ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ইচ্ছাকৃত নামায ত্যাগকারী সম্পর্কে ফুকাহায়ে কেরামগণ ৩ দলে বিভক্ত যথা,
(১) ইমাম শাফেয়ী রাহ এবং ইমাম মালিক রাহ এর মতে ঐ ব্যক্তি মৃত্যু দন্ড করা মুবাহ হয়ে যায়। হুকুমত তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করবে।
(২)ইমাম আবু হানিফা রাহ এর মতে ঐ ব্যক্তি তা'যির করা হবে।যখনই নামায ত্যাগ করবে, তাকে প্রহার করা হবে।
(৩) ইমাম আহমদ ইবনে হাস্বল রাহ এর মতে ঐ ব্যক্তিটি কাফির।
اختلف الناس فيه على ثلاثة مذاهب :
أحدها : وهو مذهب الشافعي ومالك أن دمه مباح وقتله واجب ، ولا يكون بذلك كافرا .
والمذهب الثاني : هو مذهب أبي حنيفة والمزني أنه محقون الدم لا يجوز قتله ، لكن يضرب عند صلاة كل فريضة أدبا وتعزيرا .
والمذهب الثالث : وهو مذهب أحمد بن حنبل وإسحاق بن راهويه أنه كان كافرا كالجاحد ، تجري عليهم أحكام الردة .
[الحاوي الكبير في فقه مذهب الإمام الشافعي - [ ص: 525 ] باب الحكم في تارك الصلاة متعمداذ]
যেই মাযহাব মতে নামাজ বাদ দেওয়ার কারণে ঈমানে সমস্যা হবে, সেই মাযহাবের আলোকে তখন তাদের বিবাহকে নবায়ন করতে হবে।