিয়ে আমল করুক।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত মুছল্লি প্রবল ধারনার ভিত্তিতে আমল করবেন।

যদি তার প্রবল ধারনা হয় যে সে সেজদায়ে সাহু আদায় করেছে, সেক্ষেত্রে তার নামাজ হয়ে গিয়েছে। কোনো সমস্যা নেই। 

আর যদি প্রবল ধারনা হয় যে সে সেজদায়ে সাহু আদায় করেনি,বা কোনো দিকেই প্রবল ধারনা না আসে,সেক্ষেত্রে সে যেহেতু মসজিদ থেকে বের হয়ে গিয়েছে, তাই ওয়াক্ত থাকলে ওই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে। 

আর ওয়াক্ত না থাকলে পুনরায় আদায় না করলেও মাকরুহের সহিত উক্ত নামাজ আদায় হয়ে যাবে। 

(১২)
এক্ষেত্রে ওয়াক্তের মধ্যে সেই নামাজ পুনরায় আদায় করা ওয়াজিব।

(১৩)
মাছ, মুরগী (জবাইকৃত) কাটার পর ময়লা পানি কাপড়ে লাগলে ওই কাপড় দিয়ে নামাজ পড়া যাবে।

তবে মুরগির জবার সময় কোন রক্ত কাপড়ে লাগলে বা সেই সময়কার প্রবাহিত কোন রক্ত কাপড়ে লাগলে সেই কাপড়ে নামাজ পড়া যাবে না।

(১৪)
এসব চিন্তার মাথায় আসলেই সে বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর কাছে পানাহ চাইবে, আর এসব চিন্তাকে কোনভাবেই সে পাত্তা দেবে না।

(১৫)
এক্ষেত্রে নামাজ ভেঙ্গে যাওয়ার মত অর্থ বিকৃত হলে নামাজ ভেঙ্গে যাবে।

(১৬)
এক্ষেত্রেও আশা করি হাতের কোন আঙ্গুল সাক্ষ্য দিবে,ইনশাআল্লাহ। 

(১৭)
হ্যাঁ,  কবুল হবে ইনশাআল্লাহ।

(১৮)
ফজর ও আসরের নামাজের পর কাযা নামাজ পড়া যাবে।

তবে সূর্য উদয়ের সময়, সূর্য ডুবে যাওয়ার সময় কাজা নামাজ আদায় করা যাবে না।  

হ্যাঁ সেই দিনের আসরের নামাজ যদি কাজা হয়ে থাকে, তাহলে ওই দিন সূর্য ডুবে যাওয়ার সময় সেদিনের আসরের নামাজের কাজা আদায় করা যাবে।

(১৯)
সেক্ষেত্রে তার পায়ে যদি নাপাকি থাকে, তাহলে তো উক্ত স্থান নাপাক হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় সেই স্থান যদি শুকিয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তার ওপর শুকনো জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ আদায় করা যাবে। অন্যথায় নামাজ আদায় করা যাবে না।

(২০)
নোটপ্যাডটি ধরতে ওজু করা লাগবেনা।

(২১)
এক্ষেত্রেও মিসওয়াকের ফজিলত অর্জন হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...